• অব্যাবস্থাপনা ও টেস্ট বানিজ্যের আতুরঘর মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, রয়েছে আন্তঃটেন্ডারবাজীর অভিযোগ।

    জাকারিয়া রানা
    জেলা প্রতিনিধি


    মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অত্র এলাকার মানুষ দীর্ঘ দিন যাবত সঠিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপজেলা প্রেস ক্লাবের কিছু সদস্য ১৪ আগস্ট সকাল ১১ ঘটিকায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রশান্ত কুমার সাহার কাছে এই হাসপাতালের অব্যস্থাপনা,অনিয়ম নিয়ে আলোচনা করতে গেলে যা পাওয়া যায় তা শুনে শরীর একেবারে নীল হয়ে যাওয়ার মতো।
    অব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ।।।
    গত ২০২৩ – ২০২৪ অর্থ বছরের জন্য হাসপাতালে রোগীর পথ্য সরবরাহ (খাবার),স্টেশনারি,ধোলাই টেন্ডার হয়েছিল।তার ঠিকাদার ছিল মেসার্স হাজী এন্টারপ্রাইজ প্রোঃ রেজাউল করিম। যার ওয়ার্ক অর্ডার এর মেয়াদ এক বছর যা হিসাব মতে ৩০.০৬.২০২৪ তারিখ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু পর পর তিন অর্থবছর ডায়েট সাপ্লাই করে আসছে এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।যা আজ পর্যন্ত ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছর পর্যন্ত চলমান।

    এ ব্যাপারে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃপ্রশান্ত কুমার সাহা বলেন যে এমন কোন কাগজ পত্র পাইনাই যার জন্য একই ঠিকাদার এত বছর ডায়েট,স্টেশনারি, ধুপির কাজ করিতে পারে। তবে এটা অডিট আপত্তি যোগ্য বলে আমি মনে করি।

    পটুয়াখালী জেলার সিভিল সার্জন জনাব ডাঃ খালেদুর রহমান মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছু জানিনা তবে সব কিছু জেনে জানাবো।

    নাম না জানানোর শর্তে এই হাসপাতালের এক স্টাফ জানান ২০২৪ সালের জুন মাসে যখন পুনরায় টেন্ডার হওয়ার কথা তখন টেন্ডারের ব্যাপারে ঘরোয়া পরিবেশে আলোচনা করে সেই সময়ের হেড ক্লার্ক রিয়াজ ও ততকালীন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তেংমং মোটা অংকের বিনিময়ে পুর্বের ঠিকাদার মেসার্স হাজ্বি এন্টারপ্রাইজ কেই কোন নিয়ম নীতি না মেনে সাপ্লাইয়ের ঠিকাদার নিয়োগ দেন, যা আজ পর্যন্ত চলমান।এই টেন্ডার দুর্নীতির সাথে ততকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বক্কর জড়িত ছিল বলে জনমনে শোনা যায়।
    মির্জাগঞ্জ উপজেলাস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসার সেবার মান সন্তশজনক নয়। এই হাসপাতালের ভিতরেই সরকারি দালাল বিদ্দমান যা একেবারেই নোংরামি বই কিছুই না। রোগী চিকিৎসকের কাছে ইচ্ছামত যেতে পারে না। বাসস্টপেজের মত টানাটানির এই ডাক্তারের কাছে আসেন, আর জন ও এই রকম।

    তারপর শুরু হয় কোন ডায়াগনস্টিক এ পাঠাবে তা নিয়া প্রতিযোগিতা।

    ২০২২ সালে সরকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটা রুল জারি করছিল যে, সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে দুই কিলোমিটারের মধ্যে কোন ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার থাকতে পারবে না এতে করে সেবার মান রক্ষা করা যায় না।

    কিন্তু মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পেলেক্স এর চিত্র ভিন্ন।

