• আজ কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান সাংবাদিক আদিত্য শাহীনের জন্মদিন ।

    জাকির হোসেন।। আজ ৪ই সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার। কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান সাংবাদিক আদিত্য শাহীনের জন্মদিন আজ । ১৯৭৬ সালের এ দিনে কুষ্টিয়া শহরতলীর চৌড়হাসে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মৃত মুন্সী খলিল উদ্দীন ও মা আছিয়া বেগমের পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি তৃতীয়।

    আদিত্য ১৯৯১ সালে কুষ্টিয়া জেলা স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি, ১৯৯৩ সালে কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি, কুষ্টিয়া সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাংলা বিভাগ থেকে ২০০০ সালে অনার্স ও ২০০১ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

    আদিত্য শাহীন ছাত্রাবস্থায় ১৯৯৩ সালে কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক সূত্রপাত’ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক পদে যোগদানের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এর পর কাজের ধারাবাহিকতায় ১৯৯৬ সালে ‘দৈনিক আন্দোলনের বাজার’র বার্তা সম্পাদক, ২০০০ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক খোলা কাগজের’ বার্তা সম্পাদক, ২০০৩ সালে ‘দৈনিক পত্রিকা’র নির্বাহী সম্পাদক ও একই বছরের মে মাসে বেসরকারি টিভি ‘চ্যানেল আই’ এ ন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জ ও প্রোগ্রাম রিসার্চচার হিসেবে যোগ দেন। ওই সময় তিনি চ্যানেল আইয়ের ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠানের গবেষণা ও পাণ্ডলিপি লেখার দায়িত্ব পালন করতেন। বর্তমানে একই প্রতিষ্ঠানে তিনি বার্তা সম্পাদক পদে কর্মরত।

    এ সাংবাদিক ১৯৯০ সাল থেকে বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখালেখি শুরু করেন। ২০০৭ সালে তার লেখা শিশুতোষ গ্রন্থ ‘ভেবলুর গালিভার’, ২০১০ সালে কাব্যগ্রন্থ ‘ওগো মোর দেহপ্রভু’ প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া তার সম্পাদিত অনেক বইও প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- শাইখ সিরাজের জীবন ও কর্ম নিয়ে ‘সান অব দ্য সয়েল’, রাজনীতিবিদ সাইফুদ্দিন আহমেদের জীবন ও কর্ম নিয়ে স্মারক গ্রন্থ, চ্যানেল আইয়ের ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠান নিয়ে সারাদেশের দর্শকদের নিবন্ধনের সংকলন ‘জনভাষ্য’ এর ১ থেকে ৬টি খণ্ড সম্পাদনা। পাশাপাশি ১৯৯০ সালে লিটল ম্যাগাজিন ‘নিরীখ’ ও ১৯৯২ সালে ‘ছড়াপত্র ডিনামাইট’ এর সম্পাদনাও করেন।

    আদিত্য মাসিক সমালোচনাপত্র ‘ক্রিটিক’ ও নারী প্রগতির ত্রৈমাসিক ‘পারি’ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    আদিত্য শাহীন ২০০৪ সালের ৬ ডিসেম্বর লায়লা খালেদার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক। তার সহধর্মিণী লায়লা ‘ক্রিটিক’ ও ‘পারি’ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক পদে কর্মরত।

    আদিত্য শাহীনের পছন্দের রং ক্রিম ও ফুল গোলাপ। খেতে ভালবাসেন সব ধরনের দেশী খাবার। আর অবসরে তিনি ছবি আঁকতে ও লেখালেখি করতেই পছন্দ করেন।

    তিনি সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য ১৯৯৬ সালে কুষ্টিয়ার অনিকস একাডেমির ‘শ্রেষ্ঠ তরুণ সাংবাদিক’ পুরস্কার পান।

    জন্মদিনে জানাই শুভ কামনা।
    আজ কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান সাংবাদিক আদিত্য শাহীনের জন্মদিন । জাকির হোসেন।। আজ ৪ই সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার। কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান সাংবাদিক আদিত্য শাহীনের জন্মদিন আজ । ১৯৭৬ সালের এ দিনে কুষ্টিয়া শহরতলীর চৌড়হাসে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মৃত মুন্সী খলিল উদ্দীন ও মা আছিয়া বেগমের পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি তৃতীয়। আদিত্য ১৯৯১ সালে কুষ্টিয়া জেলা স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি, ১৯৯৩ সালে কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি, কুষ্টিয়া সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাংলা বিভাগ থেকে ২০০০ সালে অনার্স ও ২০০১ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। আদিত্য শাহীন ছাত্রাবস্থায় ১৯৯৩ সালে কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক সূত্রপাত’ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক পদে যোগদানের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এর পর কাজের ধারাবাহিকতায় ১৯৯৬ সালে ‘দৈনিক আন্দোলনের বাজার’র বার্তা সম্পাদক, ২০০০ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক খোলা কাগজের’ বার্তা সম্পাদক, ২০০৩ সালে ‘দৈনিক পত্রিকা’র নির্বাহী সম্পাদক ও একই বছরের মে মাসে বেসরকারি টিভি ‘চ্যানেল আই’ এ ন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জ ও প্রোগ্রাম রিসার্চচার হিসেবে যোগ দেন। ওই সময় তিনি চ্যানেল আইয়ের ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠানের গবেষণা ও পাণ্ডলিপি লেখার দায়িত্ব পালন করতেন। বর্তমানে একই প্রতিষ্ঠানে তিনি বার্তা সম্পাদক পদে কর্মরত। এ সাংবাদিক ১৯৯০ সাল থেকে বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখালেখি শুরু করেন। ২০০৭ সালে তার লেখা শিশুতোষ গ্রন্থ ‘ভেবলুর গালিভার’, ২০১০ সালে কাব্যগ্রন্থ ‘ওগো মোর দেহপ্রভু’ প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া তার সম্পাদিত অনেক বইও প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- শাইখ সিরাজের জীবন ও কর্ম নিয়ে ‘সান অব দ্য সয়েল’, রাজনীতিবিদ সাইফুদ্দিন আহমেদের জীবন ও কর্ম নিয়ে স্মারক গ্রন্থ, চ্যানেল আইয়ের ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠান নিয়ে সারাদেশের দর্শকদের নিবন্ধনের সংকলন ‘জনভাষ্য’ এর ১ থেকে ৬টি খণ্ড সম্পাদনা। পাশাপাশি ১৯৯০ সালে লিটল ম্যাগাজিন ‘নিরীখ’ ও ১৯৯২ সালে ‘ছড়াপত্র ডিনামাইট’ এর সম্পাদনাও করেন। আদিত্য মাসিক সমালোচনাপত্র ‘ক্রিটিক’ ও নারী প্রগতির ত্রৈমাসিক ‘পারি’ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আদিত্য শাহীন ২০০৪ সালের ৬ ডিসেম্বর লায়লা খালেদার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক। তার সহধর্মিণী লায়লা ‘ক্রিটিক’ ও ‘পারি’ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক পদে কর্মরত। আদিত্য শাহীনের পছন্দের রং ক্রিম ও ফুল গোলাপ। খেতে ভালবাসেন সব ধরনের দেশী খাবার। আর অবসরে তিনি ছবি আঁকতে ও লেখালেখি করতেই পছন্দ করেন। তিনি সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য ১৯৯৬ সালে কুষ্টিয়ার অনিকস একাডেমির ‘শ্রেষ্ঠ তরুণ সাংবাদিক’ পুরস্কার পান। জন্মদিনে জানাই শুভ কামনা।
    0 Comentários 0 Compartilhamentos 10K Visualizações 0 Avaliações
  • হাজারো জনতার উপস্থিতিতে দূর্বৃর্ত্তদের হাতে খুন হওয়া নজরুল ইসলাম( নজির) এর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়,

    রিপোর্ট : খায়রুল ইসলাম সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

    জানাযায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা সহ আরো অনেকে,,,,,

    গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়ন এর শিতল গ্রামের, মুত্য তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম নজির ৩২ কে, ১৬/৮/২০২৫ আনুমানিক রাত্র ১১ঘটিকার সময় শিতল গ্রাম বাজার নিজের বিকাশের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে আগে থেকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুরবৃর্ত্তরা,,সরেজমিনে তদন্ত করে জানাযায় পুর্বের কিছু শত্রুরা এই খুনের সাথে জরিত থাকতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে,, কেননা কিছু দিন আগে তার দোকান চুরি এবং হ্যাকারদের সাথে দন্দে জরিয়ে পরেন তিনি,জানিয়েছেন এলাকা বাসি,শুধু তাই নয় আজ কয়েকদিন হলো মোবাইল ফোনে মেরে ফেলার হুমকিও দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বজরা,,
    খুন হওয়া নজরুলের ৩ ভাইয়ের মধ্য তিনিই ছোট ছিলেন, তার এক ছেলে এবং এক মেয়ে,মেয়ের বয়স আনুমানিক ১০, বছর এবং ছেলের বয়স ৪ বছর,, বাড়িতে শোকের ছায়া বইছে,,,
    এলাকাবাসীর দাবি একটাই, খুনিদেন ধরে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যাবস্থা করা হোক,,এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেফতার হয়নি৷,
    এ ব্যাপারে থানার ওসি বুল বুল সাহেবের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান,আমরা এ ব্যাপারে সঠিক তদন্ত করে আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছি,,,
    খুন হওয়া নজরুল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গসংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন গোবিন্দগঞ্জ থানার নাকাই ইউনিয়নের শীতলগ্রাম ওয়ার্ডের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গিয়েছে,,,
    এবং শিতল গ্রাম বাজারে বিকাশ ব্যাবসা করতেন বলে জানিয়েছেন,,,
    হাজারো জনতার উপস্থিতিতে দূর্বৃর্ত্তদের হাতে খুন হওয়া নজরুল ইসলাম( নজির) এর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়, রিপোর্ট : খায়রুল ইসলাম সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার জানাযায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা সহ আরো অনেকে,,,,, গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়ন এর শিতল গ্রামের, মুত্য তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম নজির ৩২ কে, ১৬/৮/২০২৫ আনুমানিক রাত্র ১১ঘটিকার সময় শিতল গ্রাম বাজার নিজের বিকাশের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে আগে থেকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুরবৃর্ত্তরা,,সরেজমিনে তদন্ত করে জানাযায় পুর্বের কিছু শত্রুরা এই খুনের সাথে জরিত থাকতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে,, কেননা কিছু দিন আগে তার দোকান চুরি এবং হ্যাকারদের সাথে দন্দে জরিয়ে পরেন তিনি,জানিয়েছেন এলাকা বাসি,শুধু তাই নয় আজ কয়েকদিন হলো মোবাইল ফোনে মেরে ফেলার হুমকিও দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বজরা,, খুন হওয়া নজরুলের ৩ ভাইয়ের মধ্য তিনিই ছোট ছিলেন, তার এক ছেলে এবং এক মেয়ে,মেয়ের বয়স আনুমানিক ১০, বছর এবং ছেলের বয়স ৪ বছর,, বাড়িতে শোকের ছায়া বইছে,,, এলাকাবাসীর দাবি একটাই, খুনিদেন ধরে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যাবস্থা করা হোক,,এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেফতার হয়নি৷, এ ব্যাপারে থানার ওসি বুল বুল সাহেবের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান,আমরা এ ব্যাপারে সঠিক তদন্ত করে আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছি,,, খুন হওয়া নজরুল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গসংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন গোবিন্দগঞ্জ থানার নাকাই ইউনিয়নের শীতলগ্রাম ওয়ার্ডের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গিয়েছে,,, এবং শিতল গ্রাম বাজারে বিকাশ ব্যাবসা করতেন বলে জানিয়েছেন,,,
    0 Comentários 0 Compartilhamentos 3K Visualizações 0 Avaliações
  • অব্যাবস্থাপনা ও টেস্ট বানিজ্যের আতুরঘর মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, রয়েছে আন্তঃটেন্ডারবাজীর অভিযোগ।

    জাকারিয়া রানা
    জেলা প্রতিনিধি


    মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অত্র এলাকার মানুষ দীর্ঘ দিন যাবত সঠিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপজেলা প্রেস ক্লাবের কিছু সদস্য ১৪ আগস্ট সকাল ১১ ঘটিকায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রশান্ত কুমার সাহার কাছে এই হাসপাতালের অব্যস্থাপনা,অনিয়ম নিয়ে আলোচনা করতে গেলে যা পাওয়া যায় তা শুনে শরীর একেবারে নীল হয়ে যাওয়ার মতো।
    অব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ।।।
    গত ২০২৩ – ২০২৪ অর্থ বছরের জন্য হাসপাতালে রোগীর পথ্য সরবরাহ (খাবার),স্টেশনারি,ধোলাই টেন্ডার হয়েছিল।তার ঠিকাদার ছিল মেসার্স হাজী এন্টারপ্রাইজ প্রোঃ রেজাউল করিম। যার ওয়ার্ক অর্ডার এর মেয়াদ এক বছর যা হিসাব মতে ৩০.০৬.২০২৪ তারিখ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু পর পর তিন অর্থবছর ডায়েট সাপ্লাই করে আসছে এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।যা আজ পর্যন্ত ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছর পর্যন্ত চলমান।

    এ ব্যাপারে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃপ্রশান্ত কুমার সাহা বলেন যে এমন কোন কাগজ পত্র পাইনাই যার জন্য একই ঠিকাদার এত বছর ডায়েট,স্টেশনারি, ধুপির কাজ করিতে পারে। তবে এটা অডিট আপত্তি যোগ্য বলে আমি মনে করি।

    পটুয়াখালী জেলার সিভিল সার্জন জনাব ডাঃ খালেদুর রহমান মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছু জানিনা তবে সব কিছু জেনে জানাবো।

