• ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড তরুণ নেতৃত্বে নতুন দৃষ্টান্ত

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কৃতী সন্তান মো. খালেদ সাইফুল্লাহ অর্জন করেছেন তরুণ স্বেচ্ছাসেবীদের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি “ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড”। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হল মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস। তিনি খালেদ সাইফুল্লাহর হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন। অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা, নৌপরিবহন উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে প্রতিবছর সামাজিক ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। এবছর সারাদেশ থেকে মাত্র ১২ জন তরুণকে নির্বাচিত করা হয়েছে। শিক্ষা, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত দুইজনের মধ্যে একজন হলেন নলছিটির মো. খালেদ সাইফুল্লাহ। তিনি বরিশাল বিভাগ থেকে একমাত্র মনোনীত ব্যক্তি হিসেবে সম্মান অর্জন করেছেন।




    খালেদ সাইফুল্লাহ ২০২০ সালে “তারুণ্যের নলছিটি” নামক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন এবং সভাপতি হিসেবে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। সংগঠনটি শিক্ষা, বিজ্ঞান, সচেতনতা, মানবিকতা ও নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। তার নেতৃত্বে Team STEM স্থানীয় শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি “CARO” প্রতিষ্ঠা করে সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে তরুণ নেতৃত্ব বিকাশ ও বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার নতুন মডেল তৈরিতে কাজ করছেন। তার উদ্ভাবিত Youth Political Leadership Simulation Model তরুণদের হাতে-কলমে নীতি, নেতৃত্ব ও এডভোকেসি শেখাচ্ছে।




    পুরস্কার গ্রহণের পর খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই তিনি দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়বদ্ধতার চেতনায় বন্ধুদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন। এ অর্জন তার একার নয়, বরং যারা সবসময় পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন তাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। তিনি এই পুরস্কার উৎসর্গ করেছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের নামে।




    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস অনুষ্ঠানে বলেন, তরুণ ও যুবকরা দেশের মূল চালিকাশক্তি। তারা যখন জেগে ওঠে তখন কোনো শক্তি তাদের দমিয়ে রাখতে পারে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তারই প্রমাণ মিলেছে। তিনি আরও বলেন, স্বেচ্ছাসেবা কেবল মানবকল্যাণ নয়, এটি আত্মউন্নয়ন, চরিত্র গঠন ও নেতৃত্ব বিকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তি দেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।




    অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে শিক্ষা, বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ঝালকাঠির মো. খালেদ সাইফুল্লাহ এবং গাইবান্ধার মো. শাহাদৎ হোসেনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি যুব উন্নয়ন, জনসেবা, দেশপ্রেম, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে অবদানের জন্যও বিভিন্ন জেলার তরুণদের পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেকে পেয়েছেন এক লাখ টাকা, একটি সম্মাননা ক্রেস্ট এবং সরকারি সনদপত্র।




    খালেদ সাইফুল্লাহ তার বক্তব্যে জানান, ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি যে পথচলা শুরু করেছিলেন, তা ধীরে ধীরে উপজেলা, জেলা হয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছেছে। “তারুণ্যের নলছিটি”, “CARO” ও “Team STEM”–এর ব্যানারে তার কাজ স্থানীয় থেকে বৈশ্বিক পর্যায়ে তরুণদের শিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও নেতৃত্ব বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।




    বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের মাধ্যমে খালেদ সাইফুল্লাহর সঙ্গে আমার পরিচয়। তখন থেকেই তার কাজগুলো নিবিড়ভাবে দেখেছি। তার একাগ্রতা, মেধা ও সৃজনশীলতা সত্যিই প্রশংসনীয়। লেখালেখি, সংগঠন গড়ে তোলা এবং তরুণদের উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে তার অগ্রগতি অনুকরণীয়।




    এ অর্জন শুধু খালেদ সাইফুল্লাহর নয়, বরং ঝালকাঠি তথা সমগ্র বরিশাল বিভাগের গৌরব। তরুণ প্রজন্মের জন্য তিনি হয়ে উঠেছেন প্রেরণার প্রতীক। রাষ্ট্রীয় এ স্বীকৃতি প্রমাণ করে, নিষ্ঠা ও কর্মনিষ্ঠা থাকলে তরুণরা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম।




    শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল

    — তৌফিক সুলতান
    Bangladesh Youth Award,
    ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড তরুণ নেতৃত্বে নতুন দৃষ্টান্ত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কৃতী সন্তান মো. খালেদ সাইফুল্লাহ অর্জন করেছেন তরুণ স্বেচ্ছাসেবীদের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি “ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড”। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হল মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস। তিনি খালেদ সাইফুল্লাহর হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন। অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা, নৌপরিবহন উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে প্রতিবছর সামাজিক ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। এবছর সারাদেশ থেকে মাত্র ১২ জন তরুণকে নির্বাচিত করা হয়েছে। শিক্ষা, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত দুইজনের মধ্যে একজন হলেন নলছিটির মো. খালেদ সাইফুল্লাহ। তিনি বরিশাল বিভাগ থেকে একমাত্র মনোনীত ব্যক্তি হিসেবে সম্মান অর্জন করেছেন। খালেদ সাইফুল্লাহ ২০২০ সালে “তারুণ্যের নলছিটি” নামক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন এবং সভাপতি হিসেবে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। সংগঠনটি শিক্ষা, বিজ্ঞান, সচেতনতা, মানবিকতা ও নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। তার নেতৃত্বে Team STEM স্থানীয় শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি “CARO” প্রতিষ্ঠা করে সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে তরুণ নেতৃত্ব বিকাশ ও বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার নতুন মডেল তৈরিতে কাজ করছেন। তার উদ্ভাবিত Youth Political Leadership Simulation Model তরুণদের হাতে-কলমে নীতি, নেতৃত্ব ও এডভোকেসি শেখাচ্ছে। পুরস্কার গ্রহণের পর খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই তিনি দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়বদ্ধতার চেতনায় বন্ধুদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন। এ অর্জন তার একার নয়, বরং যারা সবসময় পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন তাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। তিনি এই পুরস্কার উৎসর্গ করেছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের নামে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস অনুষ্ঠানে বলেন, তরুণ ও যুবকরা দেশের মূল চালিকাশক্তি। তারা যখন জেগে ওঠে তখন কোনো শক্তি তাদের দমিয়ে রাখতে পারে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তারই প্রমাণ মিলেছে। তিনি আরও বলেন, স্বেচ্ছাসেবা কেবল মানবকল্যাণ নয়, এটি আত্মউন্নয়ন, চরিত্র গঠন ও নেতৃত্ব বিকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তি দেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে শিক্ষা, বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ঝালকাঠির মো. খালেদ সাইফুল্লাহ এবং গাইবান্ধার মো. শাহাদৎ হোসেনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি যুব উন্নয়ন, জনসেবা, দেশপ্রেম, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে অবদানের জন্যও বিভিন্ন জেলার তরুণদের পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেকে পেয়েছেন এক লাখ টাকা, একটি সম্মাননা ক্রেস্ট এবং সরকারি সনদপত্র। খালেদ সাইফুল্লাহ তার বক্তব্যে জানান, ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি যে পথচলা শুরু করেছিলেন, তা ধীরে ধীরে উপজেলা, জেলা হয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছেছে। “তারুণ্যের নলছিটি”, “CARO” ও “Team STEM”–এর ব্যানারে তার কাজ স্থানীয় থেকে বৈশ্বিক পর্যায়ে তরুণদের শিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও নেতৃত্ব বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের মাধ্যমে খালেদ সাইফুল্লাহর সঙ্গে আমার পরিচয়। তখন থেকেই তার কাজগুলো নিবিড়ভাবে দেখেছি। তার একাগ্রতা, মেধা ও সৃজনশীলতা সত্যিই প্রশংসনীয়। লেখালেখি, সংগঠন গড়ে তোলা এবং তরুণদের উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে তার অগ্রগতি অনুকরণীয়। এ অর্জন শুধু খালেদ সাইফুল্লাহর নয়, বরং ঝালকাঠি তথা সমগ্র বরিশাল বিভাগের গৌরব। তরুণ প্রজন্মের জন্য তিনি হয়ে উঠেছেন প্রেরণার প্রতীক। রাষ্ট্রীয় এ স্বীকৃতি প্রমাণ করে, নিষ্ঠা ও কর্মনিষ্ঠা থাকলে তরুণরা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম। শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল — তৌফিক সুলতান Bangladesh Youth Award,
    Love
    1
    0 Comments 0 Shares 23K Views 0 Reviews
  • বিজেএসএম মডেল কলেজে নতুন শিক্ষাবর্ষের ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নির্মাণের শপথ

    নতুন শিক্ষাবর্ষ মানেই নতুন স্বপ্ন, নতুন পরিকল্পনা আর নতুন অঙ্গীকার। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষাজীবনের প্রথম দিনটি এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা। বিশেষ করে কলেজ ক্যাম্পাসে প্রথমবার প্রবেশ করা শিক্ষার্থীদের কাছে এটি যেন এক নতুন দুনিয়ায় পা রাখার মতো অনুভূতি। বিজেএসএম মডেল কলেজে আয়োজিত এবারের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সেই অনুভূতিকে আরো প্রাণবন্ত করেছে। কলেজের প্রতিটি কোণ যেন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়েছে নতুন আলো আর আশার বার্তা নিয়ে।

    প্রথম দিন থেকেই শিক্ষার্থীরা বুঝতে পেরেছে, তারা শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়নি—বরং তারা একটি বড় পরিবারের অংশ হয়ে উঠেছে। নতুন পরিবেশ, নতুন সহপাঠী আর নতুন শিক্ষকের সাথে পরিচিত হওয়ার মুহূর্তগুলো ছিল আনন্দ, কৌতূহল এবং চ্যালেঞ্জের এক অনন্য মিশ্রণ। সেই সাথে ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের প্রতিটি ধাপ তাদের মানসিক প্রস্তুতিকে আরও দৃঢ় করেছে।

    প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ, প্রভাষকবৃন্দ এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা। মোঃ শফিউল আলম, প্রভাষক, শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রাণবন্ত বক্তব্য রাখেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বিজেএসএম মডেল কলেজ একদিন শুধু স্থানীয় নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজের পরিচিতি তুলে ধরবে। তার বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মনে আত্মবিশ্বাস ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার নতুন শিখা জ্বালিয়ে দেয়।

    আমি নিজে, প্রভাষক তৌফিক সুলতান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ নির্মাণের কিছু দিক নিয়ে কথা বলার সুযোগ পাই। আমি তাদের বলেছি, কলেজ জীবন শুধু পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি হলো প্রতিভা বিকাশের সোনালী সময়। শিক্ষার্থীরা চাইলে তাদের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করে সমাজ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখতে পারে। আমি তাদের উৎসাহিত করেছি লেখালেখি করার জন্য—পত্রপত্রিকায় নিজেদের মতামত প্রকাশের জন্য, কারণ লেখনী হচ্ছে চিন্তা ও চেতনার সর্বোত্তম প্রকাশ। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের শিক্ষার্থীরা এই কলেজের প্রতিনিধিত্ব করবে শুধু ফলাফলের মাধ্যমে নয়, বরং জ্ঞান, সৃজনশীলতা এবং সামাজিক অবদানের মাধ্যমেও।

    অধ্যক্ষ মঞ্জিল মোল্লা শিক্ষার্থীদের প্রতি তার গভীর আন্তরিকতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা সব সময় যেন মনে রাখে—কলেজের শিক্ষকরা সবসময় তাদের পাশে আছেন। যেকোনো প্রয়োজনে তারা নির্দ্বিধায় শিক্ষকদের দ্বারস্থ হতে পারে। তার এই বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মনে আস্থা এবং সুরক্ষার এক শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দেয়।

    শিক্ষিকা জাফরিন সুলতানা তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, কলেজে তারা সবসময় শিক্ষার্থীদের জন্য উপস্থিত থাকবেন। কোনো সমস্যা হলে শিক্ষার্থীরা যে কোনো সময় তার কাছে আসতে পারবে। শিক্ষার্থীদের সাথে শিক্ষকের এই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক একটি উন্মুক্ত ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষার্থীদের জন্য সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্বও তুলে ধরা হয়। বিজেএসএম মডেল কলেজের সাহিত্য ক্লাব, বিজ্ঞান ক্লাব, সাংস্কৃতিক ক্লাব এবং ভাষা ক্লাব শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল বিকাশে অসাধারণ ভূমিকা রাখে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেয় না, বরং দলগত নেতৃত্ব, সমস্যা সমাধান এবং সামাজিক সচেতনতার মতো গুণাবলী অর্জন করে।