    হাসপাতালের ওয়ালের ১০ হাতের মধ্যেই তিনটি প্রতিষ্ঠান পাওয়া যায়।যা সিভিল সার্জন ও টি এইচের পরিদর্শনে ই অনুমোদীত। আবার ডাক্তার ও রোগী যেতে যেন কোন বেগ পেতে না হয় তার জন্য হাসপাতালের কোয়াটারের ভিতর থেকে ওয়াল ভেংগে ডায়াগনস্টিক মালিক রা পথ করে নিয়াছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দ্দেশ মোতাবেক সমগ্র বাংলাদেশে ৫০ টি হাসপাতালে বৈকালিন প্রাক্টিস চালু থাকার অনুমোদন দিয়াছে। তবে সেই তালিকায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পলেক্স এর নাম না থাকলেও বিকালে এখানে সকল ডাক্তারদের চেম্বার বস। শুরু হয় টানাটানি ভাল ডাক্তার ওমুকে এই মিছিল যাতে রোগী রা বিচলিত হয়।কয়েকটি চেম্বারে ডাক্তার প্রাক্টিস করে প্রায় দুর্নীতির সর্গরাজ্যে পরিনত করেছে। তারা গরীব রোগীদের নিকট হতে ভিজিট ও কমিশনের জন্য অতিরিক্ত টেস্ট চাপিয়ে পাসের ডায়াবেটিস এর দালালের হাতে ধরিয়ে দেয়।

    অত্র হাসপাতালে রোগীদের জন্য সরকার কর্তৃক বিনামূল্যে সরবরাহকৃত ঔষধের ঠিক মত ডিস্টিভিউশন হচ্ছে না।

    রোগীদের সাথে হাসপাতালের প্রায় সকল স্টাফদের মার্জিত আচরণ করে না।এজন্য প্রয়োজনে ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য স্টাফদের এ বিষয়ে নিয়মিত কাউন্সিলের ব্যবস্থা করা।
    হাসপাতালের প্যাথলজি ও রেডিওলজি বিভাগ ২৪ ঘন্টা খোলা থাকলেও এখানে কোন টেস্ট করানো হয় না।
    অত্র হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য দক্ষ স্টাফদের সংকট বিদ্দমান।

    এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সজনদের সাথে আলোচনা করে যা বোঝা গেল তাতে যা মনে হয় তাতে সরকারি চাকরী বিধিমালা অনুযায়ী যাহারা অত্র হাসপাতালে নির্দিষ্ট সময়ের অধিক সময় কর্মরত আছেন, তাদেরকে অনতিবিলম্বে বদলি করে নতুনদের যায়গা করে দেওয়া। নতুন রা আসলে সেবার মান বৃদ্ধি পাবে।
    হাসপাতালের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খুবই খারাপ। রোগীদের নিরাপত্তার লক্ষে হাসপাতালের আইন শৃঙ্খলার উন্নতি করতে হাসপাতালে প্রয়োজনীয় উন্নতমানের সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা সেবার মান বৃদ্ধি পাবে।

    হাসপাতাল থেকে সকল ধরণের সিন্ডিকেট ও রোগী হয়রানি বন্ধ করে অত্র হাসপাতালকে শতভাগ দালাল মুক্ত বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হলে সেবার মান বৃদ্ধি পাবে বলে সেবা গৃহীতাদের মন্তব্য।