    নাম না জানানোর শর্তে এই হাসপাতালের এক স্টাফ জানান ২০২৪ সালের জুন মাসে যখন পুনরায় টেন্ডার হওয়ার কথা তখন টেন্ডারের ব্যাপারে ঘরোয়া পরিবেশে আলোচনা করে সেই সময়ের হেড ক্লার্ক রিয়াজ ও ততকালীন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তেংমং মোটা অংকের বিনিময়ে পুর্বের ঠিকাদার মেসার্স হাজ্বি এন্টারপ্রাইজ কেই কোন নিয়ম নীতি না মেনে সাপ্লাইয়ের ঠিকাদার নিয়োগ দেন, যা আজ পর্যন্ত চলমান।এই টেন্ডার দুর্নীতির সাথে ততকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বক্কর জড়িত ছিল বলে জনমনে শোনা যায়।
    মির্জাগঞ্জ উপজেলাস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসার সেবার মান সন্তশজনক নয়। এই হাসপাতালের ভিতরেই সরকারি দালাল বিদ্দমান যা একেবারেই নোংরামি বই কিছুই না। রোগী চিকিৎসকের কাছে ইচ্ছামত যেতে পারে না। বাসস্টপেজের মত টানাটানির এই ডাক্তারের কাছে আসেন, আর জন ও এই রকম।

    তারপর শুরু হয় কোন ডায়াগনস্টিক এ পাঠাবে তা নিয়া প্রতিযোগিতা।

    ২০২২ সালে সরকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটা রুল জারি করছিল যে, সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে দুই কিলোমিটারের মধ্যে কোন ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার থাকতে পারবে না এতে করে সেবার মান রক্ষা করা যায় না।

    কিন্তু মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পেলেক্স এর চিত্র ভিন্ন।

    হাসপাতালের ওয়ালের ১০ হাতের মধ্যেই তিনটি প্রতিষ্ঠান পাওয়া যায়।যা সিভিল সার্জন ও টি এইচের পরিদর্শনে ই অনুমোদীত। আবার ডাক্তার ও রোগী যেতে যেন কোন বেগ পেতে না হয় তার জন্য হাসপাতালের কোয়াটারের ভিতর থেকে ওয়াল ভেংগে ডায়াগনস্টিক মালিক রা পথ করে নিয়াছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দ্দেশ মোতাবেক সমগ্র বাংলাদেশে ৫০ টি হাসপাতালে বৈকালিন প্রাক্টিস চালু থাকার অনুমোদন দিয়াছে। তবে সেই তালিকায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পলেক্স এর নাম না থাকলেও বিকালে এখানে সকল ডাক্তারদের চেম্বার বস। শুরু হয় টানাটানি ভাল ডাক্তার ওমুকে এই মিছিল যাতে রোগী রা বিচলিত হয়।কয়েকটি চেম্বারে ডাক্তার প্রাক্টিস করে প্রায় দুর্নীতির সর্গরাজ্যে পরিনত করেছে। তারা গরীব রোগীদের নিকট হতে ভিজিট ও কমিশনের জন্য অতিরিক্ত টেস্ট চাপিয়ে পাসের ডায়াবেটিস এর দালালের হাতে ধরিয়ে দেয়।

    অত্র হাসপাতালে রোগীদের জন্য সরকার কর্তৃক বিনামূল্যে সরবরাহকৃত ঔষধের ঠিক মত ডিস্টিভিউশন হচ্ছে না।

    রোগীদের সাথে হাসপাতালের প্রায় সকল স্টাফদের মার্জিত আচরণ করে না।এজন্য প্রয়োজনে ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য স্টাফদের এ বিষয়ে নিয়মিত কাউন্সিলের ব্যবস্থা করা।
    হাসপাতালের প্যাথলজি ও রেডিওলজি বিভাগ ২৪ ঘন্টা খোলা থাকলেও এখানে কোন টেস্ট করানো হয় না।
    অত্র হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য দক্ষ স্টাফদের সংকট বিদ্দমান।

    এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সজনদের সাথে আলোচনা করে যা বোঝা গেল তাতে যা মনে হয় তাতে সরকারি চাকরী বিধিমালা অনুযায়ী যাহারা অত্র হাসপাতালে নির্দিষ্ট সময়ের অধিক সময় কর্মরত আছেন, তাদেরকে অনতিবিলম্বে বদলি করে নতুনদের যায়গা করে দেওয়া। নতুন রা আসলে সেবার মান বৃদ্ধি পাবে।
    হাসপাতালের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খুবই খারাপ। রোগীদের নিরাপত্তার লক্ষে হাসপাতালের আইন শৃঙ্খলার উন্নতি করতে হাসপাতালে প্রয়োজনীয় উন্নতমানের সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা সেবার মান বৃদ্ধি পাবে।

    হাসপাতাল থেকে সকল ধরণের সিন্ডিকেট ও রোগী হয়রানি বন্ধ করে অত্র হাসপাতালকে শতভাগ দালাল মুক্ত বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হলে সেবার মান বৃদ্ধি পাবে বলে সেবা গৃহীতাদের মন্তব্য।

    এখানে অপারেশন থিয়েটার চলমান কিন্তু কোন অপারেশন এখানে হয় না।
    অব্যাবস্থাপনা ও টেস্ট বানিজ্যের আতুরঘর মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, রয়েছে আন্তঃটেন্ডারবাজীর অভিযোগ। জাকারিয়া রানা জেলা প্রতিনিধি মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অত্র এলাকার মানুষ দীর্ঘ দিন যাবত সঠিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপজেলা প্রেস ক্লাবের কিছু সদস্য ১৪ আগস্ট সকাল ১১ ঘটিকায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রশান্ত কুমার সাহার কাছে এই হাসপাতালের অব্যস্থাপনা,অনিয়ম নিয়ে আলোচনা করতে গেলে যা পাওয়া যায় তা শুনে শরীর একেবারে নীল হয়ে যাওয়ার মতো। অব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ।।। গত ২০২৩ – ২০২৪ অর্থ বছরের জন্য হাসপাতালে রোগীর পথ্য সরবরাহ (খাবার),স্টেশনারি,ধোলাই টেন্ডার হয়েছিল।তার ঠিকাদার ছিল মেসার্স হাজী এন্টারপ্রাইজ প্রোঃ রেজাউল করিম। যার ওয়ার্ক অর্ডার এর মেয়াদ এক বছর যা হিসাব মতে ৩০.০৬.২০২৪ তারিখ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু পর পর তিন অর্থবছর ডায়েট সাপ্লাই করে আসছে এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।যা আজ পর্যন্ত ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছর পর্যন্ত চলমান। এ ব্যাপারে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃপ্রশান্ত কুমার সাহা বলেন যে এমন কোন কাগজ পত্র পাইনাই যার জন্য একই ঠিকাদার এত বছর ডায়েট,স্টেশনারি, ধুপির কাজ করিতে পারে। তবে এটা অডিট আপত্তি যোগ্য বলে আমি মনে করি। পটুয়াখালী জেলার সিভিল সার্জন জনাব ডাঃ খালেদুর রহমান মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছু জানিনা তবে সব কিছু জেনে জানাবো। নাম না জানানোর শর্তে এই হাসপাতালের এক স্টাফ জানান ২০২৪ সালের জুন মাসে যখন পুনরায় টেন্ডার হওয়ার কথা তখন টেন্ডারের ব্যাপারে ঘরোয়া পরিবেশে আলোচনা করে সেই সময়ের হেড ক্লার্ক রিয়াজ ও ততকালীন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তেংমং মোটা অংকের বিনিময়ে পুর্বের ঠিকাদার মেসার্স হাজ্বি এন্টারপ্রাইজ কেই কোন নিয়ম নীতি না মেনে সাপ্লাইয়ের ঠিকাদার নিয়োগ দেন, যা আজ পর্যন্ত চলমান।এই টেন্ডার দুর্নীতির সাথে ততকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বক্কর জড়িত ছিল বলে জনমনে শোনা যায়। মির্জাগঞ্জ উপজেলাস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসার সেবার মান সন্তশজনক নয়। এই হাসপাতালের ভিতরেই সরকারি দালাল বিদ্দমান যা একেবারেই নোংরামি বই কিছুই না। রোগী চিকিৎসকের কাছে ইচ্ছামত যেতে পারে না। বাসস্টপেজের মত টানাটানির এই ডাক্তারের কাছে আসেন, আর জন ও এই রকম। তারপর শুরু হয় কোন ডায়াগনস্টিক এ পাঠাবে তা নিয়া প্রতিযোগিতা। ২০২২ সালে সরকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটা রুল জারি করছিল যে, সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে দুই কিলোমিটারের মধ্যে কোন ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার থাকতে পারবে না এতে করে সেবার মান রক্ষা করা যায় না। কিন্তু মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পেলেক্স এর চিত্র ভিন্ন। হাসপাতালের ওয়ালের ১০ হাতের মধ্যেই তিনটি প্রতিষ্ঠান পাওয়া যায়।যা সিভিল সার্জন ও টি এইচের পরিদর্শনে ই অনুমোদীত। আবার ডাক্তার ও রোগী যেতে যেন কোন বেগ পেতে না হয় তার জন্য হাসপাতালের কোয়াটারের ভিতর থেকে ওয়াল ভেংগে ডায়াগনস্টিক মালিক রা পথ করে নিয়াছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দ্দেশ মোতাবেক সমগ্র বাংলাদেশে ৫০ টি হাসপাতালে বৈকালিন প্রাক্টিস চালু থাকার অনুমোদন দিয়াছে। তবে সেই তালিকায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পলেক্স এর নাম না থাকলেও বিকালে এখানে সকল ডাক্তারদের চেম্বার বস। শুরু হয় টানাটানি ভাল ডাক্তার ওমুকে এই মিছিল যাতে রোগী রা বিচলিত হয়।কয়েকটি চেম্বারে ডাক্তার প্রাক্টিস করে প্রায় দুর্নীতির সর্গরাজ্যে পরিনত করেছে। তারা গরীব রোগীদের নিকট হতে ভিজিট ও কমিশনের জন্য অতিরিক্ত টেস্ট চাপিয়ে পাসের ডায়াবেটিস এর দালালের হাতে ধরিয়ে দেয়। অত্র হাসপাতালে রোগীদের জন্য সরকার কর্তৃক বিনামূল্যে সরবরাহকৃত ঔষধের ঠিক মত ডিস্টিভিউশন হচ্ছে না। রোগীদের সাথে হাসপাতালের প্রায় সকল স্টাফদের মার্জিত আচরণ করে না।এজন্য প্রয়োজনে ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য স্টাফদের এ বিষয়ে নিয়মিত কাউন্সিলের ব্যবস্থা করা। হাসপাতালের প্যাথলজি ও রেডিওলজি বিভাগ ২৪ ঘন্টা খোলা থাকলেও এখানে কোন টেস্ট করানো হয় না। অত্র হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য দক্ষ স্টাফদের সংকট বিদ্দমান। এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সজনদের সাথে আলোচনা করে যা বোঝা গেল তাতে যা মনে হয় তাতে সরকারি চাকরী বিধিমালা অনুযায়ী যাহারা অত্র হাসপাতালে নির্দিষ্ট সময়ের অধিক সময় কর্মরত আছেন, তাদেরকে অনতিবিলম্বে বদলি করে নতুনদের যায়গা করে দেওয়া। নতুন রা আসলে সেবার মান বৃদ্ধি পাবে। হাসপাতালের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খুবই খারাপ। রোগীদের নিরাপত্তার লক্ষে হাসপাতালের আইন শৃঙ্খলার উন্নতি করতে হাসপাতালে প্রয়োজনীয় উন্নতমানের সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা সেবার মান বৃদ্ধি পাবে। হাসপাতাল থেকে সকল ধরণের সিন্ডিকেট ও রোগী হয়রানি বন্ধ করে অত্র হাসপাতালকে শতভাগ দালাল মুক্ত বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হলে সেবার মান বৃদ্ধি পাবে বলে সেবা গৃহীতাদের মন্তব্য। এখানে অপারেশন থিয়েটার চলমান কিন্তু কোন অপারেশন এখানে হয় না।
    Yay
    1
    0 Comentários 0 Compartilhamentos 5K Visualizações 0 Avaliações
  • মাল নাই, বডির দাম নাই — বাকি সব মিথ্যা ঝকঝকে!

    শুধু বাহারের ঝলক দেখে কী লাভ?
    যদি ভিতর থেকে বাজে ফাঁকা কলসির মতো শব্দ,
    তাহলে সেই দেহের কী মূল্য?

    জীবন এক নির্মম পাঠশালা,
    যেখানে থেমে থাকা নিষিদ্ধ।
    যেখানে পা ঠেকবে, যেখানে দাঁড়াবো,
    যেখানে চোখ পড়বে—সেখান থেকেই শিখতে হবে!