    আজকের ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তি-নির্ভর শিক্ষা অপরিহার্য। আমাদের কলেজে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ইন্টারনেট সুবিধা এবং আধুনিক ল্যাব রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করে। আমি শিক্ষার্থীদের বোঝাতে চেয়েছি, প্রতিযোগিতা এখন আর স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়। তাই তাদের এমনভাবে প্রস্তুত হতে হবে যেন তারা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডেও নিজের অবস্থান তৈরি করতে পারে।

    ওরিয়েন্টেশনের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত ছিল শিক্ষার্থীদের শপথ গ্রহণ। তারা প্রতিজ্ঞা করেছে, তারা নিয়মিত পড়াশোনা করবে, শিক্ষক-অভিভাবকের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে, নৈতিকতা বজায় রাখবে এবং দেশের কল্যাণে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। তাদের চোখের দীপ্তি আর কণ্ঠের দৃঢ়তা আমাদের সকলকে আশ্বস্ত করেছে যে, তারা সত্যিই ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ।

    অভিভাবকদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন যে, বিজেএসএম মডেল কলেজ শুধু শিক্ষার মান উন্নয়নে নয়, শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠনে এবং মানবিক গুণাবলীর বিকাশে কাজ করছে। অভিভাবকরা আশা প্রকাশ করেন, তাদের সন্তানরা এই কলেজ থেকে যোগ্য নাগরিক হয়ে বেরিয়ে আসবে।

    বিজেএসএম মডেল কলেজের নতুন শিক্ষাবর্ষের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি ছিল এক নতুন যাত্রার সূচনা। শিক্ষার্থীরা বুঝে গেছে, শিক্ষা মানে শুধু পাঠ্যপুস্তক নয়, বরং চিন্তাশক্তি, নেতৃত্ব, মানবিকতা এবং সৃজনশীলতার বিকাশ। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিভা ও অধ্যবসায় দিয়ে কলেজের সুনাম আরও উজ্জ্বল করবে।
    বিজেএসএম মডেল কলেজে নতুন শিক্ষাবর্ষের ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নির্মাণের শপথ নতুন শিক্ষাবর্ষ মানেই নতুন স্বপ্ন, নতুন পরিকল্পনা আর নতুন অঙ্গীকার। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষাজীবনের প্রথম দিনটি এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা। বিশেষ করে কলেজ ক্যাম্পাসে প্রথমবার প্রবেশ করা শিক্ষার্থীদের কাছে এটি যেন এক নতুন দুনিয়ায় পা রাখার মতো অনুভূতি। বিজেএসএম মডেল কলেজে আয়োজিত এবারের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সেই অনুভূতিকে আরো প্রাণবন্ত করেছে। কলেজের প্রতিটি কোণ যেন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়েছে নতুন আলো আর আশার বার্তা নিয়ে। প্রথম দিন থেকেই শিক্ষার্থীরা বুঝতে পেরেছে, তারা শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়নি—বরং তারা একটি বড় পরিবারের অংশ হয়ে উঠেছে। নতুন পরিবেশ, নতুন সহপাঠী আর নতুন শিক্ষকের সাথে পরিচিত হওয়ার মুহূর্তগুলো ছিল আনন্দ, কৌতূহল এবং চ্যালেঞ্জের এক অনন্য মিশ্রণ। সেই সাথে ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের প্রতিটি ধাপ তাদের মানসিক প্রস্তুতিকে আরও দৃঢ় করেছে। প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ, প্রভাষকবৃন্দ এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা। মোঃ শফিউল আলম, প্রভাষক, শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রাণবন্ত বক্তব্য রাখেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বিজেএসএম মডেল কলেজ একদিন শুধু স্থানীয় নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজের পরিচিতি তুলে ধরবে। তার বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মনে আত্মবিশ্বাস ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার নতুন শিখা জ্বালিয়ে দেয়। আমি নিজে, প্রভাষক তৌফিক সুলতান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ নির্মাণের কিছু দিক নিয়ে কথা বলার সুযোগ পাই। আমি তাদের বলেছি, কলেজ জীবন শুধু পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি হলো প্রতিভা বিকাশের সোনালী সময়। শিক্ষার্থীরা চাইলে তাদের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করে সমাজ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখতে পারে। আমি তাদের উৎসাহিত করেছি লেখালেখি করার জন্য—পত্রপত্রিকায় নিজেদের মতামত প্রকাশের জন্য, কারণ লেখনী হচ্ছে চিন্তা ও চেতনার সর্বোত্তম প্রকাশ। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের শিক্ষার্থীরা এই কলেজের প্রতিনিধিত্ব করবে শুধু ফলাফলের মাধ্যমে নয়, বরং জ্ঞান, সৃজনশীলতা এবং সামাজিক অবদানের মাধ্যমেও। অধ্যক্ষ মঞ্জিল মোল্লা শিক্ষার্থীদের প্রতি তার গভীর আন্তরিকতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা সব সময় যেন মনে রাখে—কলেজের শিক্ষকরা সবসময় তাদের পাশে আছেন। যেকোনো প্রয়োজনে তারা নির্দ্বিধায় শিক্ষকদের দ্বারস্থ হতে পারে। তার এই বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মনে আস্থা এবং সুরক্ষার এক শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দেয়। শিক্ষিকা জাফরিন সুলতানা তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, কলেজে তারা সবসময় শিক্ষার্থীদের জন্য উপস্থিত থাকবেন। কোনো সমস্যা হলে শিক্ষার্থীরা যে কোনো সময় তার কাছে আসতে পারবে। শিক্ষার্থীদের সাথে শিক্ষকের এই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক একটি উন্মুক্ত ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষার্থীদের জন্য সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্বও তুলে ধরা হয়। বিজেএসএম মডেল কলেজের সাহিত্য ক্লাব, বিজ্ঞান ক্লাব, সাংস্কৃতিক ক্লাব এবং ভাষা ক্লাব শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল বিকাশে অসাধারণ ভূমিকা রাখে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেয় না, বরং দলগত নেতৃত্ব, সমস্যা সমাধান এবং সামাজিক সচেতনতার মতো গুণাবলী অর্জন করে। আজকের ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তি-নির্ভর শিক্ষা অপরিহার্য। আমাদের কলেজে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ইন্টারনেট সুবিধা এবং আধুনিক ল্যাব রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করে। আমি শিক্ষার্থীদের বোঝাতে চেয়েছি, প্রতিযোগিতা এখন আর স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়। তাই তাদের এমনভাবে প্রস্তুত হতে হবে যেন তারা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডেও নিজের অবস্থান তৈরি করতে পারে। ওরিয়েন্টেশনের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত ছিল শিক্ষার্থীদের শপথ গ্রহণ। তারা প্রতিজ্ঞা করেছে, তারা নিয়মিত পড়াশোনা করবে, শিক্ষক-অভিভাবকের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে, নৈতিকতা বজায় রাখবে এবং দেশের কল্যাণে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। তাদের চোখের দীপ্তি আর কণ্ঠের দৃঢ়তা আমাদের সকলকে আশ্বস্ত করেছে যে, তারা সত্যিই ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। অভিভাবকদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন যে, বিজেএসএম মডেল কলেজ শুধু শিক্ষার মান উন্নয়নে নয়, শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠনে এবং মানবিক গুণাবলীর বিকাশে কাজ করছে। অভিভাবকরা আশা প্রকাশ করেন, তাদের সন্তানরা এই কলেজ থেকে যোগ্য নাগরিক হয়ে বেরিয়ে আসবে। বিজেএসএম মডেল কলেজের নতুন শিক্ষাবর্ষের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি ছিল এক নতুন যাত্রার সূচনা। শিক্ষার্থীরা বুঝে গেছে, শিক্ষা মানে শুধু পাঠ্যপুস্তক নয়, বরং চিন্তাশক্তি, নেতৃত্ব, মানবিকতা এবং সৃজনশীলতার বিকাশ। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিভা ও অধ্যবসায় দিয়ে কলেজের সুনাম আরও উজ্জ্বল করবে।
    Love
    1
    0 Comments 0 Shares 20K Views 0 Reviews
  • কুষ্টিয়ায় শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত।। আজ১০ই আগস্ট রবিবার সকাল ১০:০০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান এবং অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার, মোঃ মিজানুর রহমান।
    এছাড়াও জেলার প্রতিটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবিন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    কুষ্টিয়ায় শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত।। আজ১০ই আগস্ট রবিবার সকাল ১০:০০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান এবং অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার, মোঃ মিজানুর রহমান। এছাড়াও জেলার প্রতিটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবিন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    0 Comments 0 Shares 3K Views 0 Reviews
  • স্বাস্থ্য সেবা মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ


    স্বাস্থ্য সেবা মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও অবিচ্ছেদ্য অংশ। সুস্থ জীবনযাপন এবং জীবনের মান উন্নয়নের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা অপরিহার্য। আধুনিক বিশ্বে চিকিৎসা খাতের অগ্রগতি এবং প্রযুক্তির বিকাশ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকে অনেক সহজ ও কার্যকর করেছে।
    স্বাস্থ্য সেবার গুরুত্ব
    স্বাস্থ্য সেবা মানে শুধুমাত্র রোগ নিরাময় নয়, বরং প্রতিরোধ, সচেতনতা, প্রাথমিক যত্ন এবং পুনর্বাসনও অন্তর্ভুক্ত। একটি সমাজের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান সূচক হলো তার জনগণের স্বাস্থ্য। সুস্থ মানুষই দেশ ও জাতির শক্তি। রোগমুক্ত, সতেজ এবং কর্মক্ষম জনগণ জাতির সামগ্রিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখে।
    স্বাস্থ্য সেবার বিভিন্ন পর্যায়
    ১. প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা: এটি হলো সাধারণ চিকিৎসা, রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, টিকাদান কর্মসূচি, এবং স্বাস্থ্য শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
    ২. দ্বিতীয়ক স্বাস্থ্য সেবা: যেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং আধুনিক চিকিৎসা কেন্দ্র রয়েছে, যেমন জেলা হাসপাতাল, ক্লিনিক ইত্যাদি।
    ৩. তৃতীয়ক স্বাস্থ্য সেবা: উন্নত চিকিৎসা, বিশেষায়িত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা, যেমন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান।
    আধুনিক প্রযুক্তির ভূমিকা
    আজকের দিনে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা (e-Health) মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। অনলাইন চিকিৎসা পরামর্শ, মোবাইল হেলথ অ্যাপস, টেলিমেডিসিন সেবা মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকে সহজ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী করেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকায় এই সেবা পৌঁছানোতে ডিজিটাল প্রযুক্তি মাইলফলক সৃষ্টি করেছে।
    নার্সিং ও হোম কেয়ার সেবা
    স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো নার্সিং ও হোম কেয়ার। বিশেষত বয়স্ক, রোগী ও জরুরি রোগীদের জন্য বাসায় চিকিৎসা সেবা প্রদান মানসিক এবং শারীরিকভাবে আরামদায়ক। দক্ষ নার্স ও কেয়ারগিভাররা বাসায় গিয়ে ইনজেকশন, ড্রেসিং, ক্যাথেটার, ক্যানুলা ইত্যাদি সেবা প্রদান করে রোগীর দ্রুত সুস্থতায় সাহায্য করে।
    বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা
    বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা খাতে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তবে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে—বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে চিকিৎসক ও আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার ঘাটতি, স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব এবং অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা। তবে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা এবং সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে এগুলো ধীরে ধীরে কাটিয়ে উঠার পথ তৈরি হচ্ছে।
    আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট এর ভূমিকা
    এই প্রেক্ষাপটে আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট তার ডিজিটাল ও অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা, নার্সিং ও হোম কেয়ার সেবা এবং উন্নত চিকিৎসা পরামর্শ দিয়ে সমাজে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। তাদের লক্ষ্য হলো রোগীর স্বাস্থ্যগত প্রয়োজনের প্রতি যত্নশীল হওয়া, প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং প্রতিটি রোগীকে নিরাপদ, সুষ্ঠু ও আরামদায়ক চিকিৎসা প্রদান করা।
    স্বাস্থ্যই হলো জীবনের প্রকৃত সম্পদ। সুস্থ শরীর আর সুস্থ মনই উন্নত জীবনের ভিত্তি। তাই মানসম্মত ও সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হলো একটি উন্নত সমাজ ও জাতির উন্নয়নের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। প্রযুক্তি ও মানবিকতার সমন্বয়ে এই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে আমাদের দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান এবং বিশেষজ্ঞরা।
    স্বাস্থ্য সেবা মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ স্বাস্থ্য সেবা মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও অবিচ্ছেদ্য অংশ। সুস্থ জীবনযাপন এবং জীবনের মান উন্নয়নের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা অপরিহার্য। আধুনিক বিশ্বে চিকিৎসা খাতের অগ্রগতি এবং প্রযুক্তির বিকাশ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকে অনেক সহজ ও কার্যকর করেছে। স্বাস্থ্য সেবার গুরুত্ব স্বাস্থ্য সেবা মানে শুধুমাত্র রোগ নিরাময় নয়, বরং প্রতিরোধ, সচেতনতা, প্রাথমিক যত্ন এবং পুনর্বাসনও অন্তর্ভুক্ত। একটি সমাজের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান সূচক হলো তার জনগণের স্বাস্থ্য। সুস্থ মানুষই দেশ ও জাতির শক্তি। রোগমুক্ত, সতেজ এবং কর্মক্ষম জনগণ জাতির সামগ্রিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখে। স্বাস্থ্য সেবার বিভিন্ন পর্যায় ১. প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা: এটি হলো সাধারণ চিকিৎসা, রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, টিকাদান কর্মসূচি, এবং স্বাস্থ্য শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা। ২. দ্বিতীয়ক স্বাস্থ্য সেবা: যেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং আধুনিক চিকিৎসা কেন্দ্র রয়েছে, যেমন জেলা হাসপাতাল, ক্লিনিক ইত্যাদি। ৩. তৃতীয়ক স্বাস্থ্য সেবা: উন্নত চিকিৎসা, বিশেষায়িত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা, যেমন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান। আধুনিক প্রযুক্তির ভূমিকা আজকের দিনে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা (e-Health) মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। অনলাইন চিকিৎসা পরামর্শ, মোবাইল হেলথ অ্যাপস, টেলিমেডিসিন সেবা মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকে সহজ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী করেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকায় এই সেবা পৌঁছানোতে ডিজিটাল প্রযুক্তি মাইলফলক সৃষ্টি করেছে। নার্সিং ও হোম কেয়ার সেবা স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো নার্সিং ও হোম কেয়ার। বিশেষত বয়স্ক, রোগী ও জরুরি রোগীদের জন্য বাসায় চিকিৎসা সেবা প্রদান মানসিক এবং শারীরিকভাবে আরামদায়ক। দক্ষ নার্স ও কেয়ারগিভাররা বাসায় গিয়ে ইনজেকশন, ড্রেসিং, ক্যাথেটার, ক্যানুলা ইত্যাদি সেবা প্রদান করে রোগীর দ্রুত সুস্থতায় সাহায্য করে। বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা খাতে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তবে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে—বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে চিকিৎসক ও আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার ঘাটতি, স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব এবং অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা। তবে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা এবং সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে এগুলো ধীরে ধীরে কাটিয়ে উঠার পথ তৈরি হচ্ছে। আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট এর ভূমিকা এই প্রেক্ষাপটে আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট তার ডিজিটাল ও অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা, নার্সিং ও হোম কেয়ার সেবা এবং উন্নত চিকিৎসা পরামর্শ দিয়ে সমাজে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। তাদের লক্ষ্য হলো রোগীর স্বাস্থ্যগত প্রয়োজনের প্রতি যত্নশীল হওয়া, প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং প্রতিটি রোগীকে নিরাপদ, সুষ্ঠু ও আরামদায়ক চিকিৎসা প্রদান করা। স্বাস্থ্যই হলো জীবনের প্রকৃত সম্পদ। সুস্থ শরীর আর সুস্থ মনই উন্নত জীবনের ভিত্তি। তাই মানসম্মত ও সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হলো একটি উন্নত সমাজ ও জাতির উন্নয়নের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। প্রযুক্তি ও মানবিকতার সমন্বয়ে এই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে আমাদের দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান এবং বিশেষজ্ঞরা।
    Love
    2
    0 Comments 2 Shares 11K Views 1 Reviews

  • আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট (AL TOWFIQI PHARMACY & CONSULTANT)
    ট্রেড লাইসেন্স নং: ০০২০৪১
    ঠিকানা: নরোত্তমপুর, বারিষাব, কাপাসিয়া, গাজীপুর - ১৭৪৩
    যোগাযোগ নম্বর: ০১৩০১৪৮৩৮৩৩
    প্রোপাইটর: তৌফিক সুলতান
    (প্যারামেডিক্স, ঢাকা মেডিকেল ইনস্টিটিউট ইন্টার্ন-ইমারজেন্সি, ফ্যাজরালটি, মেডিসিন, সার্জারি আউটডোর - ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রেজি নং: ৬০৪৪৬)

    প্রতিষ্ঠান পরিচিতি
    আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট একটি আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, যা কেবল ওষুধ সরবরাহেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং স্বাস্থ্যসেবা এবং ডিজিটাল সেবার বিস্তৃত পরিসর নিয়ে কাজ করে থাকে। প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রোগী ও গ্রাহকদের জন্য দ্রুত, নিরাপদ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
    তাছাড়া, এখানে শুধুমাত্র ফার্মেসি সেবা নয়, বরং রোগীর সামগ্রিক যত্নের জন্য চিকিৎসা পরামর্শ, নার্সিং ও হোম কেয়ার সেবা এবং বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়।

    আমাদের সেবাসমূহ
    ১. ডিজিটাল ও অনলাইন সেবা
    অনলাইন কনসাল্টেশন: অভিজ্ঞ ও দক্ষ ডাক্তারদের সাথে ভিডিও কলে স্বাস্থ্য পরামর্শ প্রদান।


    ই-ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবা: স্বল্প মূল্যে এবং সহজ উপায়ে ডাক্তারদের পরামর্শ পাওয়া যায়।


    অনলাইন ক্লাস ও ইভেন্ট প্ল্যানিং: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য মানসম্মত অনলাইন ক্লাস ও ইভেন্ট আয়োজনের সেবা।


    ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডোমেইন সেবা: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি এবং ডোমেইন-হোস্টিং সেবা।


    ডিজিটাল মার্কেটিং ও গুগল SEO: পত্রিকা বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে গুগল সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (SEO) ও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে ব্যবসায়িক প্রসার।


    বিকাশ ও সকল অনলাইন পেমেন্ট সেবা।


    চাকরি আবেদন, ভর্তি, এবং অন্যান্য অনলাইন সহায়তা।


    টিআইএন সার্টিফিকেট সহ অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি সার্টিফিকেট সেবা।


    ২. নার্সিং ও হোম কেয়ার সেবা
    ICU/OT থেকে রোগী বাসায় নেওয়া ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান।


    অভিজ্ঞ নার্স ও কেয়ারগিভার দ্বারা বাসায় গিয়ে সেবা প্রদান।


    ক্যানুলা, ক্যাথেটার, ইনজেকশন, এন.জি. টিউব, ড্রেসিংসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা কার্যক্রম হোম কেয়ার হিসেবে।


    বয়স্ক ও বিশেষ রোগীদের জন্য বিশেষ যত্ন ও চিকিৎসা।


    ১০০% নিরাপদ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেবা নিশ্চিত।


    দ্রুত ও মানসম্মত সেবা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।


    ৩. চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সেবা
    BMDC রেজিস্টার্ড এমবিবিএস এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তার (FCPS/MD) দের সাথে সরাসরি সংযুক্ত।


    ঢাকার নামকরা হাসপাতালের ডাক্তারদের চেম্বারের মাধ্যমে রোগীদের নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা পরামর্শ।


    ২৪/৭ নিবেদিত কাস্টমার কেয়ার সাপোর্ট।



    প্রোপাইটর ও প্রতিষ্ঠাতার পরিচিতি
    তৌফিক সুলতান - যিনি একজন প্যারামেডিক্স বিশেষজ্ঞ ও ইন্টার্ন হিসেবে ঢাকা মেডিকেল ইনস্টিটিউট এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি, মেডিসিন ও সার্জারি আউটডোর বিভাগে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তার পেশাদার দক্ষতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আল তৌফিকী ফার্মেসিকে বিশেষ ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে। তিনি ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা ও অনলাইন মেডিকেল কনসাল্টেশন সেবা প্রসারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও লক্ষ্য
    মুসলিম অনলাইন ফার্মেসি ও পরামর্শ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা।


    আল তৌফিকী মডেল ফার্মেসি স্থাপন এবং উন্নয়ন।


    দেশের বিভিন্ন স্থানে শাখা বিস্তার।


    স্বাস্থ্যসেবা ও ডিজিটাল সেবা একত্রিত করে রোগীদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত।


    স্বাস্থ্যসেবা খাতে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ।



    আমাদের শক্তি ও বিশেষত্ব
    বৃহৎ ও অভিজ্ঞ মেডিকেল টিম।


    ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে সহজ ও দ্রুত পরামর্শ।


    বিকাশ ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেম সম্পৃক্ত।


    রোগীর আরাম ও নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।


    প্রতিটি সেবায় স্বাস্থ্যবিধি ও গুণগত মান বজায় রাখা।


    সর্বদা গ্রাহকসেবা প্রাধান্য।



    যোগাযোগের ঠিকানা ও সময়
    ঠিকানা: নরোত্তমপুর, বারিষাব, কাপাসিয়া, গাজীপুর — ১৭৪৩
    মোবাইল: ০১৩০১৪৮৩৮৩৩
    অফিস সময়: সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত (প্রয়োজনে জরুরি সেবা ২৪/৭)

    আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট হলো আপনার স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসার বিশ্বস্ত সঙ্গী, যেখানে আধুনিক প্রযুক্তি ও মানবিক যত্ন একসাথে মিশে রোগীদের জীবনে সুস্থতা ও শান্তি নিয়ে আসে।
    আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট (AL TOWFIQI PHARMACY & CONSULTANT) ট্রেড লাইসেন্স নং: ০০২০৪১ ঠিকানা: নরোত্তমপুর, বারিষাব, কাপাসিয়া, গাজীপুর - ১৭৪৩ যোগাযোগ নম্বর: ০১৩০১৪৮৩৮৩৩ প্রোপাইটর: তৌফিক সুলতান (প্যারামেডিক্স, ঢাকা মেডিকেল ইনস্টিটিউট ইন্টার্ন-ইমারজেন্সি, ফ্যাজরালটি, মেডিসিন, সার্জারি আউটডোর - ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রেজি নং: ৬০৪৪৬) প্রতিষ্ঠান পরিচিতি আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট একটি আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, যা কেবল ওষুধ সরবরাহেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং স্বাস্থ্যসেবা এবং ডিজিটাল সেবার বিস্তৃত পরিসর নিয়ে কাজ করে থাকে। প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রোগী ও গ্রাহকদের জন্য দ্রুত, নিরাপদ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। তাছাড়া, এখানে শুধুমাত্র ফার্মেসি সেবা নয়, বরং রোগীর সামগ্রিক যত্নের জন্য চিকিৎসা পরামর্শ, নার্সিং ও হোম কেয়ার সেবা এবং বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়। আমাদের সেবাসমূহ ১. ডিজিটাল ও অনলাইন সেবা অনলাইন কনসাল্টেশন: অভিজ্ঞ ও দক্ষ ডাক্তারদের সাথে ভিডিও কলে স্বাস্থ্য পরামর্শ প্রদান। ই-ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবা: স্বল্প মূল্যে এবং সহজ উপায়ে ডাক্তারদের পরামর্শ পাওয়া যায়। অনলাইন ক্লাস ও ইভেন্ট প্ল্যানিং: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য মানসম্মত অনলাইন ক্লাস ও ইভেন্ট আয়োজনের সেবা। ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডোমেইন সেবা: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি এবং ডোমেইন-হোস্টিং সেবা। ডিজিটাল মার্কেটিং ও গুগল SEO: পত্রিকা বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে গুগল সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (SEO) ও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে ব্যবসায়িক প্রসার। বিকাশ ও সকল অনলাইন পেমেন্ট সেবা। চাকরি আবেদন, ভর্তি, এবং অন্যান্য অনলাইন সহায়তা। টিআইএন সার্টিফিকেট সহ অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি সার্টিফিকেট সেবা। ২. নার্সিং ও হোম কেয়ার সেবা ICU/OT থেকে রোগী বাসায় নেওয়া ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান। অভিজ্ঞ নার্স ও কেয়ারগিভার দ্বারা বাসায় গিয়ে সেবা প্রদান। ক্যানুলা, ক্যাথেটার, ইনজেকশন, এন.জি. টিউব, ড্রেসিংসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা কার্যক্রম হোম কেয়ার হিসেবে। বয়স্ক ও বিশেষ রোগীদের জন্য বিশেষ যত্ন ও চিকিৎসা। ১০০% নিরাপদ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেবা নিশ্চিত। দ্রুত ও মানসম্মত সেবা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ। ৩. চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সেবা BMDC রেজিস্টার্ড এমবিবিএস এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তার (FCPS/MD) দের সাথে সরাসরি সংযুক্ত। ঢাকার নামকরা হাসপাতালের ডাক্তারদের চেম্বারের মাধ্যমে রোগীদের নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা পরামর্শ। ২৪/৭ নিবেদিত কাস্টমার কেয়ার সাপোর্ট। প্রোপাইটর ও প্রতিষ্ঠাতার পরিচিতি তৌফিক সুলতান - যিনি একজন প্যারামেডিক্স বিশেষজ্ঞ ও ইন্টার্ন হিসেবে ঢাকা মেডিকেল ইনস্টিটিউট এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি, মেডিসিন ও সার্জারি আউটডোর বিভাগে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তার পেশাদার দক্ষতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আল তৌফিকী ফার্মেসিকে বিশেষ ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে। তিনি ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা ও অনলাইন মেডিকেল কনসাল্টেশন সেবা প্রসারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও লক্ষ্য মুসলিম অনলাইন ফার্মেসি ও পরামর্শ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা। আল তৌফিকী মডেল ফার্মেসি স্থাপন এবং উন্নয়ন। দেশের বিভিন্ন স্থানে শাখা বিস্তার। স্বাস্থ্যসেবা ও ডিজিটাল সেবা একত্রিত করে রোগীদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত। স্বাস্থ্যসেবা খাতে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ। আমাদের শক্তি ও বিশেষত্ব বৃহৎ ও অভিজ্ঞ মেডিকেল টিম। ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে সহজ ও দ্রুত পরামর্শ। বিকাশ ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেম সম্পৃক্ত। রোগীর আরাম ও নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রতিটি সেবায় স্বাস্থ্যবিধি ও গুণগত মান বজায় রাখা। সর্বদা গ্রাহকসেবা প্রাধান্য। যোগাযোগের ঠিকানা ও সময় ঠিকানা: নরোত্তমপুর, বারিষাব, কাপাসিয়া, গাজীপুর — ১৭৪৩ মোবাইল: ০১৩০১৪৮৩৮৩৩ অফিস সময়: সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত (প্রয়োজনে জরুরি সেবা ২৪/৭) আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট হলো আপনার স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসার বিশ্বস্ত সঙ্গী, যেখানে আধুনিক প্রযুক্তি ও মানবিক যত্ন একসাথে মিশে রোগীদের জীবনে সুস্থতা ও শান্তি নিয়ে আসে।
    Like
    2
    0 Comments 3 Shares 16K Views 1 Reviews
  • পুরনো বন্ধুত্বের নস্টালজিয়া মিলনমেলা এক বিকেলে ফিরে দেখা এক দশকের স্মৃতি
    সময় কখনও থামে না, কিন্তু কিছু মুহূর্ত এমন থাকে যা বছরের পর বছর পরও ঠিক ততটাই উজ্জ্বল, যতটা ছিল শুরুতে। স্কুলজীবনের বন্ধুত্ব সেই রকমই এক অনুভূতি, যা বয়স, পেশা, কিংবা দূরত্বে ক্ষয় হয় না। এই সত্যেরই সাক্ষী হয়ে রইল মনোহরদীর এক বৃষ্টিভেজা বিকেল, যখন ২০১৫ ব্যাচের ছয়জন পুরনো বন্ধু—আশিক, তামিম, রাকিব, সোহান, তানভীর ও লেখক—দীর্ঘদিন পর আবার একত্র হলেন।
    লেখক লিখেন জীবনের ব্যস্ততা যতই বাড়ুক না কেন, পুরনো বন্ধুদের সাথে দেখা করার সময় বের করা উচিত। কারণ এমন মুহূর্তগুলোই আমাদের জীবনে নতুন উদ্যম, আনন্দ আর অনুপ্রেরণা এনে দেয়।
    তানভীরের সঙ্গে ছিল আশিক, তামিম, রাকিব ও সোহান—সবাই আমার স্কুলের সহপাঠী। মনে পড়ে গেল সেই সময়ের কথা—এসএসসি পরীক্ষার পর ভর্তি মৌসুমে আমরা আলাদা পথে পা বাড়িয়েছিলাম। আশিক, তামিম, সোহান ও তানভীর ভর্তি হয়েছিল আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজে, রাকিব চলে গিয়েছিল একটি প্রাইভেট কলেজে, আর আমি ভর্তি হয়েছিলাম এম এ মজিদ সায়েন্স কলেজে।
    আজকের ছবিগুলো তোলা হয়েছে এম এ মজিদ সায়েন্স কলেজের সামনেই। সেখানে দাঁড়িয়ে আমরা স্মৃতির সোনালি পাতাগুলো উল্টে দেখছিলাম—স্কুল জীবনের খেলাধুলা, পরীক্ষার আগে হুড়োহুড়ি করে পড়া, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কলেজ জীবনের আড্ডা আর নানা গল্পে ভরা দিনগুলো।

    দীর্ঘ সময় আমরা কেবল স্মৃতি রোমন্থন করিনি, বরং একে অপরের বর্তমান জীবন নিয়েও কথা বলেছি। যাদের সাথে আজ দেখা হলো, তারা এখন জীবনের ভিন্ন ভিন্ন পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত—কেউ শিক্ষক, কেউ ডাক্তার, কেউ আবার বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
    অপ্রত্যাশিত ডাক, ব্যস্ত দিনের বিরতি
    সেদিন সকালটা ছিল একেবারেই সাধারণ। লেখক ব্যস্ত ছিলেন নিত্যদিনের কাজকর্মে। হঠাৎ ফোন বেজে ওঠে—ওপাশে বন্ধু তানভীর। খবর দিল, তারা মনোহরদী আসছে। তানভীর কেবল একজন বন্ধু নন, বরং জীবনের অন্যতম কাছের সঙ্গী। খবর শুনেই লেখকের মধ্যে কাজ ফেলে দেওয়ার এক অদম্য তাগিদ তৈরি হলো। দীর্ঘদিন পর প্রিয় মুখগুলো দেখার আনন্দ কোনো কিছুতেই ম্লান হতে পারে না।
    পথ আলাদা হলেও বন্ধুত্বের সেতু অটুট
    ২০১৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার পর থেকেই ছয় বন্ধুর জীবন ভিন্ন ভিন্ন পথে এগিয়েছে। আশিক, তামিম, সোহান ও তানভীর ভর্তি হয়েছিলেন নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজে। রাকিব ভর্তি হয় একটি প্রাইভেট কলেজে, আর লেখক ভর্তি হন মনোহরদীর এম এ মজিদ সায়েন্স কলেজে। কলেজজীবনে দেখা-সাক্ষাৎ কমে এলেও যোগাযোগ বজায় ছিল, আর হৃদয়ের কোথাও গেঁথে ছিল সেই পুরনো দিনের গল্পগাথা।
    স্মৃতির প্রাঙ্গণে ফেরা
    মিলনমেলার স্থান হিসেবে বেছে নেওয়া হয় এম এ মজিদ সায়েন্স কলেজের প্রাঙ্গণ—যেখানে লেখকের নিজের কলেজজীবনের অনেক স্মৃতি জমা আছে। লাল-সাদা ভবন, খোলা মাঠ, আর গাছের সারি যেন গল্প বলতে থাকে সেই তারুণ্যের দিনগুলোর। এখানেই তারা দাঁড়িয়ে তুললেন কয়েকটি ছবি, যা পরবর্তীতে এই দিনের সাক্ষ্য হয়ে থাকবে।
    আড্ডা, গল্প আর স্কুল-কলেজের দিনগুলি
    একটু পরেই শুরু হলো গল্পের স্রোত। স্কুল জীবনের দুষ্টুমি, প্রথম বেঞ্চের অভিজ্ঞতা, ‘ভূগোল ক্লাসে’ পাস মার্ক নিয়ে হাসাহাসি, ক্যানটিনের চা-সমোসার স্মৃতি—সব উঠে এল হাসি আর আবেগের মিশ্রণে। কলেজ জীবনের কথা বলতে গিয়ে কেউ স্মরণ করলেন হোস্টেলের রাত জাগা, কেউ আবার ‘পড়ার চেয়ে আড্ডা বেশি’ দিনগুলোর গল্প শোনালেন। আলোচনা চলল শিক্ষকদের স্মৃতি, বন্ধুদের হারিয়ে যাওয়া চিঠি, এমনকি পুরনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা নিয়েও।
    বর্তমানের পরিচয়, ভবিষ্যতের স্বপ্ন
    আজ সবাই জীবনের পথে অনেকদূর এগিয়েছে। কেউ শিক্ষক হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন, কেউ ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা দিচ্ছেন, কেউ আবার বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ব্যস্ত সময়সূচি, দায়িত্বের চাপ, প্রতিযোগিতামূলক জীবন—সব মিলিয়েও এই দিনের জন্য তারা সময় বের করে নিয়েছেন। কারণ, এই একসাথে কাটানো সময় তাদের কাছে শুধুই আনন্দ নয়, বরং একধরনের মানসিক শক্তি।
    মনোহরদীর চারপাশে ভ্রমণ
    আড্ডার ফাঁকে সিদ্ধান্ত হলো, আশপাশের কিছু জায়গা ঘুরে দেখা হবে। মোটরসাইকেল নিয়ে তারা ছুটলেন মনোহরদীর আশপাশে—হাতিরদিয়া, ছোট সুকুন্ধীসহ গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা স্থানগুলোতে। আগে তারা ঘুরেছিলেন কাপাসিয়ার খিরাটির জনপ্রিয় আড্ডাস্থল ‘ক্যাফে শীতল হাওয়া’তে, যার পাশেই ‘গোল্ডেন ক্যাফে’। শহরের কোলাহল পেরিয়ে এই জায়গাগুলো যেন নিঃশব্দ প্রকৃতির কাছে ফেরার সুযোগ করে দেয়।
    বৃষ্টির সঙ্গী হয়ে স্মৃতিচারণ
    কলেজে ফেরার কিছুক্ষণ পরই শুরু হলো ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। ছাদে, গাছের পাতায়, মাঠের ঘাসে—প্রকৃতি যেন সুর তুলল। সেই বৃষ্টির শব্দে মেতে উঠল স্মৃতিচারণের আরেক পর্ব। হোস্টেল জীবনের হাসি-কান্না, পরীক্ষার আগে টেনশন, পড়াশোনার গুরুত্ব—সব বিষয় নিয়েই আলোচনা চলল। কেউ বললেন, “আগে যদি বুঝতাম পড়ার বিকল্প নেই, হয়তো আরও বেশি মনোযোগী হতাম।”
    এক বিকেলের শিক্ষণ
    এই মিলনমেলা কেবল আনন্দের ছিল না, বরং জীবনের এক মূল্যবান শিক্ষা দিয়ে গেল—বন্ধুত্ব শুধু বিনোদনের জন্য নয়, বরং একে অপরকে অনুপ্রাণিত করার জন্যও প্রয়োজন। বর্তমানের সাফল্য, ভবিষ্যতের স্বপ্ন, আর অতীতের স্মৃতি—সব একসাথে মিশে গেল মনোহরদীর সেই বিকেলে।
    সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে লুকিয়ে যাচ্ছিল, মেঘের ফাঁকে ঝিলমিল করছিল সোনালি আলো, তখন ছয় বন্ধু দাঁড়িয়েছিলেন কলেজের সিঁড়িতে। হাতে ক্যামেরা, চোখে আনন্দের ঝিলিক। ছবিগুলো তারা বাঁচিয়ে রাখবেন বহু বছর—যেখানে থাকবে তাদের হাসি, আড্ডা, আর সেই অটুট বন্ধুত্বের সাক্ষ্য।
    সময় বয়ে যাবে, জীবন আরও বদলাবে, কিন্তু মনোহরদীর সেই বৃষ্টিভেজা বিকেল তাদের জীবনে থেকে যাবে চিরকাল—যেন এক পৃষ্ঠা, যা বন্ধ হলেও বারবার পড়তে ইচ্ছে করবে।