    এখানে অপারেশন থিয়েটার চলমান কিন্তু কোন অপারেশন এখানে হয় না।
    অব্যাবস্থাপনা ও টেস্ট বানিজ্যের আতুরঘর মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, রয়েছে আন্তঃটেন্ডারবাজীর অভিযোগ। জাকারিয়া রানা জেলা প্রতিনিধি মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অত্র এলাকার মানুষ দীর্ঘ দিন যাবত সঠিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপজেলা প্রেস ক্লাবের কিছু সদস্য ১৪ আগস্ট সকাল ১১ ঘটিকায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রশান্ত কুমার সাহার কাছে এই হাসপাতালের অব্যস্থাপনা,অনিয়ম নিয়ে আলোচনা করতে গেলে যা পাওয়া যায় তা শুনে শরীর একেবারে নীল হয়ে যাওয়ার মতো। অব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ।।। গত ২০২৩ – ২০২৪ অর্থ বছরের জন্য হাসপাতালে রোগীর পথ্য সরবরাহ (খাবার),স্টেশনারি,ধোলাই টেন্ডার হয়েছিল।তার ঠিকাদার ছিল মেসার্স হাজী এন্টারপ্রাইজ প্রোঃ রেজাউল করিম। যার ওয়ার্ক অর্ডার এর মেয়াদ এক বছর যা হিসাব মতে ৩০.০৬.২০২৪ তারিখ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু পর পর তিন অর্থবছর ডায়েট সাপ্লাই করে আসছে এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।যা আজ পর্যন্ত ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছর পর্যন্ত চলমান। এ ব্যাপারে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃপ্রশান্ত কুমার সাহা বলেন যে এমন কোন কাগজ পত্র পাইনাই যার জন্য একই ঠিকাদার এত বছর ডায়েট,স্টেশনারি, ধুপির কাজ করিতে পারে। তবে এটা অডিট আপত্তি যোগ্য বলে আমি মনে করি। পটুয়াখালী জেলার সিভিল সার্জন জনাব ডাঃ খালেদুর রহমান মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছু জানিনা তবে সব কিছু জেনে জানাবো। নাম না জানানোর শর্তে এই হাসপাতালের এক স্টাফ জানান ২০২৪ সালের জুন মাসে যখন পুনরায় টেন্ডার হওয়ার কথা তখন টেন্ডারের ব্যাপারে ঘরোয়া পরিবেশে আলোচনা করে সেই সময়ের হেড ক্লার্ক রিয়াজ ও ততকালীন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তেংমং মোটা অংকের বিনিময়ে পুর্বের ঠিকাদার মেসার্স হাজ্বি এন্টারপ্রাইজ কেই কোন নিয়ম নীতি না মেনে সাপ্লাইয়ের ঠিকাদার নিয়োগ দেন, যা আজ পর্যন্ত চলমান।এই টেন্ডার দুর্নীতির সাথে ততকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বক্কর জড়িত ছিল বলে জনমনে শোনা যায়। মির্জাগঞ্জ উপজেলাস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসার সেবার মান সন্তশজনক নয়। এই হাসপাতালের ভিতরেই সরকারি দালাল বিদ্দমান যা একেবারেই নোংরামি বই কিছুই না। রোগী চিকিৎসকের কাছে ইচ্ছামত যেতে পারে না। বাসস্টপেজের মত টানাটানির এই ডাক্তারের কাছে আসেন, আর জন ও এই রকম। তারপর শুরু হয় কোন ডায়াগনস্টিক এ পাঠাবে তা নিয়া প্রতিযোগিতা। ২০২২ সালে সরকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটা রুল জারি করছিল যে, সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে দুই কিলোমিটারের মধ্যে কোন ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার থাকতে পারবে না এতে করে সেবার মান রক্ষা করা যায় না। কিন্তু মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পেলেক্স এর চিত্র ভিন্ন। হাসপাতালের ওয়ালের ১০ হাতের মধ্যেই তিনটি প্রতিষ্ঠান পাওয়া যায়।যা সিভিল সার্জন ও টি এইচের পরিদর্শনে ই অনুমোদীত। আবার ডাক্তার ও রোগী যেতে যেন কোন বেগ পেতে না হয় তার জন্য হাসপাতালের কোয়াটারের ভিতর থেকে ওয়াল ভেংগে ডায়াগনস্টিক মালিক রা পথ করে নিয়াছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দ্দেশ মোতাবেক সমগ্র বাংলাদেশে ৫০ টি হাসপাতালে বৈকালিন প্রাক্টিস চালু থাকার অনুমোদন দিয়াছে। তবে সেই তালিকায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পলেক্স এর নাম না থাকলেও বিকালে এখানে সকল ডাক্তারদের চেম্বার বস। শুরু হয় টানাটানি ভাল ডাক্তার ওমুকে এই মিছিল যাতে রোগী রা বিচলিত হয়।কয়েকটি চেম্বারে ডাক্তার প্রাক্টিস করে প্রায় দুর্নীতির সর্গরাজ্যে পরিনত করেছে। তারা গরীব রোগীদের নিকট হতে ভিজিট ও কমিশনের জন্য অতিরিক্ত টেস্ট চাপিয়ে পাসের ডায়াবেটিস এর দালালের হাতে ধরিয়ে দেয়। অত্র হাসপাতালে রোগীদের জন্য সরকার কর্তৃক বিনামূল্যে সরবরাহকৃত ঔষধের ঠিক মত ডিস্টিভিউশন হচ্ছে না। রোগীদের সাথে হাসপাতালের প্রায় সকল স্টাফদের মার্জিত আচরণ করে না।এজন্য প্রয়োজনে ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য স্টাফদের এ বিষয়ে নিয়মিত কাউন্সিলের ব্যবস্থা করা। হাসপাতালের প্যাথলজি ও রেডিওলজি বিভাগ ২৪ ঘন্টা খোলা থাকলেও এখানে কোন টেস্ট করানো হয় না। অত্র হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য দক্ষ স্টাফদের সংকট বিদ্দমান। এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সজনদের সাথে আলোচনা করে যা বোঝা গেল তাতে যা মনে হয় তাতে সরকারি চাকরী বিধিমালা অনুযায়ী যাহারা অত্র হাসপাতালে নির্দিষ্ট সময়ের অধিক সময় কর্মরত আছেন, তাদেরকে অনতিবিলম্বে বদলি করে নতুনদের যায়গা করে দেওয়া। নতুন রা আসলে সেবার মান বৃদ্ধি পাবে। হাসপাতালের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খুবই খারাপ। রোগীদের নিরাপত্তার লক্ষে হাসপাতালের আইন শৃঙ্খলার উন্নতি করতে হাসপাতালে প্রয়োজনীয় উন্নতমানের সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা সেবার মান বৃদ্ধি পাবে। হাসপাতাল থেকে সকল ধরণের সিন্ডিকেট ও রোগী হয়রানি বন্ধ করে অত্র হাসপাতালকে শতভাগ দালাল মুক্ত বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হলে সেবার মান বৃদ্ধি পাবে বলে সেবা গৃহীতাদের মন্তব্য। এখানে অপারেশন থিয়েটার চলমান কিন্তু কোন অপারেশন এখানে হয় না।
    Yay
    1
    0 Comments 0 Shares 5K Views 0 Reviews

  • আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট (AL TOWFIQI PHARMACY & CONSULTANT)
    ট্রেড লাইসেন্স নং: ০০২০৪১
    ঠিকানা: নরোত্তমপুর, বারিষাব, কাপাসিয়া, গাজীপুর - ১৭৪৩
    যোগাযোগ নম্বর: ০১৩০১৪৮৩৮৩৩
    প্রোপাইটর: তৌফিক সুলতান
    (প্যারামেডিক্স, ঢাকা মেডিকেল ইনস্টিটিউট ইন্টার্ন-ইমারজেন্সি, ফ্যাজরালটি, মেডিসিন, সার্জারি আউটডোর - ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রেজি নং: ৬০৪৪৬)

    প্রতিষ্ঠান পরিচিতি
    আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট একটি আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, যা কেবল ওষুধ সরবরাহেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং স্বাস্থ্যসেবা এবং ডিজিটাল সেবার বিস্তৃত পরিসর নিয়ে কাজ করে থাকে। প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রোগী ও গ্রাহকদের জন্য দ্রুত, নিরাপদ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
    তাছাড়া, এখানে শুধুমাত্র ফার্মেসি সেবা নয়, বরং রোগীর সামগ্রিক যত্নের জন্য চিকিৎসা পরামর্শ, নার্সিং ও হোম কেয়ার সেবা এবং বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়।

    আমাদের সেবাসমূহ
    ১. ডিজিটাল ও অনলাইন সেবা
    অনলাইন কনসাল্টেশন: অভিজ্ঞ ও দক্ষ ডাক্তারদের সাথে ভিডিও কলে স্বাস্থ্য পরামর্শ প্রদান।


    ই-ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবা: স্বল্প মূল্যে এবং সহজ উপায়ে ডাক্তারদের পরামর্শ পাওয়া যায়।


    অনলাইন ক্লাস ও ইভেন্ট প্ল্যানিং: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য মানসম্মত অনলাইন ক্লাস ও ইভেন্ট আয়োজনের সেবা।


    ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডোমেইন সেবা: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি এবং ডোমেইন-হোস্টিং সেবা।


    ডিজিটাল মার্কেটিং ও গুগল SEO: পত্রিকা বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে গুগল সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (SEO) ও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে ব্যবসায়িক প্রসার।


    বিকাশ ও সকল অনলাইন পেমেন্ট সেবা।


    চাকরি আবেদন, ভর্তি, এবং অন্যান্য অনলাইন সহায়তা।


    টিআইএন সার্টিফিকেট সহ অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি সার্টিফিকেট সেবা।


    ২. নার্সিং ও হোম কেয়ার সেবা
    ICU/OT থেকে রোগী বাসায় নেওয়া ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান।


    অভিজ্ঞ নার্স ও কেয়ারগিভার দ্বারা বাসায় গিয়ে সেবা প্রদান।


    ক্যানুলা, ক্যাথেটার, ইনজেকশন, এন.জি. টিউব, ড্রেসিংসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা কার্যক্রম হোম কেয়ার হিসেবে।