    কারণ সত্যিকারের জ্ঞান বইয়ের পাতায় নয়,
    লুকিয়ে থাকে জীবনের প্রতিটি ধাক্কা,
    প্রতিটি আঘাত, প্রতিটি অভিজ্ঞতার ভেতরে।

    — সুমন
    মাল নাই, বডির দাম নাই — বাকি সব মিথ্যা ঝকঝকে! শুধু বাহারের ঝলক দেখে কী লাভ? যদি ভিতর থেকে বাজে ফাঁকা কলসির মতো শব্দ, তাহলে সেই দেহের কী মূল্য? জীবন এক নির্মম পাঠশালা, যেখানে থেমে থাকা নিষিদ্ধ। যেখানে পা ঠেকবে, যেখানে দাঁড়াবো, যেখানে চোখ পড়বে—সেখান থেকেই শিখতে হবে! কারণ সত্যিকারের জ্ঞান বইয়ের পাতায় নয়, লুকিয়ে থাকে জীবনের প্রতিটি ধাক্কা, প্রতিটি আঘাত, প্রতিটি অভিজ্ঞতার ভেতরে। — সুমন
    0 Comentários 0 Compartilhamentos 4K Visualizações 0 Avaliações
  • আলোকিত মানুষ গড়ার এক নীরব বিপ্লব
    নিঃশব্দ গ্রামীণ প্রান্তরের বুকে গোপনে এগিয়ে চলেছে এক অসাধারণ বিপ্লব—মানুষ গড়ার বিপ্লব। গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার চর খিরাটির মতো তুলনামূলক পশ্চাদপদ একটি গ্রামে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে গড়ে ওঠা পাঠাগারটি যেন সেই বিপ্লবের নীরব সূতিকাগার। কলেজে যাওয়ার পথে হঠাৎ চোখে পড়া একটি ছোট্ট বোর্ড—"বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠাগার"—আমার ভাবনার জগতে আলোড়ন তোলে। কৌতূহল আমাকে টেনে নেয় পাঠাগারের সামনে, আর সেখানেই শুরু হয় নতুন এক আত্মিক যাত্রা।
    পাঠাগারে প্রবেশ করেই চোখে পড়ে যে আন্তরিক পরিবেশ ও মানুষগুলোর উষ্ণতা, তা যেন গ্রামের সাধারণত নির্জন জীবনে এক অপার্থিব স্পর্শ এনে দেয়। বিশেষ করে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জনাব জাকারিয়া জামান ভাইয়ের উপস্থিতি এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আমার হৃদয়কে গভীরভাবে নাড়া দেয়। তিনি কেবল পেশাদার নন—তিনি একজন আদর্শ সামাজিক রূপান্তরকামী মানুষ, যিনি পাঠাগারকে শুধুই বইয়ের কেন্দ্র নয়, বরং নেতৃত্ব, চিন্তা ও মূল্যবোধের এক বিকাশকেন্দ্র হিসেবে ভাবেন।
    এই পাঠাগার কেবল একটি পাঠ স্থান নয়, এটি যেন এক মানবিক প্ল্যাটফর্ম—যেখানে শিশু-কিশোরদের জন্য গল্পের বই, শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্য ও সহপাঠ্য বই এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ইতিহাস, সাহিত্য, ধর্ম ও আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের বিস্তৃত সংগ্রহ রয়েছে। সবচেয়ে অনন্য বিষয় হলো—এই পাঠাগারে বই পড়ার জন্য টাকার প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন কেবল আগ্রহ আর মননশীল সময়।
    পাঠাগারের নিয়মিত আয়োজনগুলো যেমন—পাঠচক্র, আবৃত্তি কর্মশালা, বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, প্রবন্ধ পাঠ—এসব আয়োজন শিশুদের জ্ঞানের পাশাপাশি নৈতিকতা, শুদ্ধ ভাষাচর্চা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে এক অসাধারণ ভূমিকা রাখছে। গ্রামীণ সমাজে যেখানে একটি ভালো শিক্ষকের অভাবেই অনেক সম্ভাবনা ঝরে যায়, সেখানে এই পাঠাগার যেন সেই সম্ভাবনাগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠছে।
    আমি যখন নিবন্ধন ফরম পূরণ করছিলাম, মনে হচ্ছিল আমি যেন এক নতুন আত্মিক জন্ম নিচ্ছি—আবার ফিরে আসছি বইয়ের জগতে, জ্ঞানের রাজ্যে। আমি কেবল পাঠক হিসেবে নয়, একজন সংগঠক ও শুভসংঘের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবেও এই মানবিক বিপ্লবে যুক্ত থাকার সংকল্প করেছি। একজন শিক্ষক হিসেবে আমার দায়িত্ব শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—সমাজ গড়ার প্রতিটি প্রয়াসে যুক্ত হওয়াই আমার সত্যিকারের পরিচয়।
    আমার স্বপ্ন, এই পাঠাগারকে কেন্দ্র করে একদিন গড়ে উঠবে একটি শক্তিশালী গ্রামীণ পাঠচর্চা আন্দোলন—যার মাধ্যমে কাপাসিয়া হবে এক আলোকিত বাংলাদেশ গড়ার মডেল। স্কুলপড়ুয়া শিশু থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণী ও প্রবীণ ব্যক্তিরাও এখানে খুঁজে পাবেন জ্ঞান, স্মৃতি, ও অনুপ্রেরণার আশ্রয়। গবেষণা, সাহিত্য সন্ধ্যা, স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল লার্নিং—এই পাঠাগার একে একে সেই সব দিগন্ত উন্মোচন করছে।
    এই নিঃশব্দ বিপ্লবটি প্রমাণ করে—একটি বই, একটি পাঠাগার, এবং একজন দায়বদ্ধ মানুষ বদলে দিতে পারে একটি অঞ্চল, একটি সমাজ, এমনকি একটি জাতির ভবিষ্যৎ। চর খিরাটির এই পাঠাগার তাই শুধু একটি স্থাপনা নয়; এটি হচ্ছে নেতৃত্ব, মানবিকতা ও মূল্যবোধ গঠনের এক আলোকিত সূতিকাগার।
    মালালা ইউসুফজাই যেমন বলেছেন,
    “একটি বই, একটি শিশু, একজন শিক্ষক এবং একটি কলম—এই চারটি জিনিসই বদলে দিতে পারে পুরো পৃথিবী।”
    এই বিশ্বাসকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছে বসুন্ধরা শুভসংঘের এই পাঠাগার। আমি বিশ্বাস করি—এই পাঠাগার একদিন হয়ে উঠবে বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামীণ পাঠানুরাগীর আত্মিক ঠিকানা।


    তৌফিক সুলতান-প্রভাষক, ব্রেভ জুবিল্যান্ট স্কলার্স অফ মনোহরদী মডেল কলেজ (বি জে এস এম মডেল কলেজ), মনোহরদী, নরসিংদী।
    সদস্য, বসুন্ধরা শুভসংঘ (চর খিরাটি পাঠাগার)
    towfiqsultan.help@gmail.com
    01301483833
    আলোকিত মানুষ গড়ার এক নীরব বিপ্লব নিঃশব্দ গ্রামীণ প্রান্তরের বুকে গোপনে এগিয়ে চলেছে এক অসাধারণ বিপ্লব—মানুষ গড়ার বিপ্লব। গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার চর খিরাটির মতো তুলনামূলক পশ্চাদপদ একটি গ্রামে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে গড়ে ওঠা পাঠাগারটি যেন সেই বিপ্লবের নীরব সূতিকাগার। কলেজে যাওয়ার পথে হঠাৎ চোখে পড়া একটি ছোট্ট বোর্ড—"বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠাগার"—আমার ভাবনার জগতে আলোড়ন তোলে। কৌতূহল আমাকে টেনে নেয় পাঠাগারের সামনে, আর সেখানেই শুরু হয় নতুন এক আত্মিক যাত্রা। পাঠাগারে প্রবেশ করেই চোখে পড়ে যে আন্তরিক পরিবেশ ও মানুষগুলোর উষ্ণতা, তা যেন গ্রামের সাধারণত নির্জন জীবনে এক অপার্থিব স্পর্শ এনে দেয়। বিশেষ করে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জনাব জাকারিয়া জামান ভাইয়ের উপস্থিতি এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আমার হৃদয়কে গভীরভাবে নাড়া দেয়। তিনি কেবল পেশাদার নন—তিনি একজন আদর্শ সামাজিক রূপান্তরকামী মানুষ, যিনি পাঠাগারকে শুধুই বইয়ের কেন্দ্র নয়, বরং নেতৃত্ব, চিন্তা ও মূল্যবোধের এক বিকাশকেন্দ্র হিসেবে ভাবেন। এই পাঠাগার কেবল একটি পাঠ স্থান নয়, এটি যেন এক মানবিক প্ল্যাটফর্ম—যেখানে শিশু-কিশোরদের জন্য গল্পের বই, শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্য ও সহপাঠ্য বই এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ইতিহাস, সাহিত্য, ধর্ম ও আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের বিস্তৃত সংগ্রহ রয়েছে। সবচেয়ে অনন্য বিষয় হলো—এই পাঠাগারে বই পড়ার জন্য টাকার প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন কেবল আগ্রহ আর মননশীল সময়। পাঠাগারের নিয়মিত আয়োজনগুলো যেমন—পাঠচক্র, আবৃত্তি কর্মশালা, বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, প্রবন্ধ পাঠ—এসব আয়োজন শিশুদের জ্ঞানের পাশাপাশি নৈতিকতা, শুদ্ধ ভাষাচর্চা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে এক অসাধারণ ভূমিকা রাখছে। গ্রামীণ সমাজে যেখানে একটি ভালো শিক্ষকের অভাবেই অনেক সম্ভাবনা ঝরে যায়, সেখানে এই পাঠাগার যেন সেই সম্ভাবনাগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠছে। আমি যখন নিবন্ধন ফরম পূরণ করছিলাম, মনে হচ্ছিল আমি যেন এক নতুন আত্মিক জন্ম নিচ্ছি—আবার ফিরে আসছি বইয়ের জগতে, জ্ঞানের রাজ্যে। আমি কেবল পাঠক হিসেবে নয়, একজন সংগঠক ও শুভসংঘের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবেও এই মানবিক বিপ্লবে যুক্ত থাকার সংকল্প করেছি। একজন শিক্ষক হিসেবে আমার দায়িত্ব শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—সমাজ গড়ার প্রতিটি প্রয়াসে যুক্ত হওয়াই আমার সত্যিকারের পরিচয়। আমার স্বপ্ন, এই পাঠাগারকে কেন্দ্র করে একদিন গড়ে উঠবে একটি শক্তিশালী গ্রামীণ পাঠচর্চা আন্দোলন—যার মাধ্যমে কাপাসিয়া হবে এক আলোকিত বাংলাদেশ গড়ার মডেল। স্কুলপড়ুয়া শিশু থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণী ও প্রবীণ ব্যক্তিরাও এখানে খুঁজে পাবেন জ্ঞান, স্মৃতি, ও অনুপ্রেরণার আশ্রয়। গবেষণা, সাহিত্য সন্ধ্যা, স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল লার্নিং—এই পাঠাগার একে একে সেই সব দিগন্ত উন্মোচন করছে। এই নিঃশব্দ বিপ্লবটি প্রমাণ করে—একটি বই, একটি পাঠাগার, এবং একজন দায়বদ্ধ মানুষ বদলে দিতে পারে একটি অঞ্চল, একটি সমাজ, এমনকি একটি জাতির ভবিষ্যৎ। চর খিরাটির এই পাঠাগার তাই শুধু একটি স্থাপনা নয়; এটি হচ্ছে নেতৃত্ব, মানবিকতা ও মূল্যবোধ গঠনের এক আলোকিত সূতিকাগার। মালালা ইউসুফজাই যেমন বলেছেন, “একটি বই, একটি শিশু, একজন শিক্ষক এবং একটি কলম—এই চারটি জিনিসই বদলে দিতে পারে পুরো পৃথিবী।” এই বিশ্বাসকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছে বসুন্ধরা শুভসংঘের এই পাঠাগার। আমি বিশ্বাস করি—এই পাঠাগার একদিন হয়ে উঠবে বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামীণ পাঠানুরাগীর আত্মিক ঠিকানা। তৌফিক সুলতান-প্রভাষক, ব্রেভ জুবিল্যান্ট স্কলার্স অফ মনোহরদী মডেল কলেজ (বি জে এস এম মডেল কলেজ), মনোহরদী, নরসিংদী। সদস্য, বসুন্ধরা শুভসংঘ (চর খিরাটি পাঠাগার) towfiqsultan.help@gmail.com 01301483833
    Like
    2
    0 Comentários 0 Compartilhamentos 6K Visualizações 0 Avaliações
  • জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অপরাধ রিপোর্টিং: নিয়ম-কানুন, আইন ও কার্যকর টিপস

    বাংলাদেশের গণমাধ্যমে অপরাধ সংক্রান্ত সংবাদ অনেক গুরুত্ব বহন করে। কারণ অপরাধের খবর জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করে, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে, অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অপরাধের খবর প্রকাশ পেলে তা স্থানীয় প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী। অপরাধ সংক্রান্ত সংবাদ পরিবেশন সঠিকভাবে ও আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    এই আর্টিকেলে আমরা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অপরাধ রিপোর্ট করার নিয়ম-কানুন, আইনগত দিক, সতর্কতা ও কার্যকর টিপস নিয়ে আলোচনা করব। এছাড়া আই নিউজ বিডি এর পক্ষ থেকে এই ধরণের প্রতিবেদনগুলোতে যে প্রত্যাশা রয়েছে সেটিও বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।

    ১. অপরাধ রিপোর্টিং এর গুরুত্ব
    অপরাধ রিপোর্টিং শুধুমাত্র ঘটনা তুলে ধরা নয়; এটি সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি করে, নির্যাতিতদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে সাহায্য করে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অপরাধের সঠিক ও সুষ্ঠু সংবাদ পরিবেশন স্থানীয় মানুষকে আরো সুসংহত সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখে।

    ২. অপরাধ রিপোর্টিং এর আইনি নিয়ম-কানুন
    ২.১ তথ্য সংগ্রহের সতর্কতা
    তথ্য যাচাই: অপরাধের তথ্য সংগ্রহ করার সময় নিশ্চিত হতে হবে তথ্য সঠিক ও নির্ভুল। রাস্তাঘাটে ছড়িয়ে থাকা গুজব বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে রিপোর্ট করা যাবে না।

    সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সর্বদা অফিসিয়াল সূত্র ব্যবহার করুন, যেমন পুলিশ, সরকারি কর্মকর্তা, প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী ইত্যাদি।

    ২.২ ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সম্মান রক্ষা
    অপরাধীর নাম, ছবি, ঠিকানা প্রকাশের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী সতর্ক থাকতে হবে। নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আদালত বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা থেকে অনুমতি নেওয়া জরুরি হতে পারে।

    অপরাধের শিকার বা ভুক্তভোগীদের সম্মান ও গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে।

    অপ্রয়োজনীয় বিবরণ প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে যাতে করে কারো ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়।

    ২.৩ মামলার পর্যায় বিবেচনা
    মামলার বিচারাধীন বিষয় নিয়ে রিপোর্ট করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। যাতে করে মামলার সুষ্ঠু বিচারে প্রভাব না পড়ে বা পক্ষপাতিত্ব না হয়।

    জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া আবশ্যক।

    ২.৪ আইনি বিধিনিষেধ ও নিষেধাজ্ঞা
    দেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও সাংবাদিকতা সংক্রান্ত অন্যান্য আইন সম্পর্কে অবগত থাকা আবশ্যক।

    অবৈধ তথ্য, গুজব বা অপপ্রচার ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে।

    বাকস্বাধীনতার সীমারেখা ও দায়িত্বের মধ্যে থেকে রিপোর্ট করা উচিত।

    ৩. অপরাধ রিপোর্টিং এর প্রাথমিক ধাপসমূহ
    ৩.১ ঘটনা তদন্ত ও তথ্য সংগ্রহ
    ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজের চোখে ঘটনা দেখা।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের থেকে নির্ভুল তথ্য গ্রহণ।

    পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য সংগ্রহ।

    যথাসম্ভব নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য যাচাই।

    ৩.২ রিপোর্ট লেখা ও সংবাদ তৈরি
    সংক্ষিপ্ত ও তথ্যসমৃদ্ধ ভাষায় রিপোর্ট লেখা।

    ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ, সময় ও স্থান উল্লেখ।

    সংযুক্তি হিসেবে ছবি বা ভিডিও থাকলে তা অবশ্যই সত্যতা সম্পন্ন হতে হবে।

    ৩.৩ প্রকাশের আগে যাচাই-বাছাই
    সব তথ্য পুনরায় যাচাই করা।

    অপেক্ষাকৃত নাজুক তথ্য ও বিবরণ প্রকাশের ক্ষেত্রে সম্পাদকের পরামর্শ নেওয়া।

    ৪. জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অপরাধ রিপোর্টিং এর চ্যালেঞ্জ ও সুরক্ষা
    ৪.১ নিরাপত্তা ঝুঁকি
    অপরাধ সংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের সম্মুখীন হতে হতে পারে হুমকি, বাধা ও আক্রমণের সম্ভাবনা।

    তাই নিজ ও পরিবার ও তথ্যসূত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

    ৪.২ আইনি জটিলতা ও বিচারাধীন বিষয়
    আদালতের নির্দেশনা বা আইনগত বিধিনিষেধে সংবাদ প্রতিবেদন সীমাবদ্ধ হতে পারে।

    ৪.৩ তথ্যের অভাব ও গুজব
    সঠিক তথ্য সংগ্রহে সময়সাপেক্ষতা ও উৎস সংকট হতে পারে।

    গুজব ও ভুল তথ্য থেকে বিরত থাকা খুবই জরুরি।

    ৫. কার্যকর অপরাধ রিপোর্টিংয়ের টিপস
    ৫.১ নোট নেওয়া
    ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত ও সঠিক নোট নিতে হবে।

    নাম, স্থান, সময়, সাক্ষীদের নাম ও বক্তব্য স্পষ্ট করতে হবে।

    ৫.২ সাক্ষাৎকার নেওয়া
    সন্দেহভাজন, ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার।

    সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য।

    ৫.৩ দৃশ্যমান প্রমাণ সংগ্রহ
    ছবি, ভিডিও ক্লিপ, সিসিটিভি ফুটেজ ইত্যাদি।

    ৫.৪ নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ
    অপরাধীদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্কতা।

    ভুক্তভোগীদের সম্মান রক্ষা।

    ৫.৫ রিপোর্টে পক্ষপাতিত্ব থেকে বিরত থাকা
    নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন।

    ৬. আই নিউজ বিডি কী চায় অপরাধ রিপোর্টে?
    ৬.১ সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য
    আই নিউজ বিডি প্রত্যাশা করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিবেদনগুলো সর্বদা সত্য ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের উপর ভিত্তি করে হতে হবে। কোনো ধরনের গুজব বা অবিশ্বাস্য তথ্য সংবাদে প্রকাশ করা যাবে না।

    ৬.২ মানবিক ও নৈতিক সাংবাদিকতা
    ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষের সম্মান রক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। সামাজিক সংবেদনশীলতা ও নৈতিকতা সর্বোচ্চ মান বজায় রাখতে হবে।

    ৬.৩ সময়োপযোগী ও নিয়মিত রিপোর্টিং
    ঘটনার সঠিক সময়ে সঠিক প্রতিবেদন পাঠানো জরুরি। আই নিউজ বিডি নিয়মিত আপডেট ও সতর্ক সাংবাদিক চাই।

    ৬.৪ ভিডিও ও মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টিং
    শুধুমাত্র লিখিত প্রতিবেদন নয়, ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে ঘটনাবলী প্রমাণ সহকারে পরিবেশন করতে হবে, যা পাঠক ও দর্শকের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করে।

    ৬.৫ আইনি ও নৈতিকতা মেনে চলা
    সবসময় দেশের আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও সাংবাদিকতা নীতিমালা মেনে চলতে হবে।


    জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অপরাধ সংবাদ পরিবেশন একটি কঠিন ও দায়িত্বশীল কাজ। সঠিক তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই, নিরপেক্ষ ও নৈতিক সাংবাদিকতা এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আই নিউজ বিডি এই দায়িত্ব পালন করতে আগ্রহী, নিষ্ঠাবান ও সতর্ক সাংবাদিকদের পাশে থাকবে এবং তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও নির্দেশনা দেবে।

    সবার সহযোগিতায় আমরা বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে আরো শক্তিশালী ও দৃষ্টান্তমূলক করতে চাই।
    জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অপরাধ রিপোর্টিং: নিয়ম-কানুন, আইন ও কার্যকর টিপস বাংলাদেশের গণমাধ্যমে অপরাধ সংক্রান্ত সংবাদ অনেক গুরুত্ব বহন করে। কারণ অপরাধের খবর জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করে, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে, অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অপরাধের খবর প্রকাশ পেলে তা স্থানীয় প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী। অপরাধ সংক্রান্ত সংবাদ পরিবেশন সঠিকভাবে ও আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই আর্টিকেলে আমরা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অপরাধ রিপোর্ট করার নিয়ম-কানুন, আইনগত দিক, সতর্কতা ও কার্যকর টিপস নিয়ে আলোচনা করব। এছাড়া আই নিউজ বিডি এর পক্ষ থেকে এই ধরণের প্রতিবেদনগুলোতে যে প্রত্যাশা রয়েছে সেটিও বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। ১. অপরাধ রিপোর্টিং এর গুরুত্ব অপরাধ রিপোর্টিং শুধুমাত্র ঘটনা তুলে ধরা নয়; এটি সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি করে, নির্যাতিতদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে সাহায্য করে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অপরাধের সঠিক ও সুষ্ঠু সংবাদ পরিবেশন স্থানীয় মানুষকে আরো সুসংহত সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখে। ২. অপরাধ রিপোর্টিং এর আইনি নিয়ম-কানুন ২.১ তথ্য সংগ্রহের সতর্কতা তথ্য যাচাই: অপরাধের তথ্য সংগ্রহ করার সময় নিশ্চিত হতে হবে তথ্য সঠিক ও নির্ভুল। রাস্তাঘাটে ছড়িয়ে থাকা গুজব বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে রিপোর্ট করা যাবে না। সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সর্বদা অফিসিয়াল সূত্র ব্যবহার করুন, যেমন পুলিশ, সরকারি কর্মকর্তা, প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী ইত্যাদি। ২.২ ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সম্মান রক্ষা অপরাধীর নাম, ছবি, ঠিকানা প্রকাশের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী সতর্ক থাকতে হবে। নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আদালত বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা থেকে অনুমতি নেওয়া জরুরি হতে পারে। অপরাধের শিকার বা ভুক্তভোগীদের সম্মান ও গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় বিবরণ প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে যাতে করে কারো ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়। ২.৩ মামলার পর্যায় বিবেচনা মামলার বিচারাধীন বিষয় নিয়ে রিপোর্ট করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। যাতে করে মামলার সুষ্ঠু বিচারে প্রভাব না পড়ে বা পক্ষপাতিত্ব না হয়। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া আবশ্যক। ২.৪ আইনি বিধিনিষেধ ও নিষেধাজ্ঞা দেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও সাংবাদিকতা সংক্রান্ত অন্যান্য আইন সম্পর্কে অবগত থাকা আবশ্যক। অবৈধ তথ্য, গুজব বা অপপ্রচার ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। বাকস্বাধীনতার সীমারেখা ও দায়িত্বের মধ্যে থেকে রিপোর্ট করা উচিত। ৩. অপরাধ রিপোর্টিং এর প্রাথমিক ধাপসমূহ ৩.১ ঘটনা তদন্ত ও তথ্য সংগ্রহ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজের চোখে ঘটনা দেখা। প্রত্যক্ষদর্শীদের থেকে নির্ভুল তথ্য গ্রহণ। পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য সংগ্রহ। যথাসম্ভব নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য যাচাই। ৩.২ রিপোর্ট লেখা ও সংবাদ তৈরি সংক্ষিপ্ত ও তথ্যসমৃদ্ধ ভাষায় রিপোর্ট লেখা। ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ, সময় ও স্থান উল্লেখ। সংযুক্তি হিসেবে ছবি বা ভিডিও থাকলে তা অবশ্যই সত্যতা সম্পন্ন হতে হবে। ৩.৩ প্রকাশের আগে যাচাই-বাছাই সব তথ্য পুনরায় যাচাই করা। অপেক্ষাকৃত নাজুক তথ্য ও বিবরণ প্রকাশের ক্ষেত্রে সম্পাদকের পরামর্শ নেওয়া। ৪. জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অপরাধ রিপোর্টিং এর চ্যালেঞ্জ ও সুরক্ষা ৪.১ নিরাপত্তা ঝুঁকি অপরাধ সংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের সম্মুখীন হতে হতে পারে হুমকি, বাধা ও আক্রমণের সম্ভাবনা। তাই নিজ ও পরিবার ও তথ্যসূত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। ৪.২ আইনি জটিলতা ও বিচারাধীন বিষয় আদালতের নির্দেশনা বা আইনগত বিধিনিষেধে সংবাদ প্রতিবেদন সীমাবদ্ধ হতে পারে। ৪.৩ তথ্যের অভাব ও গুজব সঠিক তথ্য সংগ্রহে সময়সাপেক্ষতা ও উৎস সংকট হতে পারে। গুজব ও ভুল তথ্য থেকে বিরত থাকা খুবই জরুরি। ৫. কার্যকর অপরাধ রিপোর্টিংয়ের টিপস ৫.১ নোট নেওয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত ও সঠিক নোট নিতে হবে। নাম, স্থান, সময়, সাক্ষীদের নাম ও বক্তব্য স্পষ্ট করতে হবে। ৫.২ সাক্ষাৎকার নেওয়া সন্দেহভাজন, ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার। সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য। ৫.৩ দৃশ্যমান প্রমাণ সংগ্রহ ছবি, ভিডিও ক্লিপ, সিসিটিভি ফুটেজ ইত্যাদি। ৫.৪ নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ অপরাধীদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্কতা। ভুক্তভোগীদের সম্মান রক্ষা। ৫.৫ রিপোর্টে পক্ষপাতিত্ব থেকে বিরত থাকা নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন। ৬. আই নিউজ বিডি কী চায় অপরাধ রিপোর্টে? ৬.১ সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য আই নিউজ বিডি প্রত্যাশা করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিবেদনগুলো সর্বদা সত্য ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের উপর ভিত্তি করে হতে হবে। কোনো ধরনের গুজব বা অবিশ্বাস্য তথ্য সংবাদে প্রকাশ করা যাবে না। ৬.২ মানবিক ও নৈতিক সাংবাদিকতা ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষের সম্মান রক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। সামাজিক সংবেদনশীলতা ও নৈতিকতা সর্বোচ্চ মান বজায় রাখতে হবে। ৬.৩ সময়োপযোগী ও নিয়মিত রিপোর্টিং ঘটনার সঠিক সময়ে সঠিক প্রতিবেদন পাঠানো জরুরি। আই নিউজ বিডি নিয়মিত আপডেট ও সতর্ক সাংবাদিক চাই। ৬.৪ ভিডিও ও মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টিং শুধুমাত্র লিখিত প্রতিবেদন নয়, ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে ঘটনাবলী প্রমাণ সহকারে পরিবেশন করতে হবে, যা পাঠক ও দর্শকের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করে। ৬.৫ আইনি ও নৈতিকতা মেনে চলা সবসময় দেশের আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও সাংবাদিকতা নীতিমালা মেনে চলতে হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অপরাধ সংবাদ পরিবেশন একটি কঠিন ও দায়িত্বশীল কাজ। সঠিক তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই, নিরপেক্ষ ও নৈতিক সাংবাদিকতা এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আই নিউজ বিডি এই দায়িত্ব পালন করতে আগ্রহী, নিষ্ঠাবান ও সতর্ক সাংবাদিকদের পাশে থাকবে এবং তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও নির্দেশনা দেবে। সবার সহযোগিতায় আমরা বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে আরো শক্তিশালী ও দৃষ্টান্তমূলক করতে চাই।
    Love
    Like
    7
    6 Comentários 0 Compartilhamentos 6K Visualizações 1 Avaliações
  • উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকতার কার্যক্রম: দায়িত্ব, কর্মপদ্ধতি ও আই নিউজ বিডির প্রত্যাশা

    বাংলাদেশের গণমাধ্যম ব্যবস্থায় উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তারা দেশের সবচেয়ে নিকটতম সংবাদ পরিবেশক যারা গ্রাম-গঞ্জ থেকে শুরু করে ছোট ছোট অঞ্চলগুলোর খবর পৌঁছে দেন জাতীয় পর্যায়ে। তাদের মাধ্যমে মানুষের জীবনের কষ্ট, আনন্দ, সমস্যা, উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তন দেশের সব শ্রেণী ও অংশে পৌঁছায়।