    তৌফিক সুলতান,প্রভাষক - ব্রেভ জুবিলেন্ট স্কলার্স অফ মনোহরদী মডেল কলেজ,(বি জে এস এম মডেল কলেজ)মনোহরদী, নরসিংদী।
    towfiqsultan.help@gmail.com
    01301483833
    পুরনো বন্ধুত্বের নস্টালজিয়া মিলনমেলা এক বিকেলে ফিরে দেখা এক দশকের স্মৃতি সময় কখনও থামে না, কিন্তু কিছু মুহূর্ত এমন থাকে যা বছরের পর বছর পরও ঠিক ততটাই উজ্জ্বল, যতটা ছিল শুরুতে। স্কুলজীবনের বন্ধুত্ব সেই রকমই এক অনুভূতি, যা বয়স, পেশা, কিংবা দূরত্বে ক্ষয় হয় না। এই সত্যেরই সাক্ষী হয়ে রইল মনোহরদীর এক বৃষ্টিভেজা বিকেল, যখন ২০১৫ ব্যাচের ছয়জন পুরনো বন্ধু—আশিক, তামিম, রাকিব, সোহান, তানভীর ও লেখক—দীর্ঘদিন পর আবার একত্র হলেন। লেখক লিখেন জীবনের ব্যস্ততা যতই বাড়ুক না কেন, পুরনো বন্ধুদের সাথে দেখা করার সময় বের করা উচিত। কারণ এমন মুহূর্তগুলোই আমাদের জীবনে নতুন উদ্যম, আনন্দ আর অনুপ্রেরণা এনে দেয়। তানভীরের সঙ্গে ছিল আশিক, তামিম, রাকিব ও সোহান—সবাই আমার স্কুলের সহপাঠী। মনে পড়ে গেল সেই সময়ের কথা—এসএসসি পরীক্ষার পর ভর্তি মৌসুমে আমরা আলাদা পথে পা বাড়িয়েছিলাম। আশিক, তামিম, সোহান ও তানভীর ভর্তি হয়েছিল আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজে, রাকিব চলে গিয়েছিল একটি প্রাইভেট কলেজে, আর আমি ভর্তি হয়েছিলাম এম এ মজিদ সায়েন্স কলেজে। আজকের ছবিগুলো তোলা হয়েছে এম এ মজিদ সায়েন্স কলেজের সামনেই। সেখানে দাঁড়িয়ে আমরা স্মৃতির সোনালি পাতাগুলো উল্টে দেখছিলাম—স্কুল জীবনের খেলাধুলা, পরীক্ষার আগে হুড়োহুড়ি করে পড়া, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কলেজ জীবনের আড্ডা আর নানা গল্পে ভরা দিনগুলো। দীর্ঘ সময় আমরা কেবল স্মৃতি রোমন্থন করিনি, বরং একে অপরের বর্তমান জীবন নিয়েও কথা বলেছি। যাদের সাথে আজ দেখা হলো, তারা এখন জীবনের ভিন্ন ভিন্ন পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত—কেউ শিক্ষক, কেউ ডাক্তার, কেউ আবার বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। অপ্রত্যাশিত ডাক, ব্যস্ত দিনের বিরতি সেদিন সকালটা ছিল একেবারেই সাধারণ। লেখক ব্যস্ত ছিলেন নিত্যদিনের কাজকর্মে। হঠাৎ ফোন বেজে ওঠে—ওপাশে বন্ধু তানভীর। খবর দিল, তারা মনোহরদী আসছে। তানভীর কেবল একজন বন্ধু নন, বরং জীবনের অন্যতম কাছের সঙ্গী। খবর শুনেই লেখকের মধ্যে কাজ ফেলে দেওয়ার এক অদম্য তাগিদ তৈরি হলো। দীর্ঘদিন পর প্রিয় মুখগুলো দেখার আনন্দ কোনো কিছুতেই ম্লান হতে পারে না। পথ আলাদা হলেও বন্ধুত্বের সেতু অটুট ২০১৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার পর থেকেই ছয় বন্ধুর জীবন ভিন্ন ভিন্ন পথে এগিয়েছে। আশিক, তামিম, সোহান ও তানভীর ভর্তি হয়েছিলেন নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজে। রাকিব ভর্তি হয় একটি প্রাইভেট কলেজে, আর লেখক ভর্তি হন মনোহরদীর এম এ মজিদ সায়েন্স কলেজে। কলেজজীবনে দেখা-সাক্ষাৎ কমে এলেও যোগাযোগ বজায় ছিল, আর হৃদয়ের কোথাও গেঁথে ছিল সেই পুরনো দিনের গল্পগাথা। স্মৃতির প্রাঙ্গণে ফেরা মিলনমেলার স্থান হিসেবে বেছে নেওয়া হয় এম এ মজিদ সায়েন্স কলেজের প্রাঙ্গণ—যেখানে লেখকের নিজের কলেজজীবনের অনেক স্মৃতি জমা আছে। লাল-সাদা ভবন, খোলা মাঠ, আর গাছের সারি যেন গল্প বলতে থাকে সেই তারুণ্যের দিনগুলোর। এখানেই তারা দাঁড়িয়ে তুললেন কয়েকটি ছবি, যা পরবর্তীতে এই দিনের সাক্ষ্য হয়ে থাকবে। আড্ডা, গল্প আর স্কুল-কলেজের দিনগুলি একটু পরেই শুরু হলো গল্পের স্রোত। স্কুল জীবনের দুষ্টুমি, প্রথম বেঞ্চের অভিজ্ঞতা, ‘ভূগোল ক্লাসে’ পাস মার্ক নিয়ে হাসাহাসি, ক্যানটিনের চা-সমোসার স্মৃতি—সব উঠে এল হাসি আর আবেগের মিশ্রণে। কলেজ জীবনের কথা বলতে গিয়ে কেউ স্মরণ করলেন হোস্টেলের রাত জাগা, কেউ আবার ‘পড়ার চেয়ে আড্ডা বেশি’ দিনগুলোর গল্প শোনালেন। আলোচনা চলল শিক্ষকদের স্মৃতি, বন্ধুদের হারিয়ে যাওয়া চিঠি, এমনকি পুরনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা নিয়েও। বর্তমানের পরিচয়, ভবিষ্যতের স্বপ্ন আজ সবাই জীবনের পথে অনেকদূর এগিয়েছে। কেউ শিক্ষক হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন, কেউ ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা দিচ্ছেন, কেউ আবার বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ব্যস্ত সময়সূচি, দায়িত্বের চাপ, প্রতিযোগিতামূলক জীবন—সব মিলিয়েও এই দিনের জন্য তারা সময় বের করে নিয়েছেন। কারণ, এই একসাথে কাটানো সময় তাদের কাছে শুধুই আনন্দ নয়, বরং একধরনের মানসিক শক্তি। মনোহরদীর চারপাশে ভ্রমণ আড্ডার ফাঁকে সিদ্ধান্ত হলো, আশপাশের কিছু জায়গা ঘুরে দেখা হবে। মোটরসাইকেল নিয়ে তারা ছুটলেন মনোহরদীর আশপাশে—হাতিরদিয়া, ছোট সুকুন্ধীসহ গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা স্থানগুলোতে। আগে তারা ঘুরেছিলেন কাপাসিয়ার খিরাটির জনপ্রিয় আড্ডাস্থল ‘ক্যাফে শীতল হাওয়া’তে, যার পাশেই ‘গোল্ডেন ক্যাফে’। শহরের কোলাহল পেরিয়ে এই জায়গাগুলো যেন নিঃশব্দ প্রকৃতির কাছে ফেরার সুযোগ করে দেয়। বৃষ্টির সঙ্গী হয়ে স্মৃতিচারণ কলেজে ফেরার কিছুক্ষণ পরই শুরু হলো ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। ছাদে, গাছের পাতায়, মাঠের ঘাসে—প্রকৃতি যেন সুর তুলল। সেই বৃষ্টির শব্দে মেতে উঠল স্মৃতিচারণের আরেক পর্ব। হোস্টেল জীবনের হাসি-কান্না, পরীক্ষার আগে টেনশন, পড়াশোনার গুরুত্ব—সব বিষয় নিয়েই আলোচনা চলল। কেউ বললেন, “আগে যদি বুঝতাম পড়ার বিকল্প নেই, হয়তো আরও বেশি মনোযোগী হতাম।” এক বিকেলের শিক্ষণ এই মিলনমেলা কেবল আনন্দের ছিল না, বরং জীবনের এক মূল্যবান শিক্ষা দিয়ে গেল—বন্ধুত্ব শুধু বিনোদনের জন্য নয়, বরং একে অপরকে অনুপ্রাণিত করার জন্যও প্রয়োজন। বর্তমানের সাফল্য, ভবিষ্যতের স্বপ্ন, আর অতীতের স্মৃতি—সব একসাথে মিশে গেল মনোহরদীর সেই বিকেলে। সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে লুকিয়ে যাচ্ছিল, মেঘের ফাঁকে ঝিলমিল করছিল সোনালি আলো, তখন ছয় বন্ধু দাঁড়িয়েছিলেন কলেজের সিঁড়িতে। হাতে ক্যামেরা, চোখে আনন্দের ঝিলিক। ছবিগুলো তারা বাঁচিয়ে রাখবেন বহু বছর—যেখানে থাকবে তাদের হাসি, আড্ডা, আর সেই অটুট বন্ধুত্বের সাক্ষ্য। সময় বয়ে যাবে, জীবন আরও বদলাবে, কিন্তু মনোহরদীর সেই বৃষ্টিভেজা বিকেল তাদের জীবনে থেকে যাবে চিরকাল—যেন এক পৃষ্ঠা, যা বন্ধ হলেও বারবার পড়তে ইচ্ছে করবে। তৌফিক সুলতান,প্রভাষক - ব্রেভ জুবিলেন্ট স্কলার্স অফ মনোহরদী মডেল কলেজ,(বি জে এস এম মডেল কলেজ)মনোহরদী, নরসিংদী। towfiqsultan.help@gmail.com 01301483833
    Love
    2
    1 Comments 2 Shares 14K Views 1 Reviews
  • আলোকিত মানুষ গড়ার এক নীরব বিপ্লব
    নিঃশব্দ গ্রামীণ প্রান্তরের বুকে গোপনে এগিয়ে চলেছে এক অসাধারণ বিপ্লব—মানুষ গড়ার বিপ্লব। গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার চর খিরাটির মতো তুলনামূলক পশ্চাদপদ একটি গ্রামে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে গড়ে ওঠা পাঠাগারটি যেন সেই বিপ্লবের নীরব সূতিকাগার। কলেজে যাওয়ার পথে হঠাৎ চোখে পড়া একটি ছোট্ট বোর্ড—"বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠাগার"—আমার ভাবনার জগতে আলোড়ন তোলে। কৌতূহল আমাকে টেনে নেয় পাঠাগারের সামনে, আর সেখানেই শুরু হয় নতুন এক আত্মিক যাত্রা।
    পাঠাগারে প্রবেশ করেই চোখে পড়ে যে আন্তরিক পরিবেশ ও মানুষগুলোর উষ্ণতা, তা যেন গ্রামের সাধারণত নির্জন জীবনে এক অপার্থিব স্পর্শ এনে দেয়। বিশেষ করে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জনাব জাকারিয়া জামান ভাইয়ের উপস্থিতি এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আমার হৃদয়কে গভীরভাবে নাড়া দেয়। তিনি কেবল পেশাদার নন—তিনি একজন আদর্শ সামাজিক রূপান্তরকামী মানুষ, যিনি পাঠাগারকে শুধুই বইয়ের কেন্দ্র নয়, বরং নেতৃত্ব, চিন্তা ও মূল্যবোধের এক বিকাশকেন্দ্র হিসেবে ভাবেন।
    এই পাঠাগার কেবল একটি পাঠ স্থান নয়, এটি যেন এক মানবিক প্ল্যাটফর্ম—যেখানে শিশু-কিশোরদের জন্য গল্পের বই, শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্য ও সহপাঠ্য বই এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ইতিহাস, সাহিত্য, ধর্ম ও আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের বিস্তৃত সংগ্রহ রয়েছে। সবচেয়ে অনন্য বিষয় হলো—এই পাঠাগারে বই পড়ার জন্য টাকার প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন কেবল আগ্রহ আর মননশীল সময়।
    পাঠাগারের নিয়মিত আয়োজনগুলো যেমন—পাঠচক্র, আবৃত্তি কর্মশালা, বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, প্রবন্ধ পাঠ—এসব আয়োজন শিশুদের জ্ঞানের পাশাপাশি নৈতিকতা, শুদ্ধ ভাষাচর্চা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে এক অসাধারণ ভূমিকা রাখছে। গ্রামীণ সমাজে যেখানে একটি ভালো শিক্ষকের অভাবেই অনেক সম্ভাবনা ঝরে যায়, সেখানে এই পাঠাগার যেন সেই সম্ভাবনাগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠছে।
    আমি যখন নিবন্ধন ফরম পূরণ করছিলাম, মনে হচ্ছিল আমি যেন এক নতুন আত্মিক জন্ম নিচ্ছি—আবার ফিরে আসছি বইয়ের জগতে, জ্ঞানের রাজ্যে। আমি কেবল পাঠক হিসেবে নয়, একজন সংগঠক ও শুভসংঘের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবেও এই মানবিক বিপ্লবে যুক্ত থাকার সংকল্প করেছি। একজন শিক্ষক হিসেবে আমার দায়িত্ব শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—সমাজ গড়ার প্রতিটি প্রয়াসে যুক্ত হওয়াই আমার সত্যিকারের পরিচয়।
    আমার স্বপ্ন, এই পাঠাগারকে কেন্দ্র করে একদিন গড়ে উঠবে একটি শক্তিশালী গ্রামীণ পাঠচর্চা আন্দোলন—যার মাধ্যমে কাপাসিয়া হবে এক আলোকিত বাংলাদেশ গড়ার মডেল। স্কুলপড়ুয়া শিশু থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণী ও প্রবীণ ব্যক্তিরাও এখানে খুঁজে পাবেন জ্ঞান, স্মৃতি, ও অনুপ্রেরণার আশ্রয়। গবেষণা, সাহিত্য সন্ধ্যা, স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল লার্নিং—এই পাঠাগার একে একে সেই সব দিগন্ত উন্মোচন করছে।
    এই নিঃশব্দ বিপ্লবটি প্রমাণ করে—একটি বই, একটি পাঠাগার, এবং একজন দায়বদ্ধ মানুষ বদলে দিতে পারে একটি অঞ্চল, একটি সমাজ, এমনকি একটি জাতির ভবিষ্যৎ। চর খিরাটির এই পাঠাগার তাই শুধু একটি স্থাপনা নয়; এটি হচ্ছে নেতৃত্ব, মানবিকতা ও মূল্যবোধ গঠনের এক আলোকিত সূতিকাগার।
    মালালা ইউসুফজাই যেমন বলেছেন,
    “একটি বই, একটি শিশু, একজন শিক্ষক এবং একটি কলম—এই চারটি জিনিসই বদলে দিতে পারে পুরো পৃথিবী।”
    এই বিশ্বাসকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছে বসুন্ধরা শুভসংঘের এই পাঠাগার। আমি বিশ্বাস করি—এই পাঠাগার একদিন হয়ে উঠবে বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামীণ পাঠানুরাগীর আত্মিক ঠিকানা।