    বয়স্ক ও বিশেষ রোগীদের জন্য বিশেষ যত্ন ও চিকিৎসা।


    ১০০% নিরাপদ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেবা নিশ্চিত।


    দ্রুত ও মানসম্মত সেবা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।


    ৩. চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সেবা
    BMDC রেজিস্টার্ড এমবিবিএস এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তার (FCPS/MD) দের সাথে সরাসরি সংযুক্ত।


    ঢাকার নামকরা হাসপাতালের ডাক্তারদের চেম্বারের মাধ্যমে রোগীদের নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা পরামর্শ।


    ২৪/৭ নিবেদিত কাস্টমার কেয়ার সাপোর্ট।



    প্রোপাইটর ও প্রতিষ্ঠাতার পরিচিতি
    তৌফিক সুলতান - যিনি একজন প্যারামেডিক্স বিশেষজ্ঞ ও ইন্টার্ন হিসেবে ঢাকা মেডিকেল ইনস্টিটিউট এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি, মেডিসিন ও সার্জারি আউটডোর বিভাগে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তার পেশাদার দক্ষতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আল তৌফিকী ফার্মেসিকে বিশেষ ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে। তিনি ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা ও অনলাইন মেডিকেল কনসাল্টেশন সেবা প্রসারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও লক্ষ্য
    মুসলিম অনলাইন ফার্মেসি ও পরামর্শ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা।


    আল তৌফিকী মডেল ফার্মেসি স্থাপন এবং উন্নয়ন।


    দেশের বিভিন্ন স্থানে শাখা বিস্তার।


    স্বাস্থ্যসেবা ও ডিজিটাল সেবা একত্রিত করে রোগীদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত।


    স্বাস্থ্যসেবা খাতে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ।



    আমাদের শক্তি ও বিশেষত্ব
    বৃহৎ ও অভিজ্ঞ মেডিকেল টিম।


    ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে সহজ ও দ্রুত পরামর্শ।


    বিকাশ ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেম সম্পৃক্ত।


    রোগীর আরাম ও নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।


    প্রতিটি সেবায় স্বাস্থ্যবিধি ও গুণগত মান বজায় রাখা।


    সর্বদা গ্রাহকসেবা প্রাধান্য।



    যোগাযোগের ঠিকানা ও সময়
    ঠিকানা: নরোত্তমপুর, বারিষাব, কাপাসিয়া, গাজীপুর — ১৭৪৩
    মোবাইল: ০১৩০১৪৮৩৮৩৩
    অফিস সময়: সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত (প্রয়োজনে জরুরি সেবা ২৪/৭)

    আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট হলো আপনার স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসার বিশ্বস্ত সঙ্গী, যেখানে আধুনিক প্রযুক্তি ও মানবিক যত্ন একসাথে মিশে রোগীদের জীবনে সুস্থতা ও শান্তি নিয়ে আসে।
    আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট (AL TOWFIQI PHARMACY & CONSULTANT) ট্রেড লাইসেন্স নং: ০০২০৪১ ঠিকানা: নরোত্তমপুর, বারিষাব, কাপাসিয়া, গাজীপুর - ১৭৪৩ যোগাযোগ নম্বর: ০১৩০১৪৮৩৮৩৩ প্রোপাইটর: তৌফিক সুলতান (প্যারামেডিক্স, ঢাকা মেডিকেল ইনস্টিটিউট ইন্টার্ন-ইমারজেন্সি, ফ্যাজরালটি, মেডিসিন, সার্জারি আউটডোর - ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রেজি নং: ৬০৪৪৬) প্রতিষ্ঠান পরিচিতি আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট একটি আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, যা কেবল ওষুধ সরবরাহেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং স্বাস্থ্যসেবা এবং ডিজিটাল সেবার বিস্তৃত পরিসর নিয়ে কাজ করে থাকে। প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রোগী ও গ্রাহকদের জন্য দ্রুত, নিরাপদ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। তাছাড়া, এখানে শুধুমাত্র ফার্মেসি সেবা নয়, বরং রোগীর সামগ্রিক যত্নের জন্য চিকিৎসা পরামর্শ, নার্সিং ও হোম কেয়ার সেবা এবং বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়। আমাদের সেবাসমূহ ১. ডিজিটাল ও অনলাইন সেবা অনলাইন কনসাল্টেশন: অভিজ্ঞ ও দক্ষ ডাক্তারদের সাথে ভিডিও কলে স্বাস্থ্য পরামর্শ প্রদান। ই-ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবা: স্বল্প মূল্যে এবং সহজ উপায়ে ডাক্তারদের পরামর্শ পাওয়া যায়। অনলাইন ক্লাস ও ইভেন্ট প্ল্যানিং: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য মানসম্মত অনলাইন ক্লাস ও ইভেন্ট আয়োজনের সেবা। ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডোমেইন সেবা: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি এবং ডোমেইন-হোস্টিং সেবা। ডিজিটাল মার্কেটিং ও গুগল SEO: পত্রিকা বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে গুগল সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (SEO) ও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে ব্যবসায়িক প্রসার। বিকাশ ও সকল অনলাইন পেমেন্ট সেবা। চাকরি আবেদন, ভর্তি, এবং অন্যান্য অনলাইন সহায়তা। টিআইএন সার্টিফিকেট সহ অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি সার্টিফিকেট সেবা। ২. নার্সিং ও হোম কেয়ার সেবা ICU/OT থেকে রোগী বাসায় নেওয়া ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান। অভিজ্ঞ নার্স ও কেয়ারগিভার দ্বারা বাসায় গিয়ে সেবা প্রদান। ক্যানুলা, ক্যাথেটার, ইনজেকশন, এন.জি. টিউব, ড্রেসিংসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা কার্যক্রম হোম কেয়ার হিসেবে। বয়স্ক ও বিশেষ রোগীদের জন্য বিশেষ যত্ন ও চিকিৎসা। ১০০% নিরাপদ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেবা নিশ্চিত। দ্রুত ও মানসম্মত সেবা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ। ৩. চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সেবা BMDC রেজিস্টার্ড এমবিবিএস এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তার (FCPS/MD) দের সাথে সরাসরি সংযুক্ত। ঢাকার নামকরা হাসপাতালের ডাক্তারদের চেম্বারের মাধ্যমে রোগীদের নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা পরামর্শ। ২৪/৭ নিবেদিত কাস্টমার কেয়ার সাপোর্ট। প্রোপাইটর ও প্রতিষ্ঠাতার পরিচিতি তৌফিক সুলতান - যিনি একজন প্যারামেডিক্স বিশেষজ্ঞ ও ইন্টার্ন হিসেবে ঢাকা মেডিকেল ইনস্টিটিউট এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি, মেডিসিন ও সার্জারি আউটডোর বিভাগে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তার পেশাদার দক্ষতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আল তৌফিকী ফার্মেসিকে বিশেষ ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে। তিনি ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা ও অনলাইন মেডিকেল কনসাল্টেশন সেবা প্রসারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও লক্ষ্য মুসলিম অনলাইন ফার্মেসি ও পরামর্শ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা। আল তৌফিকী মডেল ফার্মেসি স্থাপন এবং উন্নয়ন। দেশের বিভিন্ন স্থানে শাখা বিস্তার। স্বাস্থ্যসেবা ও ডিজিটাল সেবা একত্রিত করে রোগীদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত। স্বাস্থ্যসেবা খাতে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ। আমাদের শক্তি ও বিশেষত্ব বৃহৎ ও অভিজ্ঞ মেডিকেল টিম। ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে সহজ ও দ্রুত পরামর্শ। বিকাশ ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেম সম্পৃক্ত। রোগীর আরাম ও নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রতিটি সেবায় স্বাস্থ্যবিধি ও গুণগত মান বজায় রাখা। সর্বদা গ্রাহকসেবা প্রাধান্য। যোগাযোগের ঠিকানা ও সময় ঠিকানা: নরোত্তমপুর, বারিষাব, কাপাসিয়া, গাজীপুর — ১৭৪৩ মোবাইল: ০১৩০১৪৮৩৮৩৩ অফিস সময়: সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত (প্রয়োজনে জরুরি সেবা ২৪/৭) আল তৌফিকী ফার্মেসি এন্ড কনসাল্টটেন্ট হলো আপনার স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসার বিশ্বস্ত সঙ্গী, যেখানে আধুনিক প্রযুক্তি ও মানবিক যত্ন একসাথে মিশে রোগীদের জীবনে সুস্থতা ও শান্তি নিয়ে আসে।
    Like
    2
    0 Comments 3 Shares 16K Views 1 Reviews
Eidok https://eidok.com