    তাই উপজেলায় একজন সাংবাদিকের কাজের ধরন ও কর্মপদ্ধতি সঠিক হওয়া প্রয়োজন। আই নিউজ বিডি তাদেরকে নিখুঁত ও পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা, মানদণ্ড ও প্রত্যাশা নিয়ে কাজ করে।

    ১. উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকের কাজের ধরন
    উপজেলা সাংবাদিকতার মূল বৈশিষ্ট্য হলো—

    স্থানীয় ঘটনার সরাসরি কাভারেজ: উপজেলা ও তার আশপাশের এলাকার প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যেমন প্রশাসনিক কার্যক্রম, উন্নয়ন প্রকল্প, সমাজসেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, অপরাধ, বন্যা, দুর্যোগ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ইত্যাদি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিবেদন তৈরি করা।

    সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার প্রতিবেদন: দরিদ্র, নিম্নবিত্ত ও প্রতিবন্ধী মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা তুলে ধরা।

    স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ।

    জেলা ও জাতীয় সংবাদ মাধ্যমের জন্য উপজেলা পর্যায়ের প্রতিনিধি হিসাবে কাজ।

    কাজের প্রকৃতি
    রিপোর্টিং: স্থানীয় তথ্য সংগ্রহ, সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও সত্যতা যাচাই।

    নিউজ রাইটিং: স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও তথ্যসমৃদ্ধ প্রতিবেদন লেখা।

    ভিডিও নিউজ: ঘটনাস্থল থেকে ভিডিও ফুটেজ ধারণ ও ভিডিও প্রতিবেদন তৈরি।

    ফলো আপ: একটি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরার জন্য পরবর্তীতে তথ্য সংগ্রহ।

    মতামত সংগ্রহ: বিভিন্ন পক্ষের মতামত ও প্রতিক্রিয়া নেওয়া।

    ২. উপজেলা সাংবাদিকের কাজের আদর্শ পদ্ধতি
    ২.১ সময়ানুবর্তিতা
    উপজেলা সংবাদ পরিবেশন ক্ষেত্রে সময়ানুবর্তিতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘটনার দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন প্রকাশ জরুরি।

    ২.২ নিরপেক্ষতা ও সততা
    সর্বোচ্চ সততা বজায় রেখে সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। কোনো পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না। তথ্য যাচাই করা হবে যত্নসহকারে।

    ২.৩ পেশাদারিত্ব
    গোপনীয়তা রক্ষা করা।

    ব্যক্তিগত মতামত থেকে বিরত থাকা।

    সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ বজায় রাখা।

    দায়িত্বশীল আচরণ।

    ২.৪ তথ্য সংগ্রহের নৈতিকতা
    সঠিক উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ, অনুমতি নিয়ে ছবি ও ভিডিও গ্রহণ, ব্যাক্তির সম্মতি থাকা।

    ৩. উপজেলা সাংবাদিকের প্রধান দায়িত্ব ও কাজ
    ৩.১ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকাণ্ড পরিদর্শন
    সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প, পরিষেবা ও কর্মসূচির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ এবং জনসাধারণের কাছে এর সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া।

    ৩.২ সমাজের সমস্যা চিহ্নিতকরণ
    দুর্ভোগ, অবহেলা, অপরাধ, দুর্নীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সংকটের খবর তুলে ধরা।

    ৩.৩ প্রতিবেদন তৈরি
    পর্যাপ্ত তথ্য ও সাক্ষাৎকার সংগ্রহ করে স্থানীয় ও জাতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন লেখা।

    ৩.৪ ভিডিও ও ফটো রিপোর্টিং
    গ্রামের ঘটনাবলি, অনুষ্টান, সভা, মিছিল, দুঃখ, দুর্ঘটনা সহ জীবনের নানা দিক তুলে ধরা।

    ৪. কাজের কৌশল: কীভাবে কাজ করা উচিত?
    ৪.১ প্রস্তুতি
    আগাম বিষয়বস্তু ও ঘটনা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া।

    প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা (মোবাইল, ক্যামেরা, নোটবুক)।

    স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা।

    ৪.২ কার্যক্ষেত্রে সতর্কতা
    ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা বজায় রাখা।

    পক্ষপাতমুক্ত থাকার চেষ্টা।

    তথ্য সংগ্রহে ধৈর্যশীল হওয়া।

    ৪.৩ তথ্য যাচাই ও বিশ্লেষণ
    একাধিক উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ।

    প্রাসঙ্গিক ও নির্ভুল তথ্য নির্বাচন।

    তথ্যের সত্যতা যাচাই করা।

    ৪.৪ রিপোর্টিং ও প্রকাশনা
    ভাষা সহজ ও প্রাঞ্জল রাখা।

    তথ্য স্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত উপস্থাপন।

    সময়মতো প্রতিবেদন পাঠানো।

    ৫. আই নিউজ বিডির প্রত্যাশা ও নির্দেশনা
    ৫.১ নিয়মিততা
    প্রতিদিনের সংবাদ সংগ্রহে নিয়মিত অংশগ্রহণ এবং সময়মতো প্রতিবেদন পাঠানো।

    ৫.২ মানসম্মত প্রতিবেদন
    তথ্যসমৃদ্ধ, নিরপেক্ষ ও প্রাঞ্জল ভাষায় প্রতিবেদন লেখা।

    ৫.৩ ভিডিও নিউজে মনোযোগ
    ঘটনাস্থল থেকে ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে প্রফেশনাল মানের ভিডিও প্রতিবেদন তৈরি করা।

    ৫.৪ নৈতিকতা ও সততা
    কেউ টাকা নিয়ে নিউজ করতে পারবেন না।

    কোন প্রকার বিকৃত তথ্য বা গুজব প্রচার করা যাবে না।

    মানবাধিকার ও গণমাধ্যম নীতিমালা মেনে চলতে হবে।

    ৫.৫ যোগাযোগ ও সহযোগিতা
    অফিসের নির্দেশনা ও প্ল্যানিং মেনে চলা, সহযোগীতা প্রদান ও রিপোর্টারদের মধ্যে মতবিনিময় বৃদ্ধি করা।

    ৬. দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বের সিঁড়ি
    উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকদের হাতে বাংলাদেশের সঠিক তথ্য পরিবেশনের দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সময়ানুবর্তিতা, সততা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব অপরিহার্য। আই নিউজ বিডি এই মূল্যবোধগুলো মেনে চলতে এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছে।

    আমাদের প্রত্যাশা, প্রত্যেক সাংবাদিক দক্ষতা বৃদ্ধি করে সাংবাদিকতাকে শ্রদ্ধা ও দায়িত্বের কাজে রূপান্তর করবে। এতে শুধু নিজের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে না, দেশ ও সমাজও লাভবান হবে।
    উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকতার কার্যক্রম: দায়িত্ব, কর্মপদ্ধতি ও আই নিউজ বিডির প্রত্যাশা বাংলাদেশের গণমাধ্যম ব্যবস্থায় উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তারা দেশের সবচেয়ে নিকটতম সংবাদ পরিবেশক যারা গ্রাম-গঞ্জ থেকে শুরু করে ছোট ছোট অঞ্চলগুলোর খবর পৌঁছে দেন জাতীয় পর্যায়ে। তাদের মাধ্যমে মানুষের জীবনের কষ্ট, আনন্দ, সমস্যা, উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তন দেশের সব শ্রেণী ও অংশে পৌঁছায়। তাই উপজেলায় একজন সাংবাদিকের কাজের ধরন ও কর্মপদ্ধতি সঠিক হওয়া প্রয়োজন। আই নিউজ বিডি তাদেরকে নিখুঁত ও পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা, মানদণ্ড ও প্রত্যাশা নিয়ে কাজ করে। ১. উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকের কাজের ধরন উপজেলা সাংবাদিকতার মূল বৈশিষ্ট্য হলো— স্থানীয় ঘটনার সরাসরি কাভারেজ: উপজেলা ও তার আশপাশের এলাকার প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যেমন প্রশাসনিক কার্যক্রম, উন্নয়ন প্রকল্প, সমাজসেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, অপরাধ, বন্যা, দুর্যোগ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ইত্যাদি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিবেদন তৈরি করা। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার প্রতিবেদন: দরিদ্র, নিম্নবিত্ত ও প্রতিবন্ধী মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা তুলে ধরা। স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ। জেলা ও জাতীয় সংবাদ মাধ্যমের জন্য উপজেলা পর্যায়ের প্রতিনিধি হিসাবে কাজ। কাজের প্রকৃতি রিপোর্টিং: স্থানীয় তথ্য সংগ্রহ, সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও সত্যতা যাচাই। নিউজ রাইটিং: স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও তথ্যসমৃদ্ধ প্রতিবেদন লেখা। ভিডিও নিউজ: ঘটনাস্থল থেকে ভিডিও ফুটেজ ধারণ ও ভিডিও প্রতিবেদন তৈরি। ফলো আপ: একটি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরার জন্য পরবর্তীতে তথ্য সংগ্রহ। মতামত সংগ্রহ: বিভিন্ন পক্ষের মতামত ও প্রতিক্রিয়া নেওয়া। ২. উপজেলা সাংবাদিকের কাজের আদর্শ পদ্ধতি ২.১ সময়ানুবর্তিতা উপজেলা সংবাদ পরিবেশন ক্ষেত্রে সময়ানুবর্তিতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘটনার দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন প্রকাশ জরুরি। ২.২ নিরপেক্ষতা ও সততা সর্বোচ্চ সততা বজায় রেখে সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। কোনো পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না। তথ্য যাচাই করা হবে যত্নসহকারে। ২.৩ পেশাদারিত্ব গোপনীয়তা রক্ষা করা। ব্যক্তিগত মতামত থেকে বিরত থাকা। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ বজায় রাখা। দায়িত্বশীল আচরণ। ২.৪ তথ্য সংগ্রহের নৈতিকতা সঠিক উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ, অনুমতি নিয়ে ছবি ও ভিডিও গ্রহণ, ব্যাক্তির সম্মতি থাকা। ৩. উপজেলা সাংবাদিকের প্রধান দায়িত্ব ও কাজ ৩.১ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকাণ্ড পরিদর্শন সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প, পরিষেবা ও কর্মসূচির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ এবং জনসাধারণের কাছে এর সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া। ৩.২ সমাজের সমস্যা চিহ্নিতকরণ দুর্ভোগ, অবহেলা, অপরাধ, দুর্নীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সংকটের খবর তুলে ধরা। ৩.৩ প্রতিবেদন তৈরি পর্যাপ্ত তথ্য ও সাক্ষাৎকার সংগ্রহ করে স্থানীয় ও জাতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন লেখা। ৩.৪ ভিডিও ও ফটো রিপোর্টিং গ্রামের ঘটনাবলি, অনুষ্টান, সভা, মিছিল, দুঃখ, দুর্ঘটনা সহ জীবনের নানা দিক তুলে ধরা। ৪. কাজের কৌশল: কীভাবে কাজ করা উচিত? ৪.১ প্রস্তুতি আগাম বিষয়বস্তু ও ঘটনা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা (মোবাইল, ক্যামেরা, নোটবুক)। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা। ৪.২ কার্যক্ষেত্রে সতর্কতা ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা বজায় রাখা। পক্ষপাতমুক্ত থাকার চেষ্টা। তথ্য সংগ্রহে ধৈর্যশীল হওয়া। ৪.৩ তথ্য যাচাই ও বিশ্লেষণ একাধিক উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ। প্রাসঙ্গিক ও নির্ভুল তথ্য নির্বাচন। তথ্যের সত্যতা যাচাই করা। ৪.৪ রিপোর্টিং ও প্রকাশনা ভাষা সহজ ও প্রাঞ্জল রাখা। তথ্য স্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত উপস্থাপন। সময়মতো প্রতিবেদন পাঠানো। ৫. আই নিউজ বিডির প্রত্যাশা ও নির্দেশনা ৫.১ নিয়মিততা প্রতিদিনের সংবাদ সংগ্রহে নিয়মিত অংশগ্রহণ এবং সময়মতো প্রতিবেদন পাঠানো। ৫.২ মানসম্মত প্রতিবেদন তথ্যসমৃদ্ধ, নিরপেক্ষ ও প্রাঞ্জল ভাষায় প্রতিবেদন লেখা। ৫.৩ ভিডিও নিউজে মনোযোগ ঘটনাস্থল থেকে ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে প্রফেশনাল মানের ভিডিও প্রতিবেদন তৈরি করা। ৫.৪ নৈতিকতা ও সততা কেউ টাকা নিয়ে নিউজ করতে পারবেন না। কোন প্রকার বিকৃত তথ্য বা গুজব প্রচার করা যাবে না। মানবাধিকার ও গণমাধ্যম নীতিমালা মেনে চলতে হবে। ৫.৫ যোগাযোগ ও সহযোগিতা অফিসের নির্দেশনা ও প্ল্যানিং মেনে চলা, সহযোগীতা প্রদান ও রিপোর্টারদের মধ্যে মতবিনিময় বৃদ্ধি করা। ৬. দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বের সিঁড়ি উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকদের হাতে বাংলাদেশের সঠিক তথ্য পরিবেশনের দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সময়ানুবর্তিতা, সততা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব অপরিহার্য। আই নিউজ বিডি এই মূল্যবোধগুলো মেনে চলতে এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমাদের প্রত্যাশা, প্রত্যেক সাংবাদিক দক্ষতা বৃদ্ধি করে সাংবাদিকতাকে শ্রদ্ধা ও দায়িত্বের কাজে রূপান্তর করবে। এতে শুধু নিজের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে না, দেশ ও সমাজও লাভবান হবে।
    Love
    2
    0 Comentários 0 Compartilhamentos 9K Visualizações 0 Avaliações
  • সোনাইমুড়ীতে পুলিশের গুলিতে নিহতদের ঘটনাকে পুঁজি করে জনপ্রতিনিধিসহ নিরীহদের মামলা দিয়ে হয়রানি, বাদী বলেন তিনি মামলা করেননি, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার

    নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে গত বছরের ৫ আগস্ট পুলিশ-ছাত্র জনতার সংঘর্ষে ২ পুলিশসহ ৫ জন নিহত হওয়ার ঘটনাকে পুঁজি করে মামলা বাণিজ্য করা ও নিরীহদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে এ মামলা দায়ের করার অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তদের স্বজনেরা। মামলার বাদী মোরশেদ আলম বলেন, তিনি মামলা করেননি, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। তার এ বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানাজানি হওয়ার পর এ মামলা নিয়ে আলোচনার ঝড় বইছে জেলার ব্যাপী।

    সরেজমিনে গিয়ে এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর ঐ দিন বিকেলে সোনাইমুড়ীতে ছাত্র-জনতার বিজয় মিছিল বের হয়। মিছিল থেকে উত্তেজিত জনতার সাথে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ পাল্টা সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে উত্তেজিত জনতা এক পুলিশ কর্মকর্তাকে জবাই করে আরও এক পুলিশকে পিটিয়ে হত্যা করে। এ সময় পুলিশের গুলিতে ৩ জন মারা যায় ও কয়েকজন ছাত্র-জনতা গুলিবিদ্ধ হয়। এ সময় মিছিলকারীরা থানা ঘেরাও করে থানা ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও অস্ত্র লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হওয়া বেগমগঞ্জ উপজেলার মীর আলীপুর গ্রামের আলী মুন্সী বাড়ীর মোরশেদ আলমের ছেলে বিএনপি কর্মী ওয়ার্লিং মিস্ত্রী মোঃ আসিফ (২৪) গুলিবিদ্ধ গুরুতর আহত হয়। পরবর্তীতে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ আগস্ট শুক্রবার সে মারা যায়।

    এই ব্যাপারে আসিফের বাবা মোরশেদ আলম বাদী হয়ে গত বছরের ১৯ আগস্ট চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬নং আমলী আদালত নোয়াখালীতে মামলা নং- সিআর ৩২২/২০২৪ দায়ের করেন। মামলায় নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক এমপি একরামুল করিম চৌধুরী ও নোয়াখালী-১ আসনের সাবেক এমপি এইচ এম ইব্রাহিম সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও শ্রেনী পেশার ৩৯ জন সহ অজ্ঞাতনামা দুই/আড়াই হাজার লোকজনকে আসামী করা হয়েছে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন জামিনে আছেন। বাকীরা জেল হাজতে আছেন। অন্যরা গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

    মামলার বাদী মোরশেদ আলম বলেন, তিনি এ মামলা করেননি, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। তার ছেলে হারানোর বেদনার সুযোগে একটি মহল তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য তার নাম ব্যবহার করে এ মামলা সাজিয়েছে। তিনি, তার ছেলে সহ তাদের বাড়ির সবাই বিএনপি’র রাজনীতির সাথে জড়িত বলে জানান। সরকার বিরোধী আন্দোলনে তারা সক্রিয়ভাবে ভূমিক পালন করেছিলেন। তার ছেলে আন্দোলনে শহীদ হয়েছে, ছেলেকে তিনি কখনো ফিরে পাবেন না। ছেলের শোকে যখন তিনি শোকাহত তখন কে বা কারা কিভাবে এ মামলা দিয়েছে আমার জানা নেই। তবে ফারহান নামের একজন লোক এ ষড়যন্ত্রমূলক মামলার সাথে জড়িত থাকতে পারে বলে সে জেনেছে। তাকে তিনি দেখলে চিনবেন কিন্তু ঠিকানা জানা নেই। তিনি আরও বলেন আমি যদি মামলা করতাম তাহলে আমার দলের নেতা সাবেক মন্ত্রী বরকত উল্যা বুলু ভাই সহ যারা আমাকে সহযোগিতা করেছে তাদের সাথে পরামর্শ করে করতাম। এ মামলায় যাদেরকে আসামী করা হয়েছে তাদের অনেককেই আমি চিনিও না, কারো কারো নাম শুনেছি। এ মামলায় আমার দলীয় বিএনপি’র কয়েকজনের নামও রয়েছে।

    এ মামলা আদালতে দাখিলকারী আইনজীবী শাহ মনজুরুল হাসান বলেন, তিনি অসুস্থ্য হার্টের রোগী। নারী নির্যাতনের একটি মামলার কথা বলে মামলার আর্জি না শুনিয়ে তড়িগড়ি করে তার স্বাক্ষর নিয়েছেন সাবেক পি.পি আবদুর রহমানের জুনিয়র এ্যাডভোকেট এনাম মঞ্জু। তিনি আরো বলেন, স্বাক্ষর নেওয়ার ৩/৪ দিন পর তার সহকারী তাকে জানান, আপনি কী মামলায় স্বাক্ষর করেছেন? এটাতো রাজনৈতিক মামলা! তখন আমি বুঝেছি আমি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। শাহ মঞ্জুরুল হাসান অভিযোগ করে বলেন, সাবেক পি.পি আবদুর রহমান ও বর্তমান পি.পি শাহাদাত হোসেন আমার স্বাক্ষর নিয়ে জালিয়াতি করে এ মামলা করেছে।

    এই ব্যাপারে সাবেক পি.পি আবদুর রহমান বলেন, শাহ মঞ্জুরুল হাসানকে মামলার আর্জি পড়ে শোনানো হয়েছে, এখন তিনি অস্বীকার করছেন। যাদেরকে আসামী করা হয়েছে এরা সবাই স্বৈরাচারের দোসর, মামলা হলে অসুবিধা কী?

    এই বিষয়ে বর্তমান পি.পি শাহাদাত হোসেন বলেন, মামলা হয়েছে এটাই সত্য। কে দোষী কে নির্দোষ তা স্বাক্ষ্য প্রমাণে দেখা যাবে।

    এই ব্যাপারে সোনাইমুড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ মোরশেদ আলম জানান, আদালতের নির্দেশে থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং আসামীদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

    এ মামলার বিষয়ে সোনাইমুড়ী এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার নেতৃবৃন্দরা জানান, মামলার বাদীর বক্তব্যসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনা করলে এটা একটা ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা, এতে কোনো সন্দেহ নেই। মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করা এ মামলার উদ্দেশ্য ছিল। এলাকাবাসী জানান, এই মামলার বিষয়ে সঠিক তদন্ত করে মিথ্যা মামলা ও ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় এনে নিরাপরাধ লোকদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে। এই বিষয়ে অনেকে এ প্রতিবেদকে প্রশ্ন করে বলেন, আসিফ পুলিশের গুলিতে নিহত হয়, সাধারণ মানুষ আসামী হবে কেন? এটাই প্রমাণ করে এ মামলা ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা। বিষয়টি নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে সত্য উদঘাটন করা উচিত বলে এলাকাবাসী মন্তব্য করেন।
    সোনাইমুড়ীতে পুলিশের গুলিতে নিহতদের ঘটনাকে পুঁজি করে জনপ্রতিনিধিসহ নিরীহদের মামলা দিয়ে হয়রানি, বাদী বলেন তিনি মামলা করেননি, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে গত বছরের ৫ আগস্ট পুলিশ-ছাত্র জনতার সংঘর্ষে ২ পুলিশসহ ৫ জন নিহত হওয়ার ঘটনাকে পুঁজি করে মামলা বাণিজ্য করা ও নিরীহদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে এ মামলা দায়ের করার অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তদের স্বজনেরা। মামলার বাদী মোরশেদ আলম বলেন, তিনি মামলা করেননি, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। তার এ বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানাজানি হওয়ার পর এ মামলা নিয়ে আলোচনার ঝড় বইছে জেলার ব্যাপী। সরেজমিনে গিয়ে এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর ঐ দিন বিকেলে সোনাইমুড়ীতে ছাত্র-জনতার বিজয় মিছিল বের হয়। মিছিল থেকে উত্তেজিত জনতার সাথে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ পাল্টা সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে উত্তেজিত জনতা এক পুলিশ কর্মকর্তাকে জবাই করে আরও এক পুলিশকে পিটিয়ে হত্যা করে। এ সময় পুলিশের গুলিতে ৩ জন মারা যায় ও কয়েকজন ছাত্র-জনতা গুলিবিদ্ধ হয়। এ সময় মিছিলকারীরা থানা ঘেরাও করে থানা ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও অস্ত্র লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হওয়া বেগমগঞ্জ উপজেলার মীর আলীপুর গ্রামের আলী মুন্সী বাড়ীর মোরশেদ আলমের ছেলে বিএনপি কর্মী ওয়ার্লিং মিস্ত্রী মোঃ আসিফ (২৪) গুলিবিদ্ধ গুরুতর আহত হয়। পরবর্তীতে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ আগস্ট শুক্রবার সে মারা যায়। এই ব্যাপারে আসিফের বাবা মোরশেদ আলম বাদী হয়ে গত বছরের ১৯ আগস্ট চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬নং আমলী আদালত নোয়াখালীতে মামলা নং- সিআর ৩২২/২০২৪ দায়ের করেন। মামলায় নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক এমপি একরামুল করিম চৌধুরী ও নোয়াখালী-১ আসনের সাবেক এমপি এইচ এম ইব্রাহিম সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও শ্রেনী পেশার ৩৯ জন সহ অজ্ঞাতনামা দুই/আড়াই হাজার লোকজনকে আসামী করা হয়েছে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন জামিনে আছেন। বাকীরা জেল হাজতে আছেন। অন্যরা গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। মামলার বাদী মোরশেদ আলম বলেন, তিনি এ মামলা করেননি, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। তার ছেলে হারানোর বেদনার সুযোগে একটি মহল তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য তার নাম ব্যবহার করে এ মামলা সাজিয়েছে। তিনি, তার ছেলে সহ তাদের বাড়ির সবাই বিএনপি’র রাজনীতির সাথে জড়িত বলে জানান। সরকার বিরোধী আন্দোলনে তারা সক্রিয়ভাবে ভূমিক পালন করেছিলেন। তার ছেলে আন্দোলনে শহীদ হয়েছে, ছেলেকে তিনি কখনো ফিরে পাবেন না। ছেলের শোকে যখন তিনি শোকাহত তখন কে বা কারা কিভাবে এ মামলা দিয়েছে আমার জানা নেই। তবে ফারহান নামের একজন লোক এ ষড়যন্ত্রমূলক মামলার সাথে জড়িত থাকতে পারে বলে সে জেনেছে। তাকে তিনি দেখলে চিনবেন কিন্তু ঠিকানা জানা নেই। তিনি আরও বলেন আমি যদি মামলা করতাম তাহলে আমার দলের নেতা সাবেক মন্ত্রী বরকত উল্যা বুলু ভাই সহ যারা আমাকে সহযোগিতা করেছে তাদের সাথে পরামর্শ করে করতাম। এ মামলায় যাদেরকে আসামী করা হয়েছে তাদের অনেককেই আমি চিনিও না, কারো কারো নাম শুনেছি। এ মামলায় আমার দলীয় বিএনপি’র কয়েকজনের নামও রয়েছে। এ মামলা আদালতে দাখিলকারী আইনজীবী শাহ মনজুরুল হাসান বলেন, তিনি অসুস্থ্য হার্টের রোগী। নারী নির্যাতনের একটি মামলার কথা বলে মামলার আর্জি না শুনিয়ে তড়িগড়ি করে তার স্বাক্ষর নিয়েছেন সাবেক পি.পি আবদুর রহমানের জুনিয়র এ্যাডভোকেট এনাম মঞ্জু। তিনি আরো বলেন, স্বাক্ষর নেওয়ার ৩/৪ দিন পর তার সহকারী তাকে জানান, আপনি কী মামলায় স্বাক্ষর করেছেন? এটাতো রাজনৈতিক মামলা! তখন আমি বুঝেছি আমি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। শাহ মঞ্জুরুল হাসান অভিযোগ করে বলেন, সাবেক পি.পি আবদুর রহমান ও বর্তমান পি.পি শাহাদাত হোসেন আমার স্বাক্ষর নিয়ে জালিয়াতি করে এ মামলা করেছে। এই ব্যাপারে সাবেক পি.পি আবদুর রহমান বলেন, শাহ মঞ্জুরুল হাসানকে মামলার আর্জি পড়ে শোনানো হয়েছে, এখন তিনি অস্বীকার করছেন। যাদেরকে আসামী করা হয়েছে এরা সবাই স্বৈরাচারের দোসর, মামলা হলে অসুবিধা কী? এই বিষয়ে বর্তমান পি.পি শাহাদাত হোসেন বলেন, মামলা হয়েছে এটাই সত্য। কে দোষী কে নির্দোষ তা স্বাক্ষ্য প্রমাণে দেখা যাবে। এই ব্যাপারে সোনাইমুড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ মোরশেদ আলম জানান, আদালতের নির্দেশে থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং আসামীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এ মামলার বিষয়ে সোনাইমুড়ী এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার নেতৃবৃন্দরা জানান, মামলার বাদীর বক্তব্যসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনা করলে এটা একটা ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা, এতে কোনো সন্দেহ নেই। মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করা এ মামলার উদ্দেশ্য ছিল। এলাকাবাসী জানান, এই মামলার বিষয়ে সঠিক তদন্ত করে মিথ্যা মামলা ও ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় এনে নিরাপরাধ লোকদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে। এই বিষয়ে অনেকে এ প্রতিবেদকে প্রশ্ন করে বলেন, আসিফ পুলিশের গুলিতে নিহত হয়, সাধারণ মানুষ আসামী হবে কেন? এটাই প্রমাণ করে এ মামলা ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা। বিষয়টি নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে সত্য উদঘাটন করা উচিত বলে এলাকাবাসী মন্তব্য করেন।
    Like
    Love
    2
    1 Comentários 0 Compartilhamentos 7K Visualizações 0 Avaliações
  • ‘ষড়যন্ত্র’ শেষ হয়নি, ফের ‘জোরেশোরে’ শুরু হয়েছে: তারেক রহমান
    “আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চালায় কে? বিএনপি তো চালায় না। চালাচ্ছে তো সরকার,” বলেন তিনি।
    দেশে ‘ষড়যন্ত্র শেষ হয়নি, ষড়যন্ত্র আরও শুরু হয়েছে, জোরেশোরে শুরু হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    শনিবার বিকালে জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতি উদযাপনের এক অনুষ্ঠানে সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “কারা কীভাবে ষড়যন্ত্র করছে, কারা কীভাবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথা বলছে এবং ক্ষণে ক্ষণে অবস্থান পরিবর্তন করছে, এই সকল বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।”