    তৌফিক সুলতান-প্রভাষক, ব্রেভ জুবিল্যান্ট স্কলার্স অফ মনোহরদী মডেল কলেজ (বি জে এস এম মডেল কলেজ), মনোহরদী, নরসিংদী।
    সদস্য, বসুন্ধরা শুভসংঘ (চর খিরাটি পাঠাগার)
    towfiqsultan.help@gmail.com
    01301483833
    আলোকিত মানুষ গড়ার এক নীরব বিপ্লব নিঃশব্দ গ্রামীণ প্রান্তরের বুকে গোপনে এগিয়ে চলেছে এক অসাধারণ বিপ্লব—মানুষ গড়ার বিপ্লব। গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার চর খিরাটির মতো তুলনামূলক পশ্চাদপদ একটি গ্রামে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে গড়ে ওঠা পাঠাগারটি যেন সেই বিপ্লবের নীরব সূতিকাগার। কলেজে যাওয়ার পথে হঠাৎ চোখে পড়া একটি ছোট্ট বোর্ড—"বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠাগার"—আমার ভাবনার জগতে আলোড়ন তোলে। কৌতূহল আমাকে টেনে নেয় পাঠাগারের সামনে, আর সেখানেই শুরু হয় নতুন এক আত্মিক যাত্রা। পাঠাগারে প্রবেশ করেই চোখে পড়ে যে আন্তরিক পরিবেশ ও মানুষগুলোর উষ্ণতা, তা যেন গ্রামের সাধারণত নির্জন জীবনে এক অপার্থিব স্পর্শ এনে দেয়। বিশেষ করে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জনাব জাকারিয়া জামান ভাইয়ের উপস্থিতি এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আমার হৃদয়কে গভীরভাবে নাড়া দেয়। তিনি কেবল পেশাদার নন—তিনি একজন আদর্শ সামাজিক রূপান্তরকামী মানুষ, যিনি পাঠাগারকে শুধুই বইয়ের কেন্দ্র নয়, বরং নেতৃত্ব, চিন্তা ও মূল্যবোধের এক বিকাশকেন্দ্র হিসেবে ভাবেন। এই পাঠাগার কেবল একটি পাঠ স্থান নয়, এটি যেন এক মানবিক প্ল্যাটফর্ম—যেখানে শিশু-কিশোরদের জন্য গল্পের বই, শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্য ও সহপাঠ্য বই এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ইতিহাস, সাহিত্য, ধর্ম ও আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের বিস্তৃত সংগ্রহ রয়েছে। সবচেয়ে অনন্য বিষয় হলো—এই পাঠাগারে বই পড়ার জন্য টাকার প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন কেবল আগ্রহ আর মননশীল সময়। পাঠাগারের নিয়মিত আয়োজনগুলো যেমন—পাঠচক্র, আবৃত্তি কর্মশালা, বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, প্রবন্ধ পাঠ—এসব আয়োজন শিশুদের জ্ঞানের পাশাপাশি নৈতিকতা, শুদ্ধ ভাষাচর্চা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে এক অসাধারণ ভূমিকা রাখছে। গ্রামীণ সমাজে যেখানে একটি ভালো শিক্ষকের অভাবেই অনেক সম্ভাবনা ঝরে যায়, সেখানে এই পাঠাগার যেন সেই সম্ভাবনাগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠছে। আমি যখন নিবন্ধন ফরম পূরণ করছিলাম, মনে হচ্ছিল আমি যেন এক নতুন আত্মিক জন্ম নিচ্ছি—আবার ফিরে আসছি বইয়ের জগতে, জ্ঞানের রাজ্যে। আমি কেবল পাঠক হিসেবে নয়, একজন সংগঠক ও শুভসংঘের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবেও এই মানবিক বিপ্লবে যুক্ত থাকার সংকল্প করেছি। একজন শিক্ষক হিসেবে আমার দায়িত্ব শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—সমাজ গড়ার প্রতিটি প্রয়াসে যুক্ত হওয়াই আমার সত্যিকারের পরিচয়। আমার স্বপ্ন, এই পাঠাগারকে কেন্দ্র করে একদিন গড়ে উঠবে একটি শক্তিশালী গ্রামীণ পাঠচর্চা আন্দোলন—যার মাধ্যমে কাপাসিয়া হবে এক আলোকিত বাংলাদেশ গড়ার মডেল। স্কুলপড়ুয়া শিশু থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণী ও প্রবীণ ব্যক্তিরাও এখানে খুঁজে পাবেন জ্ঞান, স্মৃতি, ও অনুপ্রেরণার আশ্রয়। গবেষণা, সাহিত্য সন্ধ্যা, স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল লার্নিং—এই পাঠাগার একে একে সেই সব দিগন্ত উন্মোচন করছে। এই নিঃশব্দ বিপ্লবটি প্রমাণ করে—একটি বই, একটি পাঠাগার, এবং একজন দায়বদ্ধ মানুষ বদলে দিতে পারে একটি অঞ্চল, একটি সমাজ, এমনকি একটি জাতির ভবিষ্যৎ। চর খিরাটির এই পাঠাগার তাই শুধু একটি স্থাপনা নয়; এটি হচ্ছে নেতৃত্ব, মানবিকতা ও মূল্যবোধ গঠনের এক আলোকিত সূতিকাগার। মালালা ইউসুফজাই যেমন বলেছেন, “একটি বই, একটি শিশু, একজন শিক্ষক এবং একটি কলম—এই চারটি জিনিসই বদলে দিতে পারে পুরো পৃথিবী।” এই বিশ্বাসকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছে বসুন্ধরা শুভসংঘের এই পাঠাগার। আমি বিশ্বাস করি—এই পাঠাগার একদিন হয়ে উঠবে বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামীণ পাঠানুরাগীর আত্মিক ঠিকানা। তৌফিক সুলতান-প্রভাষক, ব্রেভ জুবিল্যান্ট স্কলার্স অফ মনোহরদী মডেল কলেজ (বি জে এস এম মডেল কলেজ), মনোহরদী, নরসিংদী। সদস্য, বসুন্ধরা শুভসংঘ (চর খিরাটি পাঠাগার) towfiqsultan.help@gmail.com 01301483833
    Like
    2
    0 Comments 0 Shares 6K Views 0 Reviews
  • পুরনো বন্ধুত্বের নস্টালজিয়া মিলনমেলা এক বিকেলে ফিরে দেখা এক দশকের স্মৃতি
    সময় কখনও থামে না, কিন্তু কিছু মুহূর্ত এমন থাকে যা বছরের পর বছর পরও ঠিক ততটাই উজ্জ্বল, যতটা ছিল শুরুতে। স্কুলজীবনের বন্ধুত্ব সেই রকমই এক অনুভূতি, যা বয়স, পেশা, কিংবা দূরত্বে ক্ষয় হয় না। এই সত্যেরই সাক্ষী হয়ে রইল মনোহরদীর এক বৃষ্টিভেজা বিকেল, যখন ২০১৫ ব্যাচের ছয়জন পুরনো বন্ধু—আশিক, তামিম, রাকিব, সোহান, তানভীর ও লেখক—দীর্ঘদিন পর আবার একত্র হলেন।
    অপ্রত্যাশিত ডাক, ব্যস্ত দিনের বিরতি
    সেদিন সকালটা ছিল একেবারেই সাধারণ। লেখক ব্যস্ত ছিলেন নিত্যদিনের কাজকর্মে। হঠাৎ ফোন বেজে ওঠে—ওপাশে বন্ধু তানভীর। খবর দিল, তারা মনোহরদী আসছে। তানভীর কেবল একজন বন্ধু নন, বরং জীবনের অন্যতম কাছের সঙ্গী। খবর শুনেই লেখকের মধ্যে কাজ ফেলে দেওয়ার এক অদম্য তাগিদ তৈরি হলো। দীর্ঘদিন পর প্রিয় মুখগুলো দেখার আনন্দ কোনো কিছুতেই ম্লান হতে পারে না।
    পথ আলাদা হলেও বন্ধুত্বের সেতু অটুট
    ২০১৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার পর থেকেই ছয় বন্ধুর জীবন ভিন্ন ভিন্ন পথে এগিয়েছে। আশিক, তামিম, সোহান ও তানভীর ভর্তি হয়েছিলেন নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজে। রাকিব ভর্তি হয় একটি প্রাইভেট কলেজে, আর লেখক ভর্তি হন মনোহরদীর এম এ মজিদ সায়েন্স কলেজে। কলেজজীবনে দেখা-সাক্ষাৎ কমে এলেও যোগাযোগ বজায় ছিল, আর হৃদয়ের কোথাও গেঁথে ছিল সেই পুরনো দিনের গল্পগাথা।
    স্মৃতির প্রাঙ্গণে ফেরা
    মিলনমেলার স্থান হিসেবে বেছে নেওয়া হয় এম এ মজিদ সায়েন্স কলেজের প্রাঙ্গণ—যেখানে লেখকের নিজের কলেজজীবনের অনেক স্মৃতি জমা আছে। লাল-সাদা ভবন, খোলা মাঠ, আর গাছের সারি যেন গল্প বলতে থাকে সেই তারুণ্যের দিনগুলোর। এখানেই তারা দাঁড়িয়ে তুললেন কয়েকটি ছবি, যা পরবর্তীতে এই দিনের সাক্ষ্য হয়ে থাকবে।
    আড্ডা, গল্প আর স্কুল-কলেজের দিনগুলি
    একটু পরেই শুরু হলো গল্পের স্রোত। স্কুল জীবনের দুষ্টুমি, প্রথম বেঞ্চের অভিজ্ঞতা, ‘ভূগোল ক্লাসে’ পাস মার্ক নিয়ে হাসাহাসি, ক্যানটিনের চা-সমোসার স্মৃতি—সব উঠে এল হাসি আর আবেগের মিশ্রণে। কলেজ জীবনের কথা বলতে গিয়ে কেউ স্মরণ করলেন হোস্টেলের রাত জাগা, কেউ আবার ‘পড়ার চেয়ে আড্ডা বেশি’ দিনগুলোর গল্প শোনালেন। আলোচনা চলল শিক্ষকদের স্মৃতি, বন্ধুদের হারিয়ে যাওয়া চিঠি, এমনকি পুরনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা নিয়েও।
    বর্তমানের পরিচয়, ভবিষ্যতের স্বপ্ন
    আজ সবাই জীবনের পথে অনেকদূর এগিয়েছে। কেউ শিক্ষক হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন, কেউ ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা দিচ্ছেন, কেউ আবার বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ব্যস্ত সময়সূচি, দায়িত্বের চাপ, প্রতিযোগিতামূলক জীবন—সব মিলিয়েও এই দিনের জন্য তারা সময় বের করে নিয়েছেন। কারণ, এই একসাথে কাটানো সময় তাদের কাছে শুধুই আনন্দ নয়, বরং একধরনের মানসিক শক্তি।
    মনোহরদীর চারপাশে ভ্রমণ
    আড্ডার ফাঁকে সিদ্ধান্ত হলো, আশপাশের কিছু জায়গা ঘুরে দেখা হবে। মোটরসাইকেল নিয়ে তারা ছুটলেন মনোহরদীর আশপাশে—হাতিরদিয়া, ছোট সুকুন্ধীসহ গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা স্থানগুলোতে। আগে তারা ঘুরেছিলেন কাপাসিয়ার খিরাটির জনপ্রিয় আড্ডাস্থল ‘ক্যাফে শীতল হাওয়া’তে, যার পাশেই ‘গোল্ডেন ক্যাফে’। শহরের কোলাহল পেরিয়ে এই জায়গাগুলো যেন নিঃশব্দ প্রকৃতির কাছে ফেরার সুযোগ করে দেয়।
    বৃষ্টির সঙ্গী হয়ে স্মৃতিচারণ
    কলেজে ফেরার কিছুক্ষণ পরই শুরু হলো ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। ছাদে, গাছের পাতায়, মাঠের ঘাসে—প্রকৃতি যেন সুর তুলল। সেই বৃষ্টির শব্দে মেতে উঠল স্মৃতিচারণের আরেক পর্ব। হোস্টেল জীবনের হাসি-কান্না, পরীক্ষার আগে টেনশন, পড়াশোনার গুরুত্ব—সব বিষয় নিয়েই আলোচনা চলল। কেউ বললেন, “আগে যদি বুঝতাম পড়ার বিকল্প নেই, হয়তো আরও বেশি মনোযোগী হতাম।”
    এক বিকেলের শিক্ষণ
    এই মিলনমেলা কেবল আনন্দের ছিল না, বরং জীবনের এক মূল্যবান শিক্ষা দিয়ে গেল—বন্ধুত্ব শুধু বিনোদনের জন্য নয়, বরং একে অপরকে অনুপ্রাণিত করার জন্যও প্রয়োজন। বর্তমানের সাফল্য, ভবিষ্যতের স্বপ্ন, আর অতীতের স্মৃতি—সব একসাথে মিশে গেল মনোহরদীর সেই বিকেলে।
    সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে লুকিয়ে যাচ্ছিল, মেঘের ফাঁকে ঝিলমিল করছিল সোনালি আলো, তখন ছয় বন্ধু দাঁড়িয়েছিলেন কলেজের সিঁড়িতে। হাতে ক্যামেরা, চোখে আনন্দের ঝিলিক। ছবিগুলো তারা বাঁচিয়ে রাখবেন বহু বছর—যেখানে থাকবে তাদের হাসি, আড্ডা, আর সেই অটুট বন্ধুত্বের সাক্ষ্য।
    সময় বয়ে যাবে, জীবন আরও বদলাবে, কিন্তু মনোহরদীর সেই বৃষ্টিভেজা বিকেল তাদের জীবনে থেকে যাবে চিরকাল—যেন এক পৃষ্ঠা, যা বন্ধ হলেও বারবার পড়তে ইচ্ছে করবে।

    তৌফিক সুলতান,প্রভাষক - ব্রেভ জুবিলেন্ট স্কলার্স অফ মনোহরদী মডেল কলেজ,(বি জে এস এম মডেল কলেজ)মনোহরদী, নরসিংদী।
    towfiqsultan.help@gmail.com
    01301483833
    পুরনো বন্ধুত্বের নস্টালজিয়া মিলনমেলা এক বিকেলে ফিরে দেখা এক দশকের স্মৃতি সময় কখনও থামে না, কিন্তু কিছু মুহূর্ত এমন থাকে যা বছরের পর বছর পরও ঠিক ততটাই উজ্জ্বল, যতটা ছিল শুরুতে। স্কুলজীবনের বন্ধুত্ব সেই রকমই এক অনুভূতি, যা বয়স, পেশা, কিংবা দূরত্বে ক্ষয় হয় না। এই সত্যেরই সাক্ষী হয়ে রইল মনোহরদীর এক বৃষ্টিভেজা বিকেল, যখন ২০১৫ ব্যাচের ছয়জন পুরনো বন্ধু—আশিক, তামিম, রাকিব, সোহান, তানভীর ও লেখক—দীর্ঘদিন পর আবার একত্র হলেন। অপ্রত্যাশিত ডাক, ব্যস্ত দিনের বিরতি সেদিন সকালটা ছিল একেবারেই সাধারণ। লেখক ব্যস্ত ছিলেন নিত্যদিনের কাজকর্মে। হঠাৎ ফোন বেজে ওঠে—ওপাশে বন্ধু তানভীর। খবর দিল, তারা মনোহরদী আসছে। তানভীর কেবল একজন বন্ধু নন, বরং জীবনের অন্যতম কাছের সঙ্গী। খবর শুনেই লেখকের মধ্যে কাজ ফেলে দেওয়ার এক অদম্য তাগিদ তৈরি হলো। দীর্ঘদিন পর প্রিয় মুখগুলো দেখার আনন্দ কোনো কিছুতেই ম্লান হতে পারে না। পথ আলাদা হলেও বন্ধুত্বের সেতু অটুট ২০১৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার পর থেকেই ছয় বন্ধুর জীবন ভিন্ন ভিন্ন পথে এগিয়েছে। আশিক, তামিম, সোহান ও তানভীর ভর্তি হয়েছিলেন নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজে। রাকিব ভর্তি হয় একটি প্রাইভেট কলেজে, আর লেখক ভর্তি হন মনোহরদীর এম এ মজিদ সায়েন্স কলেজে। কলেজজীবনে দেখা-সাক্ষাৎ কমে এলেও যোগাযোগ বজায় ছিল, আর হৃদয়ের কোথাও গেঁথে ছিল সেই পুরনো দিনের গল্পগাথা। স্মৃতির প্রাঙ্গণে ফেরা মিলনমেলার স্থান হিসেবে বেছে নেওয়া হয় এম এ মজিদ সায়েন্স কলেজের প্রাঙ্গণ—যেখানে লেখকের নিজের কলেজজীবনের অনেক স্মৃতি জমা আছে। লাল-সাদা ভবন, খোলা মাঠ, আর গাছের সারি যেন গল্প বলতে থাকে সেই তারুণ্যের দিনগুলোর। এখানেই তারা দাঁড়িয়ে তুললেন কয়েকটি ছবি, যা পরবর্তীতে এই দিনের সাক্ষ্য হয়ে থাকবে। আড্ডা, গল্প আর স্কুল-কলেজের দিনগুলি একটু পরেই শুরু হলো গল্পের স্রোত। স্কুল জীবনের দুষ্টুমি, প্রথম বেঞ্চের অভিজ্ঞতা, ‘ভূগোল ক্লাসে’ পাস মার্ক নিয়ে হাসাহাসি, ক্যানটিনের চা-সমোসার স্মৃতি—সব উঠে এল হাসি আর আবেগের মিশ্রণে। কলেজ জীবনের কথা বলতে গিয়ে কেউ স্মরণ করলেন হোস্টেলের রাত জাগা, কেউ আবার ‘পড়ার চেয়ে আড্ডা বেশি’ দিনগুলোর গল্প শোনালেন। আলোচনা চলল শিক্ষকদের স্মৃতি, বন্ধুদের হারিয়ে যাওয়া চিঠি, এমনকি পুরনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা নিয়েও। বর্তমানের পরিচয়, ভবিষ্যতের স্বপ্ন আজ সবাই জীবনের পথে অনেকদূর এগিয়েছে। কেউ শিক্ষক হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন, কেউ ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা দিচ্ছেন, কেউ আবার বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ব্যস্ত সময়সূচি, দায়িত্বের চাপ, প্রতিযোগিতামূলক জীবন—সব মিলিয়েও এই দিনের জন্য তারা সময় বের করে নিয়েছেন। কারণ, এই একসাথে কাটানো সময় তাদের কাছে শুধুই আনন্দ নয়, বরং একধরনের মানসিক শক্তি। মনোহরদীর চারপাশে ভ্রমণ আড্ডার ফাঁকে সিদ্ধান্ত হলো, আশপাশের কিছু জায়গা ঘুরে দেখা হবে। মোটরসাইকেল নিয়ে তারা ছুটলেন মনোহরদীর আশপাশে—হাতিরদিয়া, ছোট সুকুন্ধীসহ গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা স্থানগুলোতে। আগে তারা ঘুরেছিলেন কাপাসিয়ার খিরাটির জনপ্রিয় আড্ডাস্থল ‘ক্যাফে শীতল হাওয়া’তে, যার পাশেই ‘গোল্ডেন ক্যাফে’। শহরের কোলাহল পেরিয়ে এই জায়গাগুলো যেন নিঃশব্দ প্রকৃতির কাছে ফেরার সুযোগ করে দেয়। বৃষ্টির সঙ্গী হয়ে স্মৃতিচারণ কলেজে ফেরার কিছুক্ষণ পরই শুরু হলো ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। ছাদে, গাছের পাতায়, মাঠের ঘাসে—প্রকৃতি যেন সুর তুলল। সেই বৃষ্টির শব্দে মেতে উঠল স্মৃতিচারণের আরেক পর্ব। হোস্টেল জীবনের হাসি-কান্না, পরীক্ষার আগে টেনশন, পড়াশোনার গুরুত্ব—সব বিষয় নিয়েই আলোচনা চলল। কেউ বললেন, “আগে যদি বুঝতাম পড়ার বিকল্প নেই, হয়তো আরও বেশি মনোযোগী হতাম।” এক বিকেলের শিক্ষণ এই মিলনমেলা কেবল আনন্দের ছিল না, বরং জীবনের এক মূল্যবান শিক্ষা দিয়ে গেল—বন্ধুত্ব শুধু বিনোদনের জন্য নয়, বরং একে অপরকে অনুপ্রাণিত করার জন্যও প্রয়োজন। বর্তমানের সাফল্য, ভবিষ্যতের স্বপ্ন, আর অতীতের স্মৃতি—সব একসাথে মিশে গেল মনোহরদীর সেই বিকেলে। সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে লুকিয়ে যাচ্ছিল, মেঘের ফাঁকে ঝিলমিল করছিল সোনালি আলো, তখন ছয় বন্ধু দাঁড়িয়েছিলেন কলেজের সিঁড়িতে। হাতে ক্যামেরা, চোখে আনন্দের ঝিলিক। ছবিগুলো তারা বাঁচিয়ে রাখবেন বহু বছর—যেখানে থাকবে তাদের হাসি, আড্ডা, আর সেই অটুট বন্ধুত্বের সাক্ষ্য। সময় বয়ে যাবে, জীবন আরও বদলাবে, কিন্তু মনোহরদীর সেই বৃষ্টিভেজা বিকেল তাদের জীবনে থেকে যাবে চিরকাল—যেন এক পৃষ্ঠা, যা বন্ধ হলেও বারবার পড়তে ইচ্ছে করবে। তৌফিক সুলতান,প্রভাষক - ব্রেভ জুবিলেন্ট স্কলার্স অফ মনোহরদী মডেল কলেজ,(বি জে এস এম মডেল কলেজ)মনোহরদী, নরসিংদী। towfiqsultan.help@gmail.com 01301483833
    Love
    2
    0 Comments 2 Shares 11K Views 1 Reviews
  • হে আল্লাহ একবার হলেও যাওয়ার তৌফিক দান করুন
    হে আল্লাহ একবার হলেও যাওয়ার তৌফিক দান করুন
    2 Comments 0 Shares 693 Views 0 Reviews
  • হে আল্লাহ একবার হলেও যাওয়ার তৌফিক দান করুন
    হে আল্লাহ একবার হলেও যাওয়ার তৌফিক দান করুন
    Love
    1
    3 Comments 0 Shares 706 Views 0 Reviews
  • বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মৃতদেহকে কবর দেওয়ার ঠিক 24 ঘন্টা পরে মানুষের শরীরের ভিতরে এমন পোকার উৎপত্তি হয় যা মৃতদেহের পায়ুপথ দিয়ে বেরোতে থাকে। তৎসহ এমন দুর্গন্ধ ছড়ায় যা সহ্য করা অসম্ভব। আর ঐ দুর্গন্ধ পোকার সমগোত্রীয় পোকাদের নিমন্ত্রণ দেয়।

    দুর্গন্ধ পেয়ে সমস্ত পোকা, মাকড়, বিছে মানুষের মৃতদেহের দিকে যাত্রা শুরু করে আর সবাই মিলে মানুষের মাংস খাওয়া শুরু করে দেয়।
    কবরস্থ করার তিনদিন পরে সবচেয়ে প্রথমে নাকের অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে এবং পচন ধরে যায়।
    ছয় দিন পরে নখ খসে পড়তে থাকে।
    নয় দিন পরে চুল খসে পড়া শুরু হয়।

    মানুষের শরীরের সমস্ত লোম ঝরে পরে আর পেট ফোলা শুরু হয়ে যায়, 17 দিন পরে পেট ফেটে যায় আর শরীরের ভিতরের সমস্ত অংশ বাহিরে বেরিয়ে আসে। 60 দিন পরে মৃতদেহের শরীরের সমস্ত মাংস শেষ হয়ে যায়। মানুষের শরীরে একটু টুকরো মাংস অবশিষ্ট থাকে না। 90 দিন পরে সমস্ত হাড় একে অপরের থেকে পৃথক হয়ে যায়।

    এক বছর পরে মানুষের শরীরের সমস্ত হাড় মাটির সঙ্গে মিশে যায়। আর যে মানুষের মৃতদেহ কবরস্থ করা হয়েছিল তার সমস্ত অস্তিত্ব মুছে যায়।অতএব আমার ভাই ও বোনেরা বলুন -মানুষের এতো অহংকার, এতো আত্মগরিমা, এতো হিংসা, এতো বিদ্বেষ, এতো লালসা, এতো নাম, এতো শৌর্য্য, এতো সম্মান, এতো শক্তি, এতো সামর্থ্য, এতো ধণদৌলত, এতো ক্ষমতা, এই বাদশাহী কোথায় যায়? সবকিছুই মাটিতে মিশে যায়।
    মানুষের অস্তিত্ব বা কি আছে?