    লন্ডনে থাকা তারেক ভাচুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে দেশের সমসাময়িক রাজনীতি, সংস্কার উদ্যোগ, অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডের বিচার, মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন বিষেয়ে কথা বলেন।


    তিনি বলেন, “ষড়যন্ত্র শেষ হয়নি। আজকের অনুষ্ঠানের সভাপতির (ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব) সাথে সুর মিলিয়ে বলতে চাই ষড়যন্ত্র কিন্তু আরও শুরু হচ্ছে, আরও জোরেশোরে শুরু হচ্ছে। বিবেকবান মানুষ বলছেন, নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।”

    একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে দেশ স্বাধীন করা, নব্বই ও চব্বিশ গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময় অধিকার রক্ষায় মানুষের সোচ্চার হওয়ার উদাহরণ টেনে তারেক রহমান বলেন, “আপনাদের সকলের কাছে আহ্বান থাকবে, আবারও আপনাদের সোচ্চার এবং সচেতন হতে হবে।

    “কারা কীভাবে ষড়যন্ত্র করছে, কারা কীভাবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথা বলছে এবং ক্ষণে ক্ষণে অবস্থান পরিবর্তন করছে, এই সকল বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।”


    তিনি বলেন, “আসুন আমাদের সকলকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। আমাদের যে যুদ্ধ ছিল গণতান্ত্রিক অধিকার, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সেই যুদ্ধ কিন্তু এখনো শেষ হয়ে যায়নি।”

    গুলশানে হোটেল লেকশোরে ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের’ বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে গণঅভ্যুত্থানে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ‘শহীদদের’ স্মরণে সংগঠনটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    অনুষ্ঠানে ১৪২ জন ‘শহীদের’ পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন, তাদের হাতে ছিল সবার ছবি।

    জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনায় অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর নিহতদের পরিবারের সদস্যরা স্বজন হারানোর কষ্ট ও বর্তমান দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরেন।

    বক্তব্য রাখেন- পুলিশের গুলিতে নিহত ছাত্র দলের আফিকুল ইসলাম সাদ (মানিকগঞ্জ), মেহেদী (মুন্সীগঞ্জ), রিপন চন্দ্র শীল (হবিগঞ্জ), মো. আদিল (নারায়ণগঞ্জ), সাগর ইসলাম (পঞ্চগড়), রিয়াজ (বরিশাল), সিফাত হোসেন (মাদারীপুর), শাহরিয়ার হাসান আলভি (বাগেরহাট), কাউছার হোসেন বিজয় (লক্ষীপুর), সাব্বির হোসেন (লক্ষীপুর), তানভীর সিদ্দিকী (কক্সবাজার), তাহিদুল ইসলাম (বরিশাল), আকরাম খান রাব্বী (ঢাকা), মনির হোসেন (ভোলা), ইমন মিয়া (টাঙ্গাইল), মেহেদী হাসান রাব্বী (মাগুরা), শাহাদাত হোসেন শাওন (নোয়াখালী), নুরুল মুস্তফা (কক্সবাজার), সাফকাত সামির (ঢাকা), তাহমিদ ভুঁইয়া (নরসিংদী), সুমন পাটোয়ারী (দিনাজপুর), নূর হোসেন পিয়াস (নোয়াখালী), ওয়াসিম আকরাম (কক্সবাজার), ইমতিয়াজ হোসেন রিয়াজ (নোয়াখালী) এর পরিবারের সদস্যরা।

    ‘জুলাই সনদ তিন মাস আগেই সরকারের কাছে দিয়েছি’

    তিনি মাস আগেই জুলাই সনদ সরকারের কাছে দেওয়া হয়েছে তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “বিএনপি আজ থেকে তিন মাস আগে জুলাই সনদের ব্যাপারে আমাদের কী বক্তব্য, আমাদের কী অবস্থান সকল কিছু ব্যাখ্যা করে লিখিতভাবে আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে উপস্থাপন করেছি।

    “আমরা একটি রাজনৈতিক দল, এই মুহূর্তে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে নেই। একটি দল হিসেবে আমাদের কাছে সরকার বক্তব্য মতামত জানতে চেয়েছে আমরা পরিষ্কারভাবে, লিখিতভাবে দিয়ে দিয়েছি।”

    সম্পূর্ণ দায়িত্ব এখন সরকারের, এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, “তারা কতটুকু কী করবে, না করবে, কাদের নিয়ে কী করবে না করবে, সেটি তাদের ব্যাপার। এখানে আমাদের আর কোনো কিছু বলার নেই।”

    তারেক বলেন, “যখন, আমরা দেখছি যে, কোনো কিছু বা কোনো কোনো বিষয় সামনে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে অথবা কোনো কিছুকে লুকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, তখনই আমরা খেয়াল করছি, কিছু কিছু নন-ইস্যুকে ইস্যু করে একটি বিভ্রান্তির সৃষ্টি করা হচ্ছে।”

    দেশটি একার নয় বা কোনো রাজনৈতিক দলের না মন্তব্য করে তিনি বলেন, “দেশটি সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের, ২০ কোটি মানুষের। কাজেই ২০ কোটি মানুষের কাছে আহ্বান থাকবে, দেশটি আমাদের সকলের, কাজেই এই দেশটিকে নিয়ে আমাদের সকলের ভাবতে হবে।

    “কারা কী করছে, কারা কী ভূমিকা রাখছে, কারা কী বর্তমানে বলছে? বলার মধ্যে পার্থক্য কী? তাদের অবস্থা ঘনঘন পরিবর্তন করছে, এই সকল বিষয়ে আপনারা নজর রাখবেন।”

    ‘প্রশাসনে এখনও স্বৈরাচারের ভূত’

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “আপনারা নিজেরাই অনেকে এখানে বক্তব্যে বলেছেন, প্রশাসনের মধ্যে এখনও বিগত স্বৈরাচারের ভূত লুকিয়ে আছে, প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় এখনও এই ভূত লুকিয়ে আছে।”

    “কাজেই সেই ভূত এবং বর্তমানের নতুন কোনো যদি ভূত থাকে তারা কী ষড়যন্ত্র করছে সেই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সবাই সচেতন থাকতে হবে। যদি আমরা সচেতন না হই এদেশকে টিকিয়ে রাখার মুশকিল হবে।”

    ‘বিচার অবশ্যই বিএনপি করবে’

    জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতাদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি সোচ্চার। তারা নির্বাচনের আগে বিচার দৃশ্যমান দেখতে চায়।

    বিচার প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, “আপনারা বিচারের কথা বলেছেন, বিচারের কথা শুধু আপনাদের কথা নয়। বিচারের কথা সমস্ত বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক মানুষের দাবি, প্রত্যেকটি গণতান্ত্রিক মানুষের কথা।

    “কাজেই কেন আমরা সেটি করব না? অবশ্যই বিএনপি যখনই সুযোগ পাবে, অবশ্যই নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে প্রত্যেকটি হত্যাকান্ডের বিচার, কারণ এটি আমাদের অঙ্গীকার।”

    ‘ব্যবসায়ীর খুনিকে কেন ধরা হচ্ছে না’

    বুধবার পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে মাথা থেঁতলে ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যার ঘটনায় বিএনপির সমালোচনা চলছে।

    এ ঘটনায় দলটির সহযোগী-অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। বিএনপি ৫ জনকে বহিষ্কারের কথা জানিয়েছে।

    এ ঘটনার বিষয়ে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “কেন কিছু কিছু দল পুরান ঢাকার ঘটনাটিকে ভ্রান্তভাবে উপস্থাপন করছে? যে ছেলেটি মারা গেছে তার সাথে হয়ত যু্ব দলের সম্পর্ক আছে। কিন্তু যে খুন করছে বা যে হত্যা করছে তাকে অন্য জায়গা থেকে, আমরা যেটা খবর পেয়েছি, অন্য জায়গা থেকে নিয়ে আসা হয়েছে তাকে।

    “তাকে ধরা হচ্ছে না। ধরা হল অন্যদের, গ্রেপ্তার করা হলো। তাকে আসামি পর্যন্ত করা হয়নি, বোধ হয় এখন পর্যন্ত। কেন হয়নি, কেন ধরা হচ্ছে না।”

    তারেক বলেন, “আমাদের পক্ষ থেকে তো একবারও বলা হয়নি অমুকে ধরা যাবে না, তমুককে ধরা যাবে না। আমরা বরাবরই বলেছি, অন্যায়কারী আইনের দৃষ্টিতে তার বিচার হবে। দলের সাথে তার কী সম্পর্ক কিচ্ছু যায় আসে না তাতে। তাকে দল কোনো রকম প্রশ্রয় দেবে না, কেউ যদি কোনো অন্যায় করে থাকে।”

    দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেন তারা বসে আছেন? আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চালায় কে? বিএনপি তো চালায় না। চালাচ্ছে তো সরকার। তাহলে সরকার কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না তাদের (খুনিদের) বিরুদ্ধে, সেটি দলের হোক বা অন্য কেউ হোক, কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।”