    মাটি থেকে সৃষ্ট, মাটিতেই কবরস্থ হয়ে, মাটিতেই মিশে যায়।5 ফুট, 6 ফুট, 7 ফুটের মানুষ কবরে চলে যাওয়ার পরে তার নাম, চিহ্ন মুছে যায়। এই দুনিয়াতে গাম্ভীর্যের সঙ্গে বিচরণকারী যখন কবরে চলে যায় তখন তার অস্তিত্ব মাটি ছাড়া অন্য কিছুই থাকে না।অতএব মানুষের আসল জীবন, আমৃত্যু জীবন যাতে সুন্দর হয় এবং শান্তিপূর্ণ হয় তার চেষ্টা করা উচিত এবং সেই মোতাবেক কাজ করা উচিত।

    প্রতিটি ভালো কাজ, এবং প্রতিটি উত্তম কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করা উচিত। আর প্রতিটি মন্দ চিন্তাভাবনার অস্তিত্ব নষ্ট করার জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থণা করা উচিত। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের সকলকে বুঝার তৌফিক দান করুন !
    বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মৃতদেহকে কবর দেওয়ার ঠিক 24 ঘন্টা পরে মানুষের শরীরের ভিতরে এমন পোকার উৎপত্তি হয় যা মৃতদেহের পায়ুপথ দিয়ে বেরোতে থাকে। তৎসহ এমন দুর্গন্ধ ছড়ায় যা সহ্য করা অসম্ভব। আর ঐ দুর্গন্ধ পোকার সমগোত্রীয় পোকাদের নিমন্ত্রণ দেয়। দুর্গন্ধ পেয়ে সমস্ত পোকা, মাকড়, বিছে মানুষের মৃতদেহের দিকে যাত্রা শুরু করে আর সবাই মিলে মানুষের মাংস খাওয়া শুরু করে দেয়। কবরস্থ করার তিনদিন পরে সবচেয়ে প্রথমে নাকের অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে এবং পচন ধরে যায়। ছয় দিন পরে নখ খসে পড়তে থাকে। নয় দিন পরে চুল খসে পড়া শুরু হয়। মানুষের শরীরের সমস্ত লোম ঝরে পরে আর পেট ফোলা শুরু হয়ে যায়, 17 দিন পরে পেট ফেটে যায় আর শরীরের ভিতরের সমস্ত অংশ বাহিরে বেরিয়ে আসে। 60 দিন পরে মৃতদেহের শরীরের সমস্ত মাংস শেষ হয়ে যায়। মানুষের শরীরে একটু টুকরো মাংস অবশিষ্ট থাকে না। 90 দিন পরে সমস্ত হাড় একে অপরের থেকে পৃথক হয়ে যায়। এক বছর পরে মানুষের শরীরের সমস্ত হাড় মাটির সঙ্গে মিশে যায়। আর যে মানুষের মৃতদেহ কবরস্থ করা হয়েছিল তার সমস্ত অস্তিত্ব মুছে যায়।অতএব আমার ভাই ও বোনেরা বলুন -মানুষের এতো অহংকার, এতো আত্মগরিমা, এতো হিংসা, এতো বিদ্বেষ, এতো লালসা, এতো নাম, এতো শৌর্য্য, এতো সম্মান, এতো শক্তি, এতো সামর্থ্য, এতো ধণদৌলত, এতো ক্ষমতা, এই বাদশাহী কোথায় যায়? সবকিছুই মাটিতে মিশে যায়। মানুষের অস্তিত্ব বা কি আছে? মাটি থেকে সৃষ্ট, মাটিতেই কবরস্থ হয়ে, মাটিতেই মিশে যায়।5 ফুট, 6 ফুট, 7 ফুটের মানুষ কবরে চলে যাওয়ার পরে তার নাম, চিহ্ন মুছে যায়। এই দুনিয়াতে গাম্ভীর্যের সঙ্গে বিচরণকারী যখন কবরে চলে যায় তখন তার অস্তিত্ব মাটি ছাড়া অন্য কিছুই থাকে না।অতএব মানুষের আসল জীবন, আমৃত্যু জীবন যাতে সুন্দর হয় এবং শান্তিপূর্ণ হয় তার চেষ্টা করা উচিত এবং সেই মোতাবেক কাজ করা উচিত। প্রতিটি ভালো কাজ, এবং প্রতিটি উত্তম কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করা উচিত। আর প্রতিটি মন্দ চিন্তাভাবনার অস্তিত্ব নষ্ট করার জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থণা করা উচিত। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের সকলকে বুঝার তৌফিক দান করুন !
    Like
    2
    0 Comments 0 Shares 2K Views 0 Reviews
  • রোহিঙ্গাদের জায়গা হলে আমাদের কেন জায়গা হবে না : কুষ্টিয়া

    বাদশা আলমগীর : বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এর প্রধান শেচ খালের পারের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন।

    উচ্ছেদ অভিযানের পরের দিন গতকাল (২২ জুন) রবিবার সকাল নয়টা থেকে ডিসি কোর্ট চত্বরে আন্দোলন করেন উচ্ছেদ হওয়া ভূমিহীনরা। তাদের একটাই দাবি থাকার মত জায়গা করে দিতে হবে। তাদের পুনর্বাসন করতে হবে।

    ভূমিহীন রুমা বেগম বলেন, আমাদের বাড়িঘর ভেঙে দিয়েছে। আমাদের কোন নোটিশ ছাড়া উচ্ছেদ করেছে। গত ৩৫ বছর ধরে আমরা এখানে বসবাস করছি। আমাদের জন্ম এখানে। এই জায়গা আমরা কি করে ছাড়বো। এই জাইগা ছেড়ে দিলে কোথায় যাব। আমাদের যাওয়ার কোন যাইগা নাই। আমরা যেখানে আছি সেখানে আমরা ভালোভাবে থাকতে চাই।

    আরেকজন ভূমিহীন বৃদ্ধ ঝন্টু বলেন, আমরা দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে এই ক্যানেলে বসবাস করি। আমাদের এখানে প্রভাবশালী কিছু মানুষ হুমকি ধামকি দিয়ে, মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে আমাদের উচ্ছেদ করেছে। আমাদের উঠে যাবার জন্য যেই সময় দিয়েছিল তার আগেই উচ্ছেদ করেছে। আমরা টাকা পয়সা গাড়ি বাড়ি কিছুই চায় না। আমরা ডিসি স্যারের কাছে আসছি আমাদের একটু থাকার জায়গা করে দেন।


    রোমেছা নামের আরেকজন ভূমিহীন বলেন, আমরা ক্যানেলের জায়গাতে বসবাস করি একটুখানি জায়গার ভিতরে আমরা বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে থাকি। আমাদের যাওয়ার কোন জায়গা নাই। দুইদিন আগে মাইকিং করে পরের দিন আমাদের উচ্ছেদ করে দেয়। এখন আমরা এই বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে কোথায় যাব। তিনি আরো বলেন, মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা এসে বাংলাদেশে যদি জায়গা পাই তাহলে আমরা বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কেন জায়গা পাবো না। আমার বাপ দাদা চৌদ্দগুষ্টি বাংলাদেশে নারী পোতা, আমরা কেন জায়গা পাবনা। আমরা এখন ডিসি স্যারের কাছে আসছি আমাদের একটাই দাবি আমরা যেখানে ছিলাম ওখানে থাকতে চাই।

    এছাড়া উচ্ছেদ হওয়া ভূমিহীনরা আরো বলেন, আমরা এখানে ফ্রি থাকিনা সরকারকে ট্যাক্স দিয়ে এখানে থাকি।

    আন্দোলনের একপর্যায়ে দুপুর ১টার সময় জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত দরখাস্ত প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসক মো: তৌফিকুর রহমান বলেন আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে আপনাদেরকে জানাবো।

    কুষ্টিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। শনিবার (২১ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের চৌড়হাস পশ্চিমপাড়া জিকে ক্যানেলের পাশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    উক্ত অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ হাসান ।
    এছাড়াও এ সময় কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশিদুর রহমানসহ সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানকালে প্রায় ৩৫টি ছোটবড় অবৈধ কাঁচা-ঘর ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়।
    রোহিঙ্গাদের জায়গা হলে আমাদের কেন জায়গা হবে না : কুষ্টিয়া বাদশা আলমগীর : বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এর প্রধান শেচ খালের পারের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। উচ্ছেদ অভিযানের পরের দিন গতকাল (২২ জুন) রবিবার সকাল নয়টা থেকে ডিসি কোর্ট চত্বরে আন্দোলন করেন উচ্ছেদ হওয়া ভূমিহীনরা। তাদের একটাই দাবি থাকার মত জায়গা করে দিতে হবে। তাদের পুনর্বাসন করতে হবে। ভূমিহীন রুমা বেগম বলেন, আমাদের বাড়িঘর ভেঙে দিয়েছে। আমাদের কোন নোটিশ ছাড়া উচ্ছেদ করেছে। গত ৩৫ বছর ধরে আমরা এখানে বসবাস করছি। আমাদের জন্ম এখানে। এই জায়গা আমরা কি করে ছাড়বো। এই জাইগা ছেড়ে দিলে কোথায় যাব। আমাদের যাওয়ার কোন যাইগা নাই। আমরা যেখানে আছি সেখানে আমরা ভালোভাবে থাকতে চাই। আরেকজন ভূমিহীন বৃদ্ধ ঝন্টু বলেন, আমরা দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে এই ক্যানেলে বসবাস করি। আমাদের এখানে প্রভাবশালী কিছু মানুষ হুমকি ধামকি দিয়ে, মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে আমাদের উচ্ছেদ করেছে। আমাদের উঠে যাবার জন্য যেই সময় দিয়েছিল তার আগেই উচ্ছেদ করেছে। আমরা টাকা পয়সা গাড়ি বাড়ি কিছুই চায় না। আমরা ডিসি স্যারের কাছে আসছি আমাদের একটু থাকার জায়গা করে দেন। রোমেছা নামের আরেকজন ভূমিহীন বলেন, আমরা ক্যানেলের জায়গাতে বসবাস করি একটুখানি জায়গার ভিতরে আমরা বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে থাকি। আমাদের যাওয়ার কোন জায়গা নাই। দুইদিন আগে মাইকিং করে পরের দিন আমাদের উচ্ছেদ করে দেয়। এখন আমরা এই বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে কোথায় যাব। তিনি আরো বলেন, মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা এসে বাংলাদেশে যদি জায়গা পাই তাহলে আমরা বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কেন জায়গা পাবো না। আমার বাপ দাদা চৌদ্দগুষ্টি বাংলাদেশে নারী পোতা, আমরা কেন জায়গা পাবনা। আমরা এখন ডিসি স্যারের কাছে আসছি আমাদের একটাই দাবি আমরা যেখানে ছিলাম ওখানে থাকতে চাই। এছাড়া উচ্ছেদ হওয়া ভূমিহীনরা আরো বলেন, আমরা এখানে ফ্রি থাকিনা সরকারকে ট্যাক্স দিয়ে এখানে থাকি। আন্দোলনের একপর্যায়ে দুপুর ১টার সময় জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত দরখাস্ত প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসক মো: তৌফিকুর রহমান বলেন আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে আপনাদেরকে জানাবো। কুষ্টিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। শনিবার (২১ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের চৌড়হাস পশ্চিমপাড়া জিকে ক্যানেলের পাশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ হাসান । এছাড়াও এ সময় কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশিদুর রহমানসহ সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানকালে প্রায় ৩৫টি ছোটবড় অবৈধ কাঁচা-ঘর ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়।
    0 Comments 0 Shares 1K Views 0 Reviews
More Results
Eidok https://eidok.com