    ছাত্র দলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বক্তব্য রাখেন।
    ‘ষড়যন্ত্র’ শেষ হয়নি, ফের ‘জোরেশোরে’ শুরু হয়েছে: তারেক রহমান “আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চালায় কে? বিএনপি তো চালায় না। চালাচ্ছে তো সরকার,” বলেন তিনি। দেশে ‘ষড়যন্ত্র শেষ হয়নি, ষড়যন্ত্র আরও শুরু হয়েছে, জোরেশোরে শুরু হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার বিকালে জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতি উদযাপনের এক অনুষ্ঠানে সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “কারা কীভাবে ষড়যন্ত্র করছে, কারা কীভাবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথা বলছে এবং ক্ষণে ক্ষণে অবস্থান পরিবর্তন করছে, এই সকল বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।” লন্ডনে থাকা তারেক ভাচুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে দেশের সমসাময়িক রাজনীতি, সংস্কার উদ্যোগ, অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডের বিচার, মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন বিষেয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, “ষড়যন্ত্র শেষ হয়নি। আজকের অনুষ্ঠানের সভাপতির (ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব) সাথে সুর মিলিয়ে বলতে চাই ষড়যন্ত্র কিন্তু আরও শুরু হচ্ছে, আরও জোরেশোরে শুরু হচ্ছে। বিবেকবান মানুষ বলছেন, নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।” একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে দেশ স্বাধীন করা, নব্বই ও চব্বিশ গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময় অধিকার রক্ষায় মানুষের সোচ্চার হওয়ার উদাহরণ টেনে তারেক রহমান বলেন, “আপনাদের সকলের কাছে আহ্বান থাকবে, আবারও আপনাদের সোচ্চার এবং সচেতন হতে হবে। “কারা কীভাবে ষড়যন্ত্র করছে, কারা কীভাবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথা বলছে এবং ক্ষণে ক্ষণে অবস্থান পরিবর্তন করছে, এই সকল বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।” তিনি বলেন, “আসুন আমাদের সকলকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। আমাদের যে যুদ্ধ ছিল গণতান্ত্রিক অধিকার, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সেই যুদ্ধ কিন্তু এখনো শেষ হয়ে যায়নি।” গুলশানে হোটেল লেকশোরে ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের’ বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে গণঅভ্যুত্থানে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ‘শহীদদের’ স্মরণে সংগঠনটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে ১৪২ জন ‘শহীদের’ পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন, তাদের হাতে ছিল সবার ছবি। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনায় অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর নিহতদের পরিবারের সদস্যরা স্বজন হারানোর কষ্ট ও বর্তমান দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরেন। বক্তব্য রাখেন- পুলিশের গুলিতে নিহত ছাত্র দলের আফিকুল ইসলাম সাদ (মানিকগঞ্জ), মেহেদী (মুন্সীগঞ্জ), রিপন চন্দ্র শীল (হবিগঞ্জ), মো. আদিল (নারায়ণগঞ্জ), সাগর ইসলাম (পঞ্চগড়), রিয়াজ (বরিশাল), সিফাত হোসেন (মাদারীপুর), শাহরিয়ার হাসান আলভি (বাগেরহাট), কাউছার হোসেন বিজয় (লক্ষীপুর), সাব্বির হোসেন (লক্ষীপুর), তানভীর সিদ্দিকী (কক্সবাজার), তাহিদুল ইসলাম (বরিশাল), আকরাম খান রাব্বী (ঢাকা), মনির হোসেন (ভোলা), ইমন মিয়া (টাঙ্গাইল), মেহেদী হাসান রাব্বী (মাগুরা), শাহাদাত হোসেন শাওন (নোয়াখালী), নুরুল মুস্তফা (কক্সবাজার), সাফকাত সামির (ঢাকা), তাহমিদ ভুঁইয়া (নরসিংদী), সুমন পাটোয়ারী (দিনাজপুর), নূর হোসেন পিয়াস (নোয়াখালী), ওয়াসিম আকরাম (কক্সবাজার), ইমতিয়াজ হোসেন রিয়াজ (নোয়াখালী) এর পরিবারের সদস্যরা। ‘জুলাই সনদ তিন মাস আগেই সরকারের কাছে দিয়েছি’ তিনি মাস আগেই জুলাই সনদ সরকারের কাছে দেওয়া হয়েছে তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “বিএনপি আজ থেকে তিন মাস আগে জুলাই সনদের ব্যাপারে আমাদের কী বক্তব্য, আমাদের কী অবস্থান সকল কিছু ব্যাখ্যা করে লিখিতভাবে আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে উপস্থাপন করেছি। “আমরা একটি রাজনৈতিক দল, এই মুহূর্তে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে নেই। একটি দল হিসেবে আমাদের কাছে সরকার বক্তব্য মতামত জানতে চেয়েছে আমরা পরিষ্কারভাবে, লিখিতভাবে দিয়ে দিয়েছি।” সম্পূর্ণ দায়িত্ব এখন সরকারের, এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, “তারা কতটুকু কী করবে, না করবে, কাদের নিয়ে কী করবে না করবে, সেটি তাদের ব্যাপার। এখানে আমাদের আর কোনো কিছু বলার নেই।” তারেক বলেন, “যখন, আমরা দেখছি যে, কোনো কিছু বা কোনো কোনো বিষয় সামনে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে অথবা কোনো কিছুকে লুকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, তখনই আমরা খেয়াল করছি, কিছু কিছু নন-ইস্যুকে ইস্যু করে একটি বিভ্রান্তির সৃষ্টি করা হচ্ছে।” দেশটি একার নয় বা কোনো রাজনৈতিক দলের না মন্তব্য করে তিনি বলেন, “দেশটি সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের, ২০ কোটি মানুষের। কাজেই ২০ কোটি মানুষের কাছে আহ্বান থাকবে, দেশটি আমাদের সকলের, কাজেই এই দেশটিকে নিয়ে আমাদের সকলের ভাবতে হবে। “কারা কী করছে, কারা কী ভূমিকা রাখছে, কারা কী বর্তমানে বলছে? বলার মধ্যে পার্থক্য কী? তাদের অবস্থা ঘনঘন পরিবর্তন করছে, এই সকল বিষয়ে আপনারা নজর রাখবেন।” ‘প্রশাসনে এখনও স্বৈরাচারের ভূত’ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “আপনারা নিজেরাই অনেকে এখানে বক্তব্যে বলেছেন, প্রশাসনের মধ্যে এখনও বিগত স্বৈরাচারের ভূত লুকিয়ে আছে, প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় এখনও এই ভূত লুকিয়ে আছে।” “কাজেই সেই ভূত এবং বর্তমানের নতুন কোনো যদি ভূত থাকে তারা কী ষড়যন্ত্র করছে সেই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সবাই সচেতন থাকতে হবে। যদি আমরা সচেতন না হই এদেশকে টিকিয়ে রাখার মুশকিল হবে।” ‘বিচার অবশ্যই বিএনপি করবে’ জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতাদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি সোচ্চার। তারা নির্বাচনের আগে বিচার দৃশ্যমান দেখতে চায়। বিচার প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, “আপনারা বিচারের কথা বলেছেন, বিচারের কথা শুধু আপনাদের কথা নয়। বিচারের কথা সমস্ত বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক মানুষের দাবি, প্রত্যেকটি গণতান্ত্রিক মানুষের কথা। “কাজেই কেন আমরা সেটি করব না? অবশ্যই বিএনপি যখনই সুযোগ পাবে, অবশ্যই নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে প্রত্যেকটি হত্যাকান্ডের বিচার, কারণ এটি আমাদের অঙ্গীকার।” ‘ব্যবসায়ীর খুনিকে কেন ধরা হচ্ছে না’ বুধবার পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে মাথা থেঁতলে ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যার ঘটনায় বিএনপির সমালোচনা চলছে। এ ঘটনায় দলটির সহযোগী-অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। বিএনপি ৫ জনকে বহিষ্কারের কথা জানিয়েছে। এ ঘটনার বিষয়ে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “কেন কিছু কিছু দল পুরান ঢাকার ঘটনাটিকে ভ্রান্তভাবে উপস্থাপন করছে? যে ছেলেটি মারা গেছে তার সাথে হয়ত যু্ব দলের সম্পর্ক আছে। কিন্তু যে খুন করছে বা যে হত্যা করছে তাকে অন্য জায়গা থেকে, আমরা যেটা খবর পেয়েছি, অন্য জায়গা থেকে নিয়ে আসা হয়েছে তাকে। “তাকে ধরা হচ্ছে না। ধরা হল অন্যদের, গ্রেপ্তার করা হলো। তাকে আসামি পর্যন্ত করা হয়নি, বোধ হয় এখন পর্যন্ত। কেন হয়নি, কেন ধরা হচ্ছে না।” তারেক বলেন, “আমাদের পক্ষ থেকে তো একবারও বলা হয়নি অমুকে ধরা যাবে না, তমুককে ধরা যাবে না। আমরা বরাবরই বলেছি, অন্যায়কারী আইনের দৃষ্টিতে তার বিচার হবে। দলের সাথে তার কী সম্পর্ক কিচ্ছু যায় আসে না তাতে। তাকে দল কোনো রকম প্রশ্রয় দেবে না, কেউ যদি কোনো অন্যায় করে থাকে।” দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেন তারা বসে আছেন? আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চালায় কে? বিএনপি তো চালায় না। চালাচ্ছে তো সরকার। তাহলে সরকার কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না তাদের (খুনিদের) বিরুদ্ধে, সেটি দলের হোক বা অন্য কেউ হোক, কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।” ছাত্র দলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বক্তব্য রাখেন।
    Like
    1
    0 Comentários 0 Compartilhamentos 5K Visualizações 0 Avaliações
  • প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় জরুরি অবস্থা আর নয়
    জরুরি অবস্থা যেন রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না হয়, সে লক্ষ্যে নতুন বিধান সংযোজনের বিষয়ে একমতে পৌঁছেছে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি স্বাক্ষরের পরিবর্তে এখণ থেকে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। রোববার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার সংলাপের ১২তম দিনে এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছায় অংশগ্রহণকারী দলগুলো।

    জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিষয়ে সংবিধানের ১৪১ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। সেখানে বলা হয়েছে, ১৪১ এর ক এর ১ ধারা মতে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরি-অবস্থা বিদ্যমান রয়েছে, যা যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোনো অংশের নিরাপত্তার বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হলে তিনি অনধিক নব্বই দিনের জন্য জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করিতে পারবেন। তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই মন্ত্রীসভার লিখিত অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। বিদ্যমান সংবিধানে ১২০ দিনের কথা বলা আছে।

    একই সঙ্গে জরুরি অবস্থা ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে। জরুরি অবস্থা নিয়ে গত ৭ ও ১০ জুলাই আলোচনা হয়। তার প্রেক্ষিতে রোববারের আলোচনায় বলা হয়, বিদ্যমান ১৪১ (ক) সংশোধনের সময় অভ্যন্তরীণ গোলযোগের শব্দগুলির পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার প্রতি হুমকি বা মহামারি বা প্রাকিৃতিক দুযোগ শব্দগুলি প্রতিস্থাপন হবে। জরুরি অবস্থা ঘোষণার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি স্বাক্ষরের পরিবর্তে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিধান যুক্ত করা।

    ওই সময়ে নাগরিকের দুটো অধিকার অলঙ্ঘনীয় করার লক্ষ্যে সংবিধানের ৪৭ (৩) এর বিধান সাপেক্ষে কোনো নাগরিকের জীবন অধিকার, নির্যাতন ও নিষ্ঠুর, অমানবিক বা মর্যাদাহানিকর আচরেণ বা শাস্তি হইতে রক্ষা পাইবার অধিকার খর্ব করা যাবে না। সংলাপে জরুরি অবস্থা ঘোষণার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি স্বাক্ষরের পরিবর্তে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিধান যুক্ত করা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্বিমত দেখা যায়।

    বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক মন্ত্রিসভার পরিবর্তে সর্বদলীয় বৈঠক হতে সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রস্তাব করেন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আহমদ আবদুল কাদের মন্ত্রিসভার সঙ্গে বিরোধী দলকে যুক্ত করা প্রস্তাব দেন।

    আলোচনার এক পর্যায়ে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জরুরি অবস্থা নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিরোধী দলীয় নেতা বা নেত্রীর উপস্থিতি নিশ্চিতের প্রস্তাব করেন। যাতে সমর্থন জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। পরে ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন বিরোধী দলীয় নেতা না থাকলে কে উপস্থিত থাকবেন তা নিয়ে কথা বলেন। তিনি সে সুযোগ রাখার প্রস্তাব করেন।

    এ সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার জানান বিরোধী দলীয় উপনেতাও মন্ত্রী পদ মর্যাদার। পরে সিদ্ধান্ত হয়, জরুরি অবস্থা ঘোষণার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি স্বাক্ষরের পরিবর্তে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিধান যুক্ত করা। মন্ত্রীসভার বৈঠকে সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বা নেত্রী বা তার অনুপস্থিতিতে বিরোধী দলীয় উপনেতা উপস্থিত থাকেবেন।
    প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় জরুরি অবস্থা আর নয় জরুরি অবস্থা যেন রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না হয়, সে লক্ষ্যে নতুন বিধান সংযোজনের বিষয়ে একমতে পৌঁছেছে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি স্বাক্ষরের পরিবর্তে এখণ থেকে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। রোববার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার সংলাপের ১২তম দিনে এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছায় অংশগ্রহণকারী দলগুলো। জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিষয়ে সংবিধানের ১৪১ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। সেখানে বলা হয়েছে, ১৪১ এর ক এর ১ ধারা মতে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরি-অবস্থা বিদ্যমান রয়েছে, যা যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোনো অংশের নিরাপত্তার বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হলে তিনি অনধিক নব্বই দিনের জন্য জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করিতে পারবেন। তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই মন্ত্রীসভার লিখিত অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। বিদ্যমান সংবিধানে ১২০ দিনের কথা বলা আছে। একই সঙ্গে জরুরি অবস্থা ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে। জরুরি অবস্থা নিয়ে গত ৭ ও ১০ জুলাই আলোচনা হয়। তার প্রেক্ষিতে রোববারের আলোচনায় বলা হয়, বিদ্যমান ১৪১ (ক) সংশোধনের সময় অভ্যন্তরীণ গোলযোগের শব্দগুলির পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার প্রতি হুমকি বা মহামারি বা প্রাকিৃতিক দুযোগ শব্দগুলি প্রতিস্থাপন হবে। জরুরি অবস্থা ঘোষণার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি স্বাক্ষরের পরিবর্তে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিধান যুক্ত করা। ওই সময়ে নাগরিকের দুটো অধিকার অলঙ্ঘনীয় করার লক্ষ্যে সংবিধানের ৪৭ (৩) এর বিধান সাপেক্ষে কোনো নাগরিকের জীবন অধিকার, নির্যাতন ও নিষ্ঠুর, অমানবিক বা মর্যাদাহানিকর আচরেণ বা শাস্তি হইতে রক্ষা পাইবার অধিকার খর্ব করা যাবে না। সংলাপে জরুরি অবস্থা ঘোষণার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি স্বাক্ষরের পরিবর্তে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিধান যুক্ত করা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্বিমত দেখা যায়। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক মন্ত্রিসভার পরিবর্তে সর্বদলীয় বৈঠক হতে সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রস্তাব করেন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আহমদ আবদুল কাদের মন্ত্রিসভার সঙ্গে বিরোধী দলকে যুক্ত করা প্রস্তাব দেন। আলোচনার এক পর্যায়ে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জরুরি অবস্থা নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিরোধী দলীয় নেতা বা নেত্রীর উপস্থিতি নিশ্চিতের প্রস্তাব করেন। যাতে সমর্থন জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। পরে ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন বিরোধী দলীয় নেতা না থাকলে কে উপস্থিত থাকবেন তা নিয়ে কথা বলেন। তিনি সে সুযোগ রাখার প্রস্তাব করেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার জানান বিরোধী দলীয় উপনেতাও মন্ত্রী পদ মর্যাদার। পরে সিদ্ধান্ত হয়, জরুরি অবস্থা ঘোষণার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি স্বাক্ষরের পরিবর্তে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিধান যুক্ত করা। মন্ত্রীসভার বৈঠকে সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বা নেত্রী বা তার অনুপস্থিতিতে বিরোধী দলীয় উপনেতা উপস্থিত থাকেবেন।
    Yay
    1
    0 Comentários 0 Compartilhamentos 3K Visualizações 0 Avaliações
  • একদিন তিনি (হযরত আবু বকর রা.) একটি বাগানে গিয়েছেন। সেখানে দেখলেন একটি কবুতর গাছের ছায়ায় বসে আছে। তিনি দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন। বললেন, পাখি! কতই-না শান্তিতে আছো! খাচ্ছো, পান করছো, গাছের ছায়ায় ছায়ায় বিচরণ করছো! এরপর আখিরাতে তো তোমার আর হিসাব দিতে হবে না। হায়! আবু বকর যদি তোমার মতো হতে পারতো!

    [বই : হেকায়েতে সাহাবা; পৃষ্ঠা - ৫৬]
    একদিন তিনি (হযরত আবু বকর রা.) একটি বাগানে গিয়েছেন। সেখানে দেখলেন একটি কবুতর গাছের ছায়ায় বসে আছে। তিনি দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন। বললেন, পাখি! কতই-না শান্তিতে আছো! খাচ্ছো, পান করছো, গাছের ছায়ায় ছায়ায় বিচরণ করছো! এরপর আখিরাতে তো তোমার আর হিসাব দিতে হবে না। হায়! আবু বকর যদি তোমার মতো হতে পারতো! [বই : হেকায়েতে সাহাবা; পৃষ্ঠা - ৫৬]
    Like
    1
    0 Comentários 0 Compartilhamentos 714 Visualizações 0 Avaliações
  • সলাত আসলে খুবই Relaxing!
    ধীরে ধীরে সব রুকন আদায় করলে ব্রেইন খুবই Relax হয়। তাড়াহুড়ো করলে এতোটা ফিল পাওয়া যায় না।
    সলাত আসলে খুবই Relaxing! ধীরে ধীরে সব রুকন আদায় করলে ব্রেইন খুবই Relax হয়। তাড়াহুড়ো করলে এতোটা ফিল পাওয়া যায় না।
    Love
    1
    0 Comentários 0 Compartilhamentos 723 Visualizações 0 Avaliações
Mais resultados
Eidok https://eidok